স্ট্রিম প্রতিবেদক

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এবং সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি এম হাফিজ উদ্দিন খান বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর উত্তরার একটি হাসপাতালে মারা গেছেন ( (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর মামাতো ভাই লিয়াকত আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
লিয়াকত আলী জানান, উত্তরা সাত নম্বর সেক্টরের মসজিদে আজ রাতে গোসল শেষে তাঁর মরদেহ বারডেমের হিমঘরে সংরক্ষণ করা হবে। কালকে সন্ধ্যায় এই মসজিদ প্রাঙ্গণেই তাঁর প্রথম জানাজা হবে।
তাঁর কানাডাপ্রবাসী দুই মেয়ে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে এসে পৌঁছালে মরদেহ গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জের রহমতগঞ্জে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে জুমার নামাজের পর দ্বিতীয় জানাজা শেষে দাফন কাজ সম্পন্ন করা হবে।
এম হাফিজ উদ্দিন খান ১৯৬০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে বি.এ (সম্মান) এবং ১৯৬১ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্সে ডিপ্লোমা করেন।
হাফিজ উদ্দিন ১৯৬৪ সালে পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসে যোগ দেন। ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে সিনিয়র সার্ভিস পুলে স্থানান্তর করে। ১৯৯৬ সালে তিনি বাংলাদেশের ষষ্ঠ মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক নিযুক্ত হন। দীর্ঘ ৩৫ বছর সরকারি চাকরি শেষে ১৯৯৯ সালের ৭ আগস্ট তিনি অবসর গ্রহণ করেন।
২০০১ সালের ১৬ জুলাই থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত হাফিজ উদ্দিন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে অর্থ, পরিকল্পনা, এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। প্রায় ১৫ বছর আগে অবসরগ্রহণের পর থেকে উত্তরার বাড়িতে সস্ত্রীক বসবাস করতেন।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এবং সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি এম হাফিজ উদ্দিন খান বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর উত্তরার একটি হাসপাতালে মারা গেছেন ( (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর মামাতো ভাই লিয়াকত আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
লিয়াকত আলী জানান, উত্তরা সাত নম্বর সেক্টরের মসজিদে আজ রাতে গোসল শেষে তাঁর মরদেহ বারডেমের হিমঘরে সংরক্ষণ করা হবে। কালকে সন্ধ্যায় এই মসজিদ প্রাঙ্গণেই তাঁর প্রথম জানাজা হবে।
তাঁর কানাডাপ্রবাসী দুই মেয়ে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে এসে পৌঁছালে মরদেহ গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জের রহমতগঞ্জে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে জুমার নামাজের পর দ্বিতীয় জানাজা শেষে দাফন কাজ সম্পন্ন করা হবে।
এম হাফিজ উদ্দিন খান ১৯৬০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে বি.এ (সম্মান) এবং ১৯৬১ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্সে ডিপ্লোমা করেন।
হাফিজ উদ্দিন ১৯৬৪ সালে পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসে যোগ দেন। ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে সিনিয়র সার্ভিস পুলে স্থানান্তর করে। ১৯৯৬ সালে তিনি বাংলাদেশের ষষ্ঠ মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক নিযুক্ত হন। দীর্ঘ ৩৫ বছর সরকারি চাকরি শেষে ১৯৯৯ সালের ৭ আগস্ট তিনি অবসর গ্রহণ করেন।
২০০১ সালের ১৬ জুলাই থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত হাফিজ উদ্দিন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে অর্থ, পরিকল্পনা, এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। প্রায় ১৫ বছর আগে অবসরগ্রহণের পর থেকে উত্তরার বাড়িতে সস্ত্রীক বসবাস করতেন।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৩ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে