স্ট্রিম সংবাদদাতা

যশোরে পেনশন ফাইল অনুমোদনের নামে ‘ঘুষ নেওয়ার সময়’ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলমকে ‘হাতেনাতে’ গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তাঁকে ছাড়াতে বুধবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যা থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত যশোর সমন্বিত দুদক কার্যালয় অবরোধ করে রাখেন শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মকর্তারা। অবরোধকারীদের দাবি, শিক্ষা কর্মকর্তা আশরাফুল আলম সৎ, তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যা ৭টার দিকে জেলা প্রাথমিকের শিক্ষকরা দুদক কার্যালয়ে জড়ো হতে থাকেন। একপর্যায়ে তাঁদের সঙ্গে বিভিন্ন উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তারাও যোগ দেন। শতাধিক শিক্ষক ও কর্মকর্তা কার্যালয়ের চত্বরে অবস্থান নিয়ে শিক্ষা কর্মকর্তাকে ছাড়ানোর দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
পরে মামলা হওয়ার পর গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষা কর্মকর্তাকে ছেড়ে দেওয়ার সুযোগ নেই; পুলিশের পক্ষ থেকে এমনটি জানানো হলে তাঁরা চত্বর থেকে সরে যান।
এর আগে বুধবার বিকেলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে অভিযান চালায় দুদক। পেনশন ফাইল অনুমোদনের জন্য সোয়া লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার সময় দুদকের হাতে ধরা পড়েন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম।
গ্রেপ্তাের পর দুদকের কর্মকর্তারা তাঁকে যশোর সমন্বিত দুদক কার্যালয়ে নিয়ে যান। এ সময় বিভিন্ন শিক্ষক সেখানে জড়ো হন। একপর্যায়ে তাঁরা দুদক কার্যালয় ঘিরে অবস্থান নেন। পরে দুদকের কর্মকর্তারা বাদী হয়ে মামলা শেষে শিক্ষা কর্মকর্তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করলে পুলিশ তাঁকে থানায় নেওয়ার জন্য গাড়িতে তোলে। তখন শিক্ষকেরা পুলিশের গাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখেন এবং বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।
সদর উপজেলার দত্তনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল জব্বর বলেন, ‘জেলায় অনেক ডিপিওর আন্ডারে চাকরি করেছি। কিন্তু আশরাফুল আলমের মতো শিক্ষা অফিসার পাইনি। তিনি সৎ মানুষ। তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। যে শিক্ষক ডিপিওর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন, তাঁর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি ওই শিক্ষককে ডিপিও স্যার অন্যত্র বদলি করেছিলেন। সেই ক্ষোভ থেকেই তিনি জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এই ষড়যন্ত্র করেছেন।’
শাহানারা খানম নামে আরেক সহকারী শিক্ষক বলেন, ‘স্যার বুধবার বিকাল পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মিটিংয়ে ছিলেন। বিকালে তাঁর দপ্তরে গিয়ে টাকাসহ তিনি আটক হয়েছেন। এটা ষড়যন্ত্র, কেউ তাঁর দপ্তরে গিয়ে টাকা রেখে এসেছেন। শিক্ষকেরা ঘুষ দেন না; নেনও না। অন্যায়ভাবে এই আটক, অভিযোগ শিক্ষকদের জন্য মানহানিকর। সেই কারণে তাঁকে আটক করতে দেব না।’
শিক্ষা কর্মকর্তাকে পুলিশের ভ্যানে করে বারবার থানার উদ্দেশে নেওয়ার চেষ্টা করলে শিক্ষকেরা বারবার গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে যান। একপর্যায়ে মামলা হওয়ার পর গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষা কর্মকর্তাকে ছেড়ে দেওয়ার সুযোগ নেই—জেলা পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে এমনটি জানানো হলে তাঁরা চত্বর ত্যাগ করেন।
যাওয়ার আগে সদর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা মাইদুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের শিক্ষা কর্মকর্তাকে অন্যায়ভাবে আটক করা হয়েছে। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। কাল আদালতের মাধ্যমে শিক্ষা কর্মকর্তাকে জামিনে বের করব। আদালত জামিন না দিলে পরবর্তীতে আমাদের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।’
যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি (তদন্ত) কাজী বাবুল ইসলাম বলেন, ‘অভিযানের পর দুদক কার্যালয়ে আমাদের একটি টিম যায়। মামলা শেষে শিক্ষা কর্মকর্তাকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আমরা তাঁকে থানায় আনার জন্য গাড়িতে তুলি। তখন শিক্ষকেরা আমাদের অবরুদ্ধ করেন। পরে তাঁদের বোঝালে তাঁরা চলে যান। এরপর শিক্ষা কর্মকর্তাকে ডিবি কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার তাঁকে আদালতে পাঠানো হবে।’
প্রসঙ্গত, যশোরের ঝিকরগাছার কাউরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শিরিনা আক্তার গত বছরের ২৩ আগস্ট মারা যান। তাঁর পেনশন ফাইল অনুমোদনের জন্য তাঁর স্বামী নুরুন্নবী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে আবেদন করেন। অভিযোগ রয়েছে, পেনশন ফাইলে সই করার জন্য জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম তাঁর কাছে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। পরে নুরুন্নবী ওই টাকা সংগ্রহ করে দুদক যশোর সমন্বিত কার্যালয়ে বিষয়টি জানান।
দুদক যশোর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আল-আমিন জানান, ভুক্তভোগীর অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি দুদক প্রধান কার্যালয়কে জানানো হয়। প্রধান কার্যালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে বুধবার বিকেলে দুদকের একটি দল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ে অবস্থান নেয়। শিক্ষা কর্মকর্তাকে ঘুষ দেওয়ার পর দুদক সদস্যরা ঘুষের টাকাসহ তাঁকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করেন।

যশোরে পেনশন ফাইল অনুমোদনের নামে ‘ঘুষ নেওয়ার সময়’ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলমকে ‘হাতেনাতে’ গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তাঁকে ছাড়াতে বুধবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যা থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত যশোর সমন্বিত দুদক কার্যালয় অবরোধ করে রাখেন শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মকর্তারা। অবরোধকারীদের দাবি, শিক্ষা কর্মকর্তা আশরাফুল আলম সৎ, তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যা ৭টার দিকে জেলা প্রাথমিকের শিক্ষকরা দুদক কার্যালয়ে জড়ো হতে থাকেন। একপর্যায়ে তাঁদের সঙ্গে বিভিন্ন উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তারাও যোগ দেন। শতাধিক শিক্ষক ও কর্মকর্তা কার্যালয়ের চত্বরে অবস্থান নিয়ে শিক্ষা কর্মকর্তাকে ছাড়ানোর দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
পরে মামলা হওয়ার পর গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষা কর্মকর্তাকে ছেড়ে দেওয়ার সুযোগ নেই; পুলিশের পক্ষ থেকে এমনটি জানানো হলে তাঁরা চত্বর থেকে সরে যান।
এর আগে বুধবার বিকেলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে অভিযান চালায় দুদক। পেনশন ফাইল অনুমোদনের জন্য সোয়া লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার সময় দুদকের হাতে ধরা পড়েন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম।
গ্রেপ্তাের পর দুদকের কর্মকর্তারা তাঁকে যশোর সমন্বিত দুদক কার্যালয়ে নিয়ে যান। এ সময় বিভিন্ন শিক্ষক সেখানে জড়ো হন। একপর্যায়ে তাঁরা দুদক কার্যালয় ঘিরে অবস্থান নেন। পরে দুদকের কর্মকর্তারা বাদী হয়ে মামলা শেষে শিক্ষা কর্মকর্তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করলে পুলিশ তাঁকে থানায় নেওয়ার জন্য গাড়িতে তোলে। তখন শিক্ষকেরা পুলিশের গাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখেন এবং বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।
সদর উপজেলার দত্তনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল জব্বর বলেন, ‘জেলায় অনেক ডিপিওর আন্ডারে চাকরি করেছি। কিন্তু আশরাফুল আলমের মতো শিক্ষা অফিসার পাইনি। তিনি সৎ মানুষ। তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। যে শিক্ষক ডিপিওর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন, তাঁর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি ওই শিক্ষককে ডিপিও স্যার অন্যত্র বদলি করেছিলেন। সেই ক্ষোভ থেকেই তিনি জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এই ষড়যন্ত্র করেছেন।’
শাহানারা খানম নামে আরেক সহকারী শিক্ষক বলেন, ‘স্যার বুধবার বিকাল পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মিটিংয়ে ছিলেন। বিকালে তাঁর দপ্তরে গিয়ে টাকাসহ তিনি আটক হয়েছেন। এটা ষড়যন্ত্র, কেউ তাঁর দপ্তরে গিয়ে টাকা রেখে এসেছেন। শিক্ষকেরা ঘুষ দেন না; নেনও না। অন্যায়ভাবে এই আটক, অভিযোগ শিক্ষকদের জন্য মানহানিকর। সেই কারণে তাঁকে আটক করতে দেব না।’
শিক্ষা কর্মকর্তাকে পুলিশের ভ্যানে করে বারবার থানার উদ্দেশে নেওয়ার চেষ্টা করলে শিক্ষকেরা বারবার গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে যান। একপর্যায়ে মামলা হওয়ার পর গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষা কর্মকর্তাকে ছেড়ে দেওয়ার সুযোগ নেই—জেলা পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে এমনটি জানানো হলে তাঁরা চত্বর ত্যাগ করেন।
যাওয়ার আগে সদর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা মাইদুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের শিক্ষা কর্মকর্তাকে অন্যায়ভাবে আটক করা হয়েছে। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। কাল আদালতের মাধ্যমে শিক্ষা কর্মকর্তাকে জামিনে বের করব। আদালত জামিন না দিলে পরবর্তীতে আমাদের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।’
যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি (তদন্ত) কাজী বাবুল ইসলাম বলেন, ‘অভিযানের পর দুদক কার্যালয়ে আমাদের একটি টিম যায়। মামলা শেষে শিক্ষা কর্মকর্তাকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আমরা তাঁকে থানায় আনার জন্য গাড়িতে তুলি। তখন শিক্ষকেরা আমাদের অবরুদ্ধ করেন। পরে তাঁদের বোঝালে তাঁরা চলে যান। এরপর শিক্ষা কর্মকর্তাকে ডিবি কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার তাঁকে আদালতে পাঠানো হবে।’
প্রসঙ্গত, যশোরের ঝিকরগাছার কাউরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শিরিনা আক্তার গত বছরের ২৩ আগস্ট মারা যান। তাঁর পেনশন ফাইল অনুমোদনের জন্য তাঁর স্বামী নুরুন্নবী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে আবেদন করেন। অভিযোগ রয়েছে, পেনশন ফাইলে সই করার জন্য জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম তাঁর কাছে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। পরে নুরুন্নবী ওই টাকা সংগ্রহ করে দুদক যশোর সমন্বিত কার্যালয়ে বিষয়টি জানান।
দুদক যশোর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আল-আমিন জানান, ভুক্তভোগীর অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি দুদক প্রধান কার্যালয়কে জানানো হয়। প্রধান কার্যালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে বুধবার বিকেলে দুদকের একটি দল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ে অবস্থান নেয়। শিক্ষা কর্মকর্তাকে ঘুষ দেওয়ার পর দুদক সদস্যরা ঘুষের টাকাসহ তাঁকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করেন।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৪ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৫ ঘণ্টা আগে