স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিদেশি নাগরিকত্বের তথ্য গোপনের অভিযোগে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর ফলে এম এ কাইয়ুমের নির্বাচনে কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন লিপু ও অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মূসা। অন্যদিকে কাইয়ুমের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান খান ও ব্যারিস্টার কাজী আক্তার হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক।
শুনানি শেষে কাইয়ুমের আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল সাংবাদিকদের জানান, নাগরিকত্ব গ্রহণের অভিযোগটি মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গুজব ও ভিত্তিহীন তথ্যের ওপর নির্ভরশীল। বর্তমান যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে যে কাউকেই ভিনদেশি নাগরিক হিসেবে দেখানো সম্ভব। ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া পাসপোর্টের ছবি বা তথ্যের কোনো দালিলিক ভিত্তি নেই।
এম এ কাইয়ুমের আইনজীবীরা আদালতকে জানান, ধানের শীষের প্রার্থী এম এ কাইয়ুম বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিকভাবে নির্যাতিত হয়ে দীর্ঘ সময় মালয়েশিয়ায় অনেকটা ‘রিফিউজি স্ট্যাটাসে’ অবস্থান করেছিলেন এবং ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর দেশে ফিরেছেন। তিনি ভানুয়াতু বা অন্য কোনো দেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেননি।
আদালতে আইনি যুক্তিতর্কে মেইনটেইনিবিলিটি বা রিটের গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলে বিবাদীপক্ষ। ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘নির্বাচনী তফসিল অনুযায়ী প্রতীক বরাদ্দের পর প্রার্থীরা যখন প্রচারণায় ব্যস্ত, সেই মুহূর্তে এই ধরনের রিট পিটিশন দায়ের করার আইনি সুযোগ নেই। সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি চাইলে নির্বাচনের পর ফলাফলের গেজেট হওয়ার পর ইলেকশন পিটিশনের মাধ্যমে তা চ্যালেঞ্জ করতে পারেন। কিন্তু ভোটের মাঠ ছেড়ে আদালতের মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার চেষ্টা সুস্থ রাজনৈতিক চর্চা নয়।’
উভয়পক্ষের শুনানি শেষে হাইকোর্ট রিট আবেদনটি সরাসরি খারিজ করে দেন। ফলে ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতা বহাল রইল।
এর আগে গতকাল সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দায়ের করা নাহিদ ইসলামের রিট আবেদনে ড. এম এ কাইয়ুমের বিরুদ্ধে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র ভানুয়াতুর নাগরিকত্ব গ্রহণ এবং নির্বাচনী হলফনামায় সেই তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়। সেইসঙ্গে রিটে কাইয়ুমের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করে রিটার্নিং কর্মকর্তার দেওয়া সিদ্ধান্ত স্থগিত চাওয়া হয়।
রিটকারী পক্ষের আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মূসা জানান, বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণকারী বা বিদেশি রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য স্বীকারকারী ব্যক্তি সংসদ সদস্য পদে নির্বাচনের অযোগ্য।
তিনি দাবি করেন, বিএনপি প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুম ভানুয়াতুর নাগরিক। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে তার ভানুয়াতুর পাসপোর্টের তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। অথচ তিনি নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামায় দাবি করেছিলেন প্রদত্ত সব তথ্য সঠিক ও সত্য। বাস্তবে তিনি এই দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়টি গোপন করেছেন, যা গুরুতর আইনলঙ্ঘন ও জালিয়াতির শামিল।
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল না করে সরাসরি হাইকোর্টে রিট দায়েরের আইনি ব্যাখ্যা দিয়ে আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মূসা বলেন, নির্বাচন কমিশনে আপিল করার নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে এই তথ্যটি আমাদের জানা ছিল না। পরবর্তী সময়ে এটি ডিসক্লোজ (প্রকাশ) হয়। যেহেতু আপিল করার সময় পার হয়ে গেছে, তাই আমরা সংবিধান অনুযায়ী হাইকোর্টের রিট এখতিয়ারে এসেছি।

বিদেশি নাগরিকত্বের তথ্য গোপনের অভিযোগে ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর ফলে এম এ কাইয়ুমের নির্বাচনে কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন লিপু ও অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মূসা। অন্যদিকে কাইয়ুমের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান খান ও ব্যারিস্টার কাজী আক্তার হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক।
শুনানি শেষে কাইয়ুমের আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল সাংবাদিকদের জানান, নাগরিকত্ব গ্রহণের অভিযোগটি মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গুজব ও ভিত্তিহীন তথ্যের ওপর নির্ভরশীল। বর্তমান যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে যে কাউকেই ভিনদেশি নাগরিক হিসেবে দেখানো সম্ভব। ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া পাসপোর্টের ছবি বা তথ্যের কোনো দালিলিক ভিত্তি নেই।
এম এ কাইয়ুমের আইনজীবীরা আদালতকে জানান, ধানের শীষের প্রার্থী এম এ কাইয়ুম বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিকভাবে নির্যাতিত হয়ে দীর্ঘ সময় মালয়েশিয়ায় অনেকটা ‘রিফিউজি স্ট্যাটাসে’ অবস্থান করেছিলেন এবং ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর দেশে ফিরেছেন। তিনি ভানুয়াতু বা অন্য কোনো দেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেননি।
আদালতে আইনি যুক্তিতর্কে মেইনটেইনিবিলিটি বা রিটের গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলে বিবাদীপক্ষ। ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘নির্বাচনী তফসিল অনুযায়ী প্রতীক বরাদ্দের পর প্রার্থীরা যখন প্রচারণায় ব্যস্ত, সেই মুহূর্তে এই ধরনের রিট পিটিশন দায়ের করার আইনি সুযোগ নেই। সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি চাইলে নির্বাচনের পর ফলাফলের গেজেট হওয়ার পর ইলেকশন পিটিশনের মাধ্যমে তা চ্যালেঞ্জ করতে পারেন। কিন্তু ভোটের মাঠ ছেড়ে আদালতের মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার চেষ্টা সুস্থ রাজনৈতিক চর্চা নয়।’
উভয়পক্ষের শুনানি শেষে হাইকোর্ট রিট আবেদনটি সরাসরি খারিজ করে দেন। ফলে ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতা বহাল রইল।
এর আগে গতকাল সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দায়ের করা নাহিদ ইসলামের রিট আবেদনে ড. এম এ কাইয়ুমের বিরুদ্ধে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র ভানুয়াতুর নাগরিকত্ব গ্রহণ এবং নির্বাচনী হলফনামায় সেই তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়। সেইসঙ্গে রিটে কাইয়ুমের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করে রিটার্নিং কর্মকর্তার দেওয়া সিদ্ধান্ত স্থগিত চাওয়া হয়।
রিটকারী পক্ষের আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মূসা জানান, বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণকারী বা বিদেশি রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য স্বীকারকারী ব্যক্তি সংসদ সদস্য পদে নির্বাচনের অযোগ্য।
তিনি দাবি করেন, বিএনপি প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুম ভানুয়াতুর নাগরিক। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে তার ভানুয়াতুর পাসপোর্টের তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। অথচ তিনি নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামায় দাবি করেছিলেন প্রদত্ত সব তথ্য সঠিক ও সত্য। বাস্তবে তিনি এই দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়টি গোপন করেছেন, যা গুরুতর আইনলঙ্ঘন ও জালিয়াতির শামিল।
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল না করে সরাসরি হাইকোর্টে রিট দায়েরের আইনি ব্যাখ্যা দিয়ে আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মূসা বলেন, নির্বাচন কমিশনে আপিল করার নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে এই তথ্যটি আমাদের জানা ছিল না। পরবর্তী সময়ে এটি ডিসক্লোজ (প্রকাশ) হয়। যেহেতু আপিল করার সময় পার হয়ে গেছে, তাই আমরা সংবিধান অনুযায়ী হাইকোর্টের রিট এখতিয়ারে এসেছি।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৩ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে