স্ট্রিম প্রতিবেদক

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, বাংলাদেশে দুর্নীতির লাগাম টানা সম্ভব হচ্ছে না মূলত সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর সম্মিলিত ব্যর্থতায়। দুর্নীতি রোধে অন্তর্বর্তী সরকার প্রয়োজনীয় সংস্কার ও দৃষ্টান্ত স্থাপনে ব্যর্থ হয়েছে। অন্যদিকে, রাজনৈতিক দলগুলোও তাদের পুরোনো সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) জার্মানির বার্লিনভিত্তিক ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই) পরিচালিত ‘দুর্নীতির ধারণা সূচক (সিপিআই) ২০২৫’ এর বৈশ্বিক প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘আমরা এমন কোনো প্রত্যাশা করিনি যে অন্তর্বর্তী সরকার দেড় বছরে দেশকে “দুধ ও মধুতে” ভাসিয়ে দেবে। কিন্তু রাষ্ট্র সংস্কার ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে একটি শক্ত ভিত্তি বা দৃষ্টান্ত স্থাপনের পবিত্র দায়িত্ব তাদের ছিল, যা পালনে তারা নিঃসন্দেহে ব্যর্থ হয়েছে।’
তিনি অভিযোগ করেন, সংস্কারের ক্ষেত্রে সরকার সুনির্দিষ্ট কৌশল বা পরিকল্পনা ছাড়াই ‘এডহক’ ভিত্তিতে কাজ করেছে।
সরকারের স্বচ্ছতার ঘাটতি এবং স্বার্থের দ্বন্দ্বের (কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট) বিষয়টিকে ‘ফ্ল্যাগশিপ’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় স্বার্থ ও ব্যক্তিগত স্বার্থের মধ্যে যারা বিভাজন করতে পারেন না, তাদের দায়িত্ব নেওয়া উচিত নয়। সরকারের অনেক উপদেষ্টা ব্যক্তিগত স্বার্থের সঙ্গে সরকারি স্বার্থকে একাকার করে ফেলেছেন।’
আওয়ামী লীগের নির্বাচনে অংশগ্রহণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে টিআইবি প্রধান বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নিজেরাই প্রকাশ্যে নির্বাচনবিরোধী অবস্থান ঘোষণা করেছে এবং বর্জন করেছে। তাদের রাজনীতিতে ফিরতে হলে আগে নিজেদের অপরাধ স্বীকার করতে হবে এবং অনুশোচনা করতে হবে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘ইনক্লুসিভ নির্বাচনের নামে যদি কোনো দলকে গ্লোরিফাই করা হয় এবং গত ১৬ বছরের নির্বাচনহীন সংস্কৃতিকে উপেক্ষা করা হয়, তবে তা সঠিক হবে না।’
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, শুধু সরকার পরিবর্তন করলেই হবে না, দুর্নীতি রোধে মূল দায়িত্ব রাজনৈতিক দলগুলোকেই নিতে হবে। কারণ, দিন শেষে রাষ্ট্র পরিচালনার মালিকানা তাদের হাতেই থাকে। তিনি হতাশা প্রকাশ করে বলেন, ‘সরকারকে বারবার সংস্কার বিরোধীদের ব্যাপারে সতর্ক করা হলেও তারা তা হেসে উড়িয়ে দিয়েছে, যার ফলে সংস্কার প্রক্রিয়া আমলাতন্ত্র ও কায়েমি শক্তির কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে।’
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক মনে করেন, বাংলাদেশের দুর্নীতির সূচকে অবনমন (স্কোর ১ পয়েন্ট কমে যাওয়া) মূলত জুলাই আন্দোলনের ইতিবাচক পরিবর্তনের সুফল ঘরে তুলতে না পারারই প্রতিফলন। তবে রাজনৈতিক দলগুলো যদি তাদের অঙ্গীকার সত্যিকার অর্থে বাস্তবায়ন করে, তবে বাংলাদেশে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ করা অসম্ভব কিছু নয়।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, বাংলাদেশে দুর্নীতির লাগাম টানা সম্ভব হচ্ছে না মূলত সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর সম্মিলিত ব্যর্থতায়। দুর্নীতি রোধে অন্তর্বর্তী সরকার প্রয়োজনীয় সংস্কার ও দৃষ্টান্ত স্থাপনে ব্যর্থ হয়েছে। অন্যদিকে, রাজনৈতিক দলগুলোও তাদের পুরোনো সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) জার্মানির বার্লিনভিত্তিক ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই) পরিচালিত ‘দুর্নীতির ধারণা সূচক (সিপিআই) ২০২৫’ এর বৈশ্বিক প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘আমরা এমন কোনো প্রত্যাশা করিনি যে অন্তর্বর্তী সরকার দেড় বছরে দেশকে “দুধ ও মধুতে” ভাসিয়ে দেবে। কিন্তু রাষ্ট্র সংস্কার ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে একটি শক্ত ভিত্তি বা দৃষ্টান্ত স্থাপনের পবিত্র দায়িত্ব তাদের ছিল, যা পালনে তারা নিঃসন্দেহে ব্যর্থ হয়েছে।’
তিনি অভিযোগ করেন, সংস্কারের ক্ষেত্রে সরকার সুনির্দিষ্ট কৌশল বা পরিকল্পনা ছাড়াই ‘এডহক’ ভিত্তিতে কাজ করেছে।
সরকারের স্বচ্ছতার ঘাটতি এবং স্বার্থের দ্বন্দ্বের (কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট) বিষয়টিকে ‘ফ্ল্যাগশিপ’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় স্বার্থ ও ব্যক্তিগত স্বার্থের মধ্যে যারা বিভাজন করতে পারেন না, তাদের দায়িত্ব নেওয়া উচিত নয়। সরকারের অনেক উপদেষ্টা ব্যক্তিগত স্বার্থের সঙ্গে সরকারি স্বার্থকে একাকার করে ফেলেছেন।’
আওয়ামী লীগের নির্বাচনে অংশগ্রহণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে টিআইবি প্রধান বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নিজেরাই প্রকাশ্যে নির্বাচনবিরোধী অবস্থান ঘোষণা করেছে এবং বর্জন করেছে। তাদের রাজনীতিতে ফিরতে হলে আগে নিজেদের অপরাধ স্বীকার করতে হবে এবং অনুশোচনা করতে হবে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘ইনক্লুসিভ নির্বাচনের নামে যদি কোনো দলকে গ্লোরিফাই করা হয় এবং গত ১৬ বছরের নির্বাচনহীন সংস্কৃতিকে উপেক্ষা করা হয়, তবে তা সঠিক হবে না।’
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, শুধু সরকার পরিবর্তন করলেই হবে না, দুর্নীতি রোধে মূল দায়িত্ব রাজনৈতিক দলগুলোকেই নিতে হবে। কারণ, দিন শেষে রাষ্ট্র পরিচালনার মালিকানা তাদের হাতেই থাকে। তিনি হতাশা প্রকাশ করে বলেন, ‘সরকারকে বারবার সংস্কার বিরোধীদের ব্যাপারে সতর্ক করা হলেও তারা তা হেসে উড়িয়ে দিয়েছে, যার ফলে সংস্কার প্রক্রিয়া আমলাতন্ত্র ও কায়েমি শক্তির কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে।’
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক মনে করেন, বাংলাদেশের দুর্নীতির সূচকে অবনমন (স্কোর ১ পয়েন্ট কমে যাওয়া) মূলত জুলাই আন্দোলনের ইতিবাচক পরিবর্তনের সুফল ঘরে তুলতে না পারারই প্রতিফলন। তবে রাজনৈতিক দলগুলো যদি তাদের অঙ্গীকার সত্যিকার অর্থে বাস্তবায়ন করে, তবে বাংলাদেশে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ করা অসম্ভব কিছু নয়।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৩ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে