স্ট্রিম সংবাদদাতা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা ও হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। নির্বাচনের তিন দিন পর রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় বরিশাল প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, “বিএনপির মধ্যে যে নব্য আওয়ামী ফ্যাসিবাদ মাথাচাড়া দিয়েছে, তা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে তারেক রহমানের পতন আওয়ামী লীগের চেয়েও করুণ হবে। বরিশাল-৩ আসনে নির্বাচনের নামে ‘চরদখল’ হয়েছে। এভাবে যারা ক্ষমতায় যাচ্ছেন, তাঁরা যেন চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান ভুলে না যান।”
তারেক রহমানকে সতর্ক করে তিনি বলেন, “প্রশাসন প্রচ্ছন্নভাবে চেয়েছে চরদখলের মতো ভোট হোক। কে কোথায় কোন ভূমিকা রেখেছেন, খোদার কসম, তার হিসাব একদিন দিতে হবে। জনগণ একদিন তাঁর হিস্যা বুঝে নেবে। তারেক রহমানের ৩১ দফা কাগজে-কলমে নয়, বাস্তবে দেখতে চাই। যদি ‘গ্যাং’ নিয়ন্ত্রণ করতে না পারেন, তবে তারেক রহমানের জন্য ভয়াবহ ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে।”
নির্বাচনী অনিয়মের বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, ভোটের দিন বাবুগঞ্জ ও মুলাদী এলাকায় প্রকাশ্যে ব্যালট বাক্স ছিনতাই, কেন্দ্র দখল ও জালভোটের মতো ঘটনা ঘটেছে। নির্বাচন কমিশন ও অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা এখানে প্রশ্নবিদ্ধ। কিছু কর্মকর্তা আন্তরিক থাকলেও পুরো ব্যবস্থাপনায় সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত হয়নি। মুলাদী বিচ্ছিন্ন এলাকা হওয়ায় সেখানে দ্রুত সেনাবাহিনী বা র্যাব পাঠানো সম্ভব হয়নি। অনেকে ভয় পেয়ে কেন্দ্র ছেড়ে যান এবং পরে ভিডিওর মাধ্যমে ব্যালট স্টাফিংয়ের প্রমাণ পাঠান।
ফুয়াদ আরও অভিযোগ করেন, “অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে পেছনের গেট দিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করে দীর্ঘ সময় ধরে সিল মারা হয়েছে। সংসদ নির্বাচনে ভোটের সংখ্যা গণভোটের তুলনায় অস্বাভাবিক, যা ব্যালট স্টাফিংয়েরই ইঙ্গিত দেয়। অনেক কেন্দ্রে গোপনীয়তা রক্ষা হয়নি, প্রকাশ্যে ভোট দিতে বাধ্য করা হয়েছে।”
তিনি বলেন, “বহু নেতাকর্মী এখনো এলাকায় ফিরতে পারছেন না। ঘরে ঘরে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। বাবুগঞ্জ-মুলাদীর ৬১ হাজার মানুষ আমাকে ভোট দিয়েছেন। তাঁরা দেখেছেন আমাদের বিজয় কীভাবে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। আমরা রাজপথে থাকব এবং সরকারের সমালোচনা করব।”
সংবাদ সম্মেলনে এবি পার্টির স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা ও হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। নির্বাচনের তিন দিন পর রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় বরিশাল প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, “বিএনপির মধ্যে যে নব্য আওয়ামী ফ্যাসিবাদ মাথাচাড়া দিয়েছে, তা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে তারেক রহমানের পতন আওয়ামী লীগের চেয়েও করুণ হবে। বরিশাল-৩ আসনে নির্বাচনের নামে ‘চরদখল’ হয়েছে। এভাবে যারা ক্ষমতায় যাচ্ছেন, তাঁরা যেন চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান ভুলে না যান।”
তারেক রহমানকে সতর্ক করে তিনি বলেন, “প্রশাসন প্রচ্ছন্নভাবে চেয়েছে চরদখলের মতো ভোট হোক। কে কোথায় কোন ভূমিকা রেখেছেন, খোদার কসম, তার হিসাব একদিন দিতে হবে। জনগণ একদিন তাঁর হিস্যা বুঝে নেবে। তারেক রহমানের ৩১ দফা কাগজে-কলমে নয়, বাস্তবে দেখতে চাই। যদি ‘গ্যাং’ নিয়ন্ত্রণ করতে না পারেন, তবে তারেক রহমানের জন্য ভয়াবহ ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে।”
নির্বাচনী অনিয়মের বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, ভোটের দিন বাবুগঞ্জ ও মুলাদী এলাকায় প্রকাশ্যে ব্যালট বাক্স ছিনতাই, কেন্দ্র দখল ও জালভোটের মতো ঘটনা ঘটেছে। নির্বাচন কমিশন ও অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা এখানে প্রশ্নবিদ্ধ। কিছু কর্মকর্তা আন্তরিক থাকলেও পুরো ব্যবস্থাপনায় সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত হয়নি। মুলাদী বিচ্ছিন্ন এলাকা হওয়ায় সেখানে দ্রুত সেনাবাহিনী বা র্যাব পাঠানো সম্ভব হয়নি। অনেকে ভয় পেয়ে কেন্দ্র ছেড়ে যান এবং পরে ভিডিওর মাধ্যমে ব্যালট স্টাফিংয়ের প্রমাণ পাঠান।
ফুয়াদ আরও অভিযোগ করেন, “অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে পেছনের গেট দিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করে দীর্ঘ সময় ধরে সিল মারা হয়েছে। সংসদ নির্বাচনে ভোটের সংখ্যা গণভোটের তুলনায় অস্বাভাবিক, যা ব্যালট স্টাফিংয়েরই ইঙ্গিত দেয়। অনেক কেন্দ্রে গোপনীয়তা রক্ষা হয়নি, প্রকাশ্যে ভোট দিতে বাধ্য করা হয়েছে।”
তিনি বলেন, “বহু নেতাকর্মী এখনো এলাকায় ফিরতে পারছেন না। ঘরে ঘরে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। বাবুগঞ্জ-মুলাদীর ৬১ হাজার মানুষ আমাকে ভোট দিয়েছেন। তাঁরা দেখেছেন আমাদের বিজয় কীভাবে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। আমরা রাজপথে থাকব এবং সরকারের সমালোচনা করব।”
সংবাদ সম্মেলনে এবি পার্টির স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৪ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৫ ঘণ্টা আগে