স্ট্রিম সংবাদদাতা

স্ত্রী ও ৯ মাস বয়সী সন্তানকে হারানো নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের বাগেরহাট সদর উপজেলা সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দামকে ৬ মাসের জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমেদ ভূঞার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। তবে আদেশের চিঠি কারাগারে না পৌঁছানোতে এ দিন মুক্তি মেলেনি সাদ্দামের।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুর নাগাদ মুক্তির সম্ভাবনা দেখছেন কারাকর্তৃপক্ষ। তবে মুক্তি নিয়ে আগ্রহ নেই সাদ্দামের পরিবারের।
যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আবিদ আহম্মেদ বলেছেন, ‘আমরা শুনেছি সাদ্দামের জামিন হয়েছে। তবে আদালতের কোনো নথি আমাদের কাছে আসেনি। আজ আসার সম্ভাবনাও নেই। কাল (মঙ্গলবার) দুপুর নাগাদ জামিন হতে পারে বলে ধারণা করছি।’
সাদ্দামের ভাই প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, ‘৬ মাসের জামিন হয়েছে, সাদ্দামের আইনজীবী আমাদের জানিয়েছে। তবে এখন জামিন দিয়ে কী লাভ! জামিন নিয়ে আগ্রহ নেই আমাদের।’
ক্ষোভের স্বরে শহিদুল বলেন, ‘বাগেরহাটে একবার জামিন দিয়েও সাদ্দামকে জেল গেট থেকে আবারও আটক করে পুলিশ। তাঁর জামিন দিয়ে আর কী হবে। সে তো আর তাঁর সন্তান-স্ত্রীকে পাবে না। সে তো সন্ত্রাসী না। এমন তো না যে, বাগেরহাটে জুলাই আন্দোলনে বড় কোনো সহিংসতা হয়েছে। সে যে মামলায় আটক হয়; সে ওই ঘটনায় জড়িতও না।’
তবে সাদ্দামের এই জামিন নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের ধন্যবাদ জানান শহিদুল। তিনি বলেন, এই পরিস্থিতিতে গণমাধ্যম পাশে ছিল বলেই তাঁর জামিন হয়েছে।
আদালতে সাদ্দামের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা। শুনানি শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘মানবিক দিক বিবেচনা করে আদালত তাঁকে জামিন দিয়েছেন। বর্তমানে তিনি একাধিক মামলায় কারাগারে বন্দি রয়েছেন।’
এর আগে গত ২৪ জানুয়ারি প্যারোল না পাওয়ায় সাদ্দামের মৃত স্ত্রী ও সন্তানের মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের গেটে নিয়ে যাওয়া হয়। কারা কর্তৃপক্ষের মানবিক অনুমতিতে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জেলগেটের ভেতরে মাত্র ৫ মিনিটের জন্য সাদ্দামকে তাঁর স্ত্রী কানিজ স্বর্ণালী ও ৯ মাস বয়সী শিশু সন্তান নাজিমের মরদেহ দেখার সুযোগ দেওয়া হয়। গত শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে বাগেরহাটের বেখেডাঙ্গা গ্রামে সাদ্দামের নিজ বাড়ি থেকে তার স্ত্রী স্বর্ণালীর ঝুলন্ত মরদেহ এবং পাশে ৯ মাস বয়সী শিশুপুত্র নাজিমের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশের ধারণা, বিষণ্ণতা থেকে সন্তানকে হত্যার পর স্বর্ণালী আত্মহত্যা করেছেন। সাদ্দামকে প্যারোলে মুক্তি না দিয়ে জেলগেটে মরদেহ দেখানোর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গোপালগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার হন জুয়েল হাসান সাদ্দাম। এরপর থেকেই তিনি যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি ছিলেন।

স্ত্রী ও ৯ মাস বয়সী সন্তানকে হারানো নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের বাগেরহাট সদর উপজেলা সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দামকে ৬ মাসের জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমেদ ভূঞার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। তবে আদেশের চিঠি কারাগারে না পৌঁছানোতে এ দিন মুক্তি মেলেনি সাদ্দামের।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুর নাগাদ মুক্তির সম্ভাবনা দেখছেন কারাকর্তৃপক্ষ। তবে মুক্তি নিয়ে আগ্রহ নেই সাদ্দামের পরিবারের।
যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আবিদ আহম্মেদ বলেছেন, ‘আমরা শুনেছি সাদ্দামের জামিন হয়েছে। তবে আদালতের কোনো নথি আমাদের কাছে আসেনি। আজ আসার সম্ভাবনাও নেই। কাল (মঙ্গলবার) দুপুর নাগাদ জামিন হতে পারে বলে ধারণা করছি।’
সাদ্দামের ভাই প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, ‘৬ মাসের জামিন হয়েছে, সাদ্দামের আইনজীবী আমাদের জানিয়েছে। তবে এখন জামিন দিয়ে কী লাভ! জামিন নিয়ে আগ্রহ নেই আমাদের।’
ক্ষোভের স্বরে শহিদুল বলেন, ‘বাগেরহাটে একবার জামিন দিয়েও সাদ্দামকে জেল গেট থেকে আবারও আটক করে পুলিশ। তাঁর জামিন দিয়ে আর কী হবে। সে তো আর তাঁর সন্তান-স্ত্রীকে পাবে না। সে তো সন্ত্রাসী না। এমন তো না যে, বাগেরহাটে জুলাই আন্দোলনে বড় কোনো সহিংসতা হয়েছে। সে যে মামলায় আটক হয়; সে ওই ঘটনায় জড়িতও না।’
তবে সাদ্দামের এই জামিন নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের ধন্যবাদ জানান শহিদুল। তিনি বলেন, এই পরিস্থিতিতে গণমাধ্যম পাশে ছিল বলেই তাঁর জামিন হয়েছে।
আদালতে সাদ্দামের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা। শুনানি শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘মানবিক দিক বিবেচনা করে আদালত তাঁকে জামিন দিয়েছেন। বর্তমানে তিনি একাধিক মামলায় কারাগারে বন্দি রয়েছেন।’
এর আগে গত ২৪ জানুয়ারি প্যারোল না পাওয়ায় সাদ্দামের মৃত স্ত্রী ও সন্তানের মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের গেটে নিয়ে যাওয়া হয়। কারা কর্তৃপক্ষের মানবিক অনুমতিতে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জেলগেটের ভেতরে মাত্র ৫ মিনিটের জন্য সাদ্দামকে তাঁর স্ত্রী কানিজ স্বর্ণালী ও ৯ মাস বয়সী শিশু সন্তান নাজিমের মরদেহ দেখার সুযোগ দেওয়া হয়। গত শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে বাগেরহাটের বেখেডাঙ্গা গ্রামে সাদ্দামের নিজ বাড়ি থেকে তার স্ত্রী স্বর্ণালীর ঝুলন্ত মরদেহ এবং পাশে ৯ মাস বয়সী শিশুপুত্র নাজিমের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশের ধারণা, বিষণ্ণতা থেকে সন্তানকে হত্যার পর স্বর্ণালী আত্মহত্যা করেছেন। সাদ্দামকে প্যারোলে মুক্তি না দিয়ে জেলগেটে মরদেহ দেখানোর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গোপালগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার হন জুয়েল হাসান সাদ্দাম। এরপর থেকেই তিনি যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি ছিলেন।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৩ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে