স্ট্রিম প্রতিবেদক

রাজনৈতিক প্রভাব ও দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থাকলেও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনেক আলোচিত প্রার্থী শেষ হাসি হাসতে পারেননি। নির্বাচনের ফলাফলে দেখা গেছে, প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতা এবং প্রভাবশালী স্বতন্ত্র প্রার্থীদের অনেকেই পরাজিত হয়েছেন।
পরাজিতদের তালিকায় আছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি ফয়জুল করীম, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের এবং নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না।
মামুনুল হক ও ফয়জুল করীমের পরাজয়
ঢাকা-১৩ আসনে (মোহাম্মদপুর-আদাবর-শ্যামলী) হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর পরাজিত হয়েছেন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মামুনুল হক। তাঁকে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী ববি হাজ্জাজ। ববি হাজ্জাজ পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৩৮৭ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিকশা প্রতীকের মামুনুল হক পেয়েছেন ৮৬ হাজার ৬৭ ভোট। জয়ের ব্যবধান মাত্র ২ হাজার ৩২০।
অন্যদিকে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বরিশাল-৫ ও ৬—দুটি আসনেই পরাজিত হয়েছেন। বরিশাল-৫ আসনে বিএনপির মজিবর রহমান সরোয়ার ১ লাখ ৩১ হাজার ৪৩১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। ফয়জুল করীম পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৫২৮ ভোট। এছাড়া বরিশাল-৬ আসনে তিনি তৃতীয় হয়েছেন, যেখানে জয়ী হয়েছেন বিএনপির আবুল হোসেন খান।
সারজিস, ফুয়াদ ও মঞ্জুর হার
এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম পঞ্চগড়-১ আসনে পরাজিত হয়েছেন। শাপলা কলি প্রতীকে তিনি ১ লাখ ৬৬ হাজার ১২৬ ভোট পেলেও বিএনপি প্রার্থী নওশাদ জমির ৮ হাজার ৩০৪ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। বরিশাল-৩ আসনে এবি পার্টির প্রার্থী ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ভূঁইয়া (ফুয়াদ) হেরেছেন বিএনপির জয়নাল আবেদীনের কাছে। জয়নাল আবেদীন পেয়েছেন ৭৮ হাজার ১৩১ ভোট, আর ফুয়াদ পেয়েছেন ৫৭ হাজার ১৪৯ ভোট। এছাড়া ফেনী-২ আসনে এবি পার্টির সভাপতি মজিবুর রহমান মঞ্জু (৮০ হাজার ৫৮ ভোট) হেরেছেন বিএনপির অধ্যাপক জয়নাল আবদিনের (১ লাখ ৩১ হাজার ২১০ ভোট) কাছে।
জামায়াত শীর্ষ নেতা এবং জিএম কাদেরের ভরাডুবি
খুলনা-৫ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার ২ হাজার ৬০৮ ভোটের ব্যবধানে বিএনপির মোহাম্মদ আলি আসগারের কাছে পরাজিত হয়েছেন। খুলনা-১ আসনে জামায়াতের আলোচিত প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী ৫০ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে হেরেছেন বিএনপির আমির এজাজ খানের কাছে। এছাড়া কক্সবাজার-২ আসনে হামিদুর রহমান আযাদ এবং সুনামগঞ্জ-২ আসনে শিশির মনিরও ধানের শীষের প্রার্থীদের কাছে পরাজিত হয়েছেন।
রংপুর-৩ আসনে বড় ব্যবধানে হেরেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। তিনি পেয়েছেন ৪৩ হাজার ৩৮৫ ভোট। এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর মাহবুবার রহমান বেলাল ১ লাখ ৭৫ হাজার ৮২৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না কেটলি প্রতীকে মাত্র ৩ হাজার ৪২৬ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন। সেখানে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির মীর শাহে আলম।
ঢাকায় আমিনুল, তাসনিম ও পাটওয়ারীর হার
ঢাকা-১৬ আসনে বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক ফুটবলার আমিনুল হক পরাজিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৮৪ হাজার ২০৭ ভোট। এই আসনে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতের অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল মো. আব্দুল বাতেন (৮৬ হাজার ৮২৩ ভোট)। ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা ফুটবল প্রতীকে ৪৪ হাজার ৬৮৪ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন। সেখানে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির হাবিবুর রশিদ। ঢাকা-৮ আসনে এনসিপির নাসির উদ্দিন পাটওয়ারীকে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির মির্জা আব্বাস।
হবিগঞ্জ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. গিয়াস উদ্দিন তাহেরী ৮৩ হাজার ৮৯৬ ভোট পেলেও বিজয়ী হতে পারেননি। সেখানে বিএনপির এস এম ফয়সল ১ লাখ ৮৬ হাজার ৬৭৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

রাজনৈতিক প্রভাব ও দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থাকলেও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনেক আলোচিত প্রার্থী শেষ হাসি হাসতে পারেননি। নির্বাচনের ফলাফলে দেখা গেছে, প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতা এবং প্রভাবশালী স্বতন্ত্র প্রার্থীদের অনেকেই পরাজিত হয়েছেন।
পরাজিতদের তালিকায় আছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি ফয়জুল করীম, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের এবং নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না।
মামুনুল হক ও ফয়জুল করীমের পরাজয়
ঢাকা-১৩ আসনে (মোহাম্মদপুর-আদাবর-শ্যামলী) হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর পরাজিত হয়েছেন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মামুনুল হক। তাঁকে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী ববি হাজ্জাজ। ববি হাজ্জাজ পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৩৮৭ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিকশা প্রতীকের মামুনুল হক পেয়েছেন ৮৬ হাজার ৬৭ ভোট। জয়ের ব্যবধান মাত্র ২ হাজার ৩২০।
অন্যদিকে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বরিশাল-৫ ও ৬—দুটি আসনেই পরাজিত হয়েছেন। বরিশাল-৫ আসনে বিএনপির মজিবর রহমান সরোয়ার ১ লাখ ৩১ হাজার ৪৩১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। ফয়জুল করীম পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৫২৮ ভোট। এছাড়া বরিশাল-৬ আসনে তিনি তৃতীয় হয়েছেন, যেখানে জয়ী হয়েছেন বিএনপির আবুল হোসেন খান।
সারজিস, ফুয়াদ ও মঞ্জুর হার
এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম পঞ্চগড়-১ আসনে পরাজিত হয়েছেন। শাপলা কলি প্রতীকে তিনি ১ লাখ ৬৬ হাজার ১২৬ ভোট পেলেও বিএনপি প্রার্থী নওশাদ জমির ৮ হাজার ৩০৪ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। বরিশাল-৩ আসনে এবি পার্টির প্রার্থী ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ভূঁইয়া (ফুয়াদ) হেরেছেন বিএনপির জয়নাল আবেদীনের কাছে। জয়নাল আবেদীন পেয়েছেন ৭৮ হাজার ১৩১ ভোট, আর ফুয়াদ পেয়েছেন ৫৭ হাজার ১৪৯ ভোট। এছাড়া ফেনী-২ আসনে এবি পার্টির সভাপতি মজিবুর রহমান মঞ্জু (৮০ হাজার ৫৮ ভোট) হেরেছেন বিএনপির অধ্যাপক জয়নাল আবদিনের (১ লাখ ৩১ হাজার ২১০ ভোট) কাছে।
জামায়াত শীর্ষ নেতা এবং জিএম কাদেরের ভরাডুবি
খুলনা-৫ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার ২ হাজার ৬০৮ ভোটের ব্যবধানে বিএনপির মোহাম্মদ আলি আসগারের কাছে পরাজিত হয়েছেন। খুলনা-১ আসনে জামায়াতের আলোচিত প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী ৫০ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে হেরেছেন বিএনপির আমির এজাজ খানের কাছে। এছাড়া কক্সবাজার-২ আসনে হামিদুর রহমান আযাদ এবং সুনামগঞ্জ-২ আসনে শিশির মনিরও ধানের শীষের প্রার্থীদের কাছে পরাজিত হয়েছেন।
রংপুর-৩ আসনে বড় ব্যবধানে হেরেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। তিনি পেয়েছেন ৪৩ হাজার ৩৮৫ ভোট। এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর মাহবুবার রহমান বেলাল ১ লাখ ৭৫ হাজার ৮২৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না কেটলি প্রতীকে মাত্র ৩ হাজার ৪২৬ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন। সেখানে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির মীর শাহে আলম।
ঢাকায় আমিনুল, তাসনিম ও পাটওয়ারীর হার
ঢাকা-১৬ আসনে বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক ফুটবলার আমিনুল হক পরাজিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৮৪ হাজার ২০৭ ভোট। এই আসনে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতের অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল মো. আব্দুল বাতেন (৮৬ হাজার ৮২৩ ভোট)। ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা ফুটবল প্রতীকে ৪৪ হাজার ৬৮৪ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন। সেখানে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির হাবিবুর রশিদ। ঢাকা-৮ আসনে এনসিপির নাসির উদ্দিন পাটওয়ারীকে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির মির্জা আব্বাস।
হবিগঞ্জ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. গিয়াস উদ্দিন তাহেরী ৮৩ হাজার ৮৯৬ ভোট পেলেও বিজয়ী হতে পারেননি। সেখানে বিএনপির এস এম ফয়সল ১ লাখ ৮৬ হাজার ৬৭৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৩ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে