জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

খালিদ মাহমুদের ২৩ একর জমি জব্দ ও ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ০৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১৬: ০৩
খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। সংগৃহীত ছবি

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর ছয়টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এই হিসাবে ৩ কোটির বেশি টাকা রয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনে ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক সাব্বির ফয়েজ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে খালিদ মাহমুদের রাজধানীর উত্তরার পাঁচ কাঠার প্লট, দিনাজপুরের ২৩ দশমিক ২১ একরের বেশি জমি এবং একটি বিলাসবহুল গাড়ি জব্দের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

২০২৫ সালের ২৬ জুন একই আদালত খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন জানান, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলা তদন্তের অংশ হিসেবে আদালত এসব আদেশ জানিয়েছেন।

আদালতে দুদকের পক্ষে আবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সহকারী পরিচালক খোরশেদ আলম। আবেদনে বলা হয়, অনুসন্ধান ও তদন্তকালে জানা গেছে– আসামি খালিদ মাহমুদ চৌধুরী তাঁর স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ হস্তান্তর বা মালিকানা পরিবর্তন করে দেশত্যাগের চেষ্টা করছেন। তিনি বিদেশে পালিয়ে গেলে বা সম্পদ হস্তান্তর করলে মামলার তদন্ত কার্যক্রম ও পরে রাষ্ট্রের অনুকূলে সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া ব্যাহত হতে পারে। এজন্য তদন্তের স্বার্থে এসব সম্পদ জব্দ ও অবরুদ্ধ করা জরুরি।

জানা যায়, স্থাবর সম্পদের মধ্যে খালিদ মাহমুদের দিনাজপুরে ১৮ দশমিক ০৬০৬ একর জমি (দালিলিক মূল্য ২ কোটি ৪৪ লাখ ৪৭ হাজার ৩৮৮ টাকা), পাওয়ার অব অ্যাটর্নি মূলে ৫ দশমিক ১৪৯৪ একর জমি ও রাজধানীর উত্তরায় পাঁচ কাঠার প্লট (৫৬ লাখ টাকা) রয়েছে। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে বিভিন্ন ব্যাংকে তাঁর ছয়টি হিসাবে ৩ কোটি ১৪ লাখ ৯ হাজার ২৬৩ টাকা, এফডিআর ৩ লাখ টাকা ও ২ লাখ ৭৮ হাজার ৫০০ টাকার সঞ্চয়পত্র নয়েছে। এছাড়া ৭০ লাখ ৫০ হাজার টাকা দামের একটি গাড়ি রয়েছে খালিদ মাহমুদের।

২০২৫ সালের ৮ এপ্রিল খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মিনহাজ বিন ইসলাম। এজাহারে বলা হয়, সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী আয়ের উৎসের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ ৫ কোটি ৭৩ লাখ ৮২ হাজার ৬৮৭ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন।

দুদক জানায়, খালিদ মাহমুদের ১১টি ব্যাংক হিসাব ও পাঁচটি কার্ডে মোট ১৩ কোটি ৬৮ লাখ ২৩ হাজার ৫১০ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। এ কারণে তাঁর বিরুদ্ধে দুদক আইন, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

Ad 300x250

সম্পর্কিত