স্ট্রিম প্রতিবেদক

দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ এই পদে নিয়োগ দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. লিয়াকত আলী মোল্লার সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এই নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে তার এই নিয়োগ কার্যকর হবে। তিনি বর্তমান প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের স্থলাভিষিক্ত হবেন, যিনি আগামী ২৮ ডিসেম্বর অবসরে যাচ্ছেন।
আপিল বিভাগে বিচারকদের জ্যেষ্ঠতার ক্রমে বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী বর্তমানে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন। প্রথা অনুযায়ী জ্যেষ্ঠতম বিচারপতিরই প্রধান বিচারপতি হওয়ার কথা থাকলেও এবার সেই ক্রম লঙ্ঘিত হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র ও বিচারিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণে দেখা যায়, জ্যেষ্ঠতার তালিকায় শীর্ষে থাকা বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের বিরুদ্ধে সম্প্রতি সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযোগটি বর্তমানে কাউন্সিলের বিবেচনাধীন থাকায় রাষ্ট্রপতির বিবেচনায় পরবর্তী জ্যেষ্ঠ বিচারক হিসেবে বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকেই এই পদের জন্য যোগ্য মনে করা হয়েছে। এর ফলে জ্যেষ্ঠতা তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে থেকেও তিনি বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ পদে আসীন হলেন।
বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর কর্মজীবনে দীর্ঘ বঞ্চনার ইতিহাস রয়েছে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে তিনি দীর্ঘদিন হাইকোর্ট বিভাগে দায়িত্ব পালন করলেও আপিল বিভাগে নিয়োগবঞ্চিত ছিলেন। তবে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সরকার পরিবর্তনের পর বিচার অঙ্গনের দৃশ্যপট পাল্টায়। তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের পদত্যাগের পর গত ১২ আগস্ট তাকে হাইকোর্ট বিভাগ থেকে সরাসরি আপিল বিভাগে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং ১৩ আগস্ট তিনি শপথ গ্রহণ করেন। বিচারিক জীবনে তিনি বেশ কিছু যুগান্তকারী রায় প্রদান করেছেন। এর মধ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের রায় অবৈধ ঘোষণা, সরকারি কর্মকর্তাদের ১৫০ দিনের বেশি অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি (ওএসডি) রাখা অবৈধ ঘোষণা এবং সরকারি কর্মচারীদের পেনশন সুবিধা প্রদান সংক্রান্ত রায় উল্লেখযোগ্য। এছাড়া ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স ও নারী নিকাহ রেজিস্ট্রার হওয়ার অধিকার নিয়েও তিনি গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছেন।
নতুন এই প্রধান বিচারপতি এক সম্ভ্রান্ত ও ঐতিহ্যবাহী আইনি পরিবারের উত্তরাধিকার বহন করছেন। তার বাবা প্রয়াত বিচারপতি এ এফ এম আবদুর রহমান চৌধুরীও সুপ্রিম কোর্টের বিচারক ছিলেন। তবে তার বাবার পরিচয় কেবল বিচারক হিসেবেই সীমাবদ্ধ ছিল না; তিনি ছিলেন ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের অন্যতম অগ্রনায়ক। ১৯৪৮ সালের মার্চে পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর সঙ্গে ছাত্রনেতাদের যে বৈঠক হয়েছিল, সেখানে সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের ভিপি হিসেবে আবদুর রহমান চৌধুরী রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবি জোরালোভাবে তুলে ধরেছিলেন। এমন এক পারিবারিক আবহে বেড়ে ওঠা জুবায়ের রহমান চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জনের পর যুক্তরাজ্যে আন্তর্জাতিক আইনের ওপর আরেকটি মাস্টার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।
১৯৬১ সালের ১৮ মে জন্মগ্রহণ করা বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ১৯৮৫ সালে জজ কোর্টে এবং ১৯৮৭ সালে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। পরে ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট তিনি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান।
সংবিধান অনুযায়ী বিচারকদের অবসরের বয়সসীমা ৬৭ বছর। সেই হিসেবে তিনি ২০২৮ সালের ১৮ মে পর্যন্ত, অর্থাৎ প্রায় আড়াই বছর প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাবেন।
বর্তমানে আপিল বিভাগে তার সহকর্মী হিসেবে রয়েছেন বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক, বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান এবং বিচারপতি ফারাহ মাহবুব।

দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ এই পদে নিয়োগ দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. লিয়াকত আলী মোল্লার সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এই নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে তার এই নিয়োগ কার্যকর হবে। তিনি বর্তমান প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের স্থলাভিষিক্ত হবেন, যিনি আগামী ২৮ ডিসেম্বর অবসরে যাচ্ছেন।
আপিল বিভাগে বিচারকদের জ্যেষ্ঠতার ক্রমে বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী বর্তমানে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন। প্রথা অনুযায়ী জ্যেষ্ঠতম বিচারপতিরই প্রধান বিচারপতি হওয়ার কথা থাকলেও এবার সেই ক্রম লঙ্ঘিত হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র ও বিচারিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণে দেখা যায়, জ্যেষ্ঠতার তালিকায় শীর্ষে থাকা বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের বিরুদ্ধে সম্প্রতি সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযোগটি বর্তমানে কাউন্সিলের বিবেচনাধীন থাকায় রাষ্ট্রপতির বিবেচনায় পরবর্তী জ্যেষ্ঠ বিচারক হিসেবে বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকেই এই পদের জন্য যোগ্য মনে করা হয়েছে। এর ফলে জ্যেষ্ঠতা তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে থেকেও তিনি বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ পদে আসীন হলেন।
বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর কর্মজীবনে দীর্ঘ বঞ্চনার ইতিহাস রয়েছে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে তিনি দীর্ঘদিন হাইকোর্ট বিভাগে দায়িত্ব পালন করলেও আপিল বিভাগে নিয়োগবঞ্চিত ছিলেন। তবে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সরকার পরিবর্তনের পর বিচার অঙ্গনের দৃশ্যপট পাল্টায়। তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের পদত্যাগের পর গত ১২ আগস্ট তাকে হাইকোর্ট বিভাগ থেকে সরাসরি আপিল বিভাগে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং ১৩ আগস্ট তিনি শপথ গ্রহণ করেন। বিচারিক জীবনে তিনি বেশ কিছু যুগান্তকারী রায় প্রদান করেছেন। এর মধ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের রায় অবৈধ ঘোষণা, সরকারি কর্মকর্তাদের ১৫০ দিনের বেশি অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি (ওএসডি) রাখা অবৈধ ঘোষণা এবং সরকারি কর্মচারীদের পেনশন সুবিধা প্রদান সংক্রান্ত রায় উল্লেখযোগ্য। এছাড়া ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স ও নারী নিকাহ রেজিস্ট্রার হওয়ার অধিকার নিয়েও তিনি গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছেন।
নতুন এই প্রধান বিচারপতি এক সম্ভ্রান্ত ও ঐতিহ্যবাহী আইনি পরিবারের উত্তরাধিকার বহন করছেন। তার বাবা প্রয়াত বিচারপতি এ এফ এম আবদুর রহমান চৌধুরীও সুপ্রিম কোর্টের বিচারক ছিলেন। তবে তার বাবার পরিচয় কেবল বিচারক হিসেবেই সীমাবদ্ধ ছিল না; তিনি ছিলেন ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের অন্যতম অগ্রনায়ক। ১৯৪৮ সালের মার্চে পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর সঙ্গে ছাত্রনেতাদের যে বৈঠক হয়েছিল, সেখানে সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের ভিপি হিসেবে আবদুর রহমান চৌধুরী রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবি জোরালোভাবে তুলে ধরেছিলেন। এমন এক পারিবারিক আবহে বেড়ে ওঠা জুবায়ের রহমান চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জনের পর যুক্তরাজ্যে আন্তর্জাতিক আইনের ওপর আরেকটি মাস্টার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।
১৯৬১ সালের ১৮ মে জন্মগ্রহণ করা বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ১৯৮৫ সালে জজ কোর্টে এবং ১৯৮৭ সালে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। পরে ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট তিনি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান।
সংবিধান অনুযায়ী বিচারকদের অবসরের বয়সসীমা ৬৭ বছর। সেই হিসেবে তিনি ২০২৮ সালের ১৮ মে পর্যন্ত, অর্থাৎ প্রায় আড়াই বছর প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাবেন।
বর্তমানে আপিল বিভাগে তার সহকর্মী হিসেবে রয়েছেন বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক, বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান এবং বিচারপতি ফারাহ মাহবুব।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৫ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৬ ঘণ্টা আগে