স্ট্রিম প্রতিবেদক

স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার না থাকায় ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের পর নতুন সংসদ সদস্যদের প্রধান বিচারপতি অথবা প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পড়াতে পারেন বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এ কথা বলেন।
অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী, নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করানোর দায়িত্ব স্পিকারের। তিনি না থাকলে ডেপুটি স্পিকারের। আর তাঁরা না থাকলে অন্য বিধান আছে।
স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের মধ্যে বর্তমানে একজন নিখোঁজ ও আরেকজন কারাগারে আছেন জানিয়ে আইন উপদেষ্টা বলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে গুরুতর কিছু মামলা আছে এবং তাঁরা পদত্যাগও করেছেন। ফলে এই অবস্থায় তাঁদের দিয়ে শপথ পাঠ করানোর কোনো সুযোগ নেই।
বিকল্প হিসেবে আইন উপদেষ্টা বলেন, আইনে আছে, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার না পারলে রাষ্ট্রপতি মনোনীত ব্যক্তি শপথ পড়াবেন। ৩ দিনের মধ্যে এটি না হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনারও শপথ পড়াতে পারবেন।
অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, ‘এখন এটা সরকারের নীতিগত পর্যায়ের সিদ্ধান্ত। এখনই চূড়ান্ত কিছু বলতে পারব না। তবে আমাদের সামনে দুটি অপশন আছে। একটা হচ্ছে, রাষ্ট্রপতি মনোনীত কোনো ব্যক্তি শপথ পাঠ করাতে পারেন। সেক্ষেত্রে প্রধান বিচারপতি হতে পারেন। এটা যদি না হয়, তাহলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার আছেন, তিনিই শপথ পাঠ করাবেন। এ ক্ষেত্রে একটা সমস্যা আছে, ৩ দিন অপেক্ষা করতে হবে। আমরা আসলে অপেক্ষা করতে চাই না, আমরা নির্বাচন হওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব শপথ গ্রহণের ব্যবস্থা করতে চাই।’
এখন বিষয়টি নিয়ে সংসদ সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিবের সঙ্গে আলোচনা হবে জানিয়ে আইন উপদেষ্টা বলেন, তাঁর (জ্যেষ্ঠ সচিব) সঙ্গে কথা বলা হবে, আইন দেখা হবে। তারপর চূড়ান্ত পর্যায়ে প্রধান উপদেষ্টাকে অভিমত জানানো হবে।

স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার না থাকায় ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের পর নতুন সংসদ সদস্যদের প্রধান বিচারপতি অথবা প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পড়াতে পারেন বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এ কথা বলেন।
অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী, নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করানোর দায়িত্ব স্পিকারের। তিনি না থাকলে ডেপুটি স্পিকারের। আর তাঁরা না থাকলে অন্য বিধান আছে।
স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের মধ্যে বর্তমানে একজন নিখোঁজ ও আরেকজন কারাগারে আছেন জানিয়ে আইন উপদেষ্টা বলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে গুরুতর কিছু মামলা আছে এবং তাঁরা পদত্যাগও করেছেন। ফলে এই অবস্থায় তাঁদের দিয়ে শপথ পাঠ করানোর কোনো সুযোগ নেই।
বিকল্প হিসেবে আইন উপদেষ্টা বলেন, আইনে আছে, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার না পারলে রাষ্ট্রপতি মনোনীত ব্যক্তি শপথ পড়াবেন। ৩ দিনের মধ্যে এটি না হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনারও শপথ পড়াতে পারবেন।
অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, ‘এখন এটা সরকারের নীতিগত পর্যায়ের সিদ্ধান্ত। এখনই চূড়ান্ত কিছু বলতে পারব না। তবে আমাদের সামনে দুটি অপশন আছে। একটা হচ্ছে, রাষ্ট্রপতি মনোনীত কোনো ব্যক্তি শপথ পাঠ করাতে পারেন। সেক্ষেত্রে প্রধান বিচারপতি হতে পারেন। এটা যদি না হয়, তাহলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার আছেন, তিনিই শপথ পাঠ করাবেন। এ ক্ষেত্রে একটা সমস্যা আছে, ৩ দিন অপেক্ষা করতে হবে। আমরা আসলে অপেক্ষা করতে চাই না, আমরা নির্বাচন হওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব শপথ গ্রহণের ব্যবস্থা করতে চাই।’
এখন বিষয়টি নিয়ে সংসদ সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিবের সঙ্গে আলোচনা হবে জানিয়ে আইন উপদেষ্টা বলেন, তাঁর (জ্যেষ্ঠ সচিব) সঙ্গে কথা বলা হবে, আইন দেখা হবে। তারপর চূড়ান্ত পর্যায়ে প্রধান উপদেষ্টাকে অভিমত জানানো হবে।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৩ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে