চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিস্ফোরণে দুই মৃত্যু
স্ট্রিম সংবাদদাতা

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলার সীমান্তবর্তী চরবাগডাঙ্গা এলাকায় আধিপত্য বিস্তারে বোমা তৈরি করতে গিয়ে বিস্ফোরণ হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। বাইরে থেকে আনা কারিগর দিয়ে বড় ভাইয়ের বাড়ি ওই বোমা তৈরি করাচ্ছিলেন দুলাল। এতে বিস্ফোরণে কারিগরদের দুজন নিহত ও আত্মীয়সহ তিনজন আহত হয়েছে। এ সময় দুলাল নিজে আহত হলেও ঘটনার পর গা-ঢাকা দিয়েছেন। খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বাড়ি মালিক কালামসহ অন্যদের।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, ‘তাঁরা বোমা তৈরি করছিলেন। তখন বিস্ফোরণ হয়েছে। এতে প্রাচীর ভেঙে গেছে। ঘরের টিন উড়ে গেছে। এমন শক্তিশালী বিস্ফোরণ বোমা তৈরির সময় হয়।’
সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের ফাটাপাড়ায় আজ শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৫টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। জেলা পুলিশের পাশাপাশি সিআইডির ক্রাইম সিন টিমও বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেন। পরে বিকেল ৪টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ এন এম ওয়াসিম ফিরোজ জানান, নিহত ব্যক্তিরা হলেন সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর হাটের আল-আমিন ও একই এলাকার জিহাদ। দুজনই ককটেল তৈরির কারিগর হিসেবে পরিচিত। আহতরা হলেন দুলালের আত্মীয় ফাটাপাড়া গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে বজলুর রহমান (২০), একই গ্রামের জেনারুল ইসলামের ছেলে মিনহাজ (২২) ও একই উপজেলার রানীহাটি-উপরধুমি এলাকার রফিজুল ইসলামের ছেলে শুভ (২০)।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য অনুযায়ী, চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের ফাটাপাড়ার মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে কালামের বাড়িতে চলছিল ককটেল তৈরির কাজ। এ জন্য এলাকার বাইরে থেকে কারিগর নিয়ে এসেছিলেন তাঁর ছোট ভাই দুলাল (৪০)। দুলাল মূলত কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তার বংশের একাধিক ব্যক্তি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। দুলাল সীমান্ত এলাকার মাদক কারবারের জন্য চিহ্নিত ও একাধিক মামলার আসামি।

সীমান্তে আধিপত্য বিস্তারে দ্বন্দ্ব
পুলিশ ও স্থানীয় রাজনীতিক জানিয়েছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তবর্তী এলাকায় ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব এবং এলাকার আধিপত্য কেন্দ্র করে প্রায় তিন দশক ধরে ককটেল-বোমার ব্যাপক ব্যবহার দেখা যায়। এগুলো তৈরির জন্য স্থানীয় গোপন কারিগরও পাওয়া যায়। এর ব্যবহারে বহুবার হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।
ঘটনাস্থলে আসা ফাটাপাড়ার কয়েকজন বলেন, সীমান্তবর্তী হওয়ায় চরবাগডাঙ্গা এলাকায় হওয়ায় দলীয় রাজনীতির চেয়ে স্থানীয় রাজনীতি ও গ্রুপিং বেশি চলে। গত রাতেও ককটেল বানানোর সময় বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হয়েছেন। ওই ঘটনায় আহত আরও তিনজনকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয়রা। পরে তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের সারা শরীর ঝলসে গেছে গেছে বলে জানায় পুলিশ।
চরবাগডাঙ্গা ইউপি সদস্য রফিক বলেন, ‘এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করার জন্য বাইরে থেকে কারিগর নিয়ে এসে দুলাল তার ভাইয়ের বাড়িতে বোমা তৈরি করছিল। এই বোমা বিস্ফোরিত হয়। দুলাল মূলত মাদক ব্যবসায়ী এবং সে রাজশাহীতে বাড়ি করে থাকে। মাঝেমধ্যে এলাকায় আসে। নির্বাচনের পর এলাকায় আধিপত্য ও মাদক সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার জন্যই সে বোমা বানাচ্ছিল।’

নির্বাচন কেন্দ্র করে গ্রুপিং
সদর উপজেলা তাঁতী লীগের সভাপতি নুরুল ইসলাম, সীমান্তবর্তী চরবাগডাঙ্গা এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, মাদক সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণসহ নানা কারণে দলীয় রাজনীতির বাইরে মোটা দাগে দুই ভাগে গ্রুপিং চলে। এর এক গ্রুপের নেতৃত্ব দেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ওমর আলী। অপর গ্রুপের নেতৃত্ব দেন হত্যা মামলায় বহিষ্কৃত চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা শহীদ রানা টিপু। তবে বর্তমানে তিনি বিদেশে আছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা আছিকুজ্জামান জানান, দুলাল এলাকায় সাবেক চেয়ারম্যান টিপুর লোক হিসেবে পরিচিত। তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটের কয়েকদিন আগে থেকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী নুরুল ইসলাম বুলবুলের পক্ষে তোড়জোড় কাজ শুরু করেন। অপর দিকে তাঁর প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগের গ্রুপটি বিএনপির প্রার্থীর সাবেক এমপি হারুনুর রশিদ হয়ে সক্রিয় ছিলেন।
এদিকে নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী জয় লাভ করেন। এরপর এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জন্যই দুলাল বাইরে থেকে কারিগর এনে ককটেল তৈরি করছিল বলে জানান স্থানীয়রা।

ঘটনাস্থলে পুলিশ ও রাজনীতিক
চরবাগডাঙ্গা এলাকায় ভোরে বোমা বিস্ফোরণের খবর শুনে দুপুর দেড়টার দিকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন স্থানীয় সাবেক এমপি হারুনুর রশিদ। আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতাকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ওই ঘটনার জন্য তিনি জামায়াতকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, নির্বাচনের পর বিএনপির নেতাকর্মীদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর, লুটপাটের উদ্দেশ্যেই বোমাগুলো তৈরি করা হচ্ছিল। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।
অপরদিকে দুপুর দুটার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন জামায়াত দলীয় সাবেক এমপি লতিফুর রহমান। তিনি বিএনপি নেতা হারুনুর রশীদের বক্তব্য প্রত্যাখান করে নিরীহ মানুষকে আটক করার অভিযোগ তুলেন।
রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, ‘বাড়িতে ছোট ছোট সব ঘর। দেখে মনে হচ্ছে বাড়ির মালিকের আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ। বাড়ির মালিককে এখনো পাওয়া যায়নি। এসব বিষয় নিয়ে তদন্ত চলছে।’
এ ঘটনায় রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা আছে কি না— এমন প্রশ্নে ডিআইজি আরও বলেন, ‘পুলিশের তদন্ত চলছে। হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন তিনজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার পাশাপাশি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কয়েক জনকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত শেষে ঘটনার কারণ ও কাদের সংশ্লিষ্টতা আছে সেটি জানা যাবে।’

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলার সীমান্তবর্তী চরবাগডাঙ্গা এলাকায় আধিপত্য বিস্তারে বোমা তৈরি করতে গিয়ে বিস্ফোরণ হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। বাইরে থেকে আনা কারিগর দিয়ে বড় ভাইয়ের বাড়ি ওই বোমা তৈরি করাচ্ছিলেন দুলাল। এতে বিস্ফোরণে কারিগরদের দুজন নিহত ও আত্মীয়সহ তিনজন আহত হয়েছে। এ সময় দুলাল নিজে আহত হলেও ঘটনার পর গা-ঢাকা দিয়েছেন। খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বাড়ি মালিক কালামসহ অন্যদের।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, ‘তাঁরা বোমা তৈরি করছিলেন। তখন বিস্ফোরণ হয়েছে। এতে প্রাচীর ভেঙে গেছে। ঘরের টিন উড়ে গেছে। এমন শক্তিশালী বিস্ফোরণ বোমা তৈরির সময় হয়।’
সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের ফাটাপাড়ায় আজ শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৫টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। জেলা পুলিশের পাশাপাশি সিআইডির ক্রাইম সিন টিমও বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেন। পরে বিকেল ৪টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ এন এম ওয়াসিম ফিরোজ জানান, নিহত ব্যক্তিরা হলেন সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর হাটের আল-আমিন ও একই এলাকার জিহাদ। দুজনই ককটেল তৈরির কারিগর হিসেবে পরিচিত। আহতরা হলেন দুলালের আত্মীয় ফাটাপাড়া গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে বজলুর রহমান (২০), একই গ্রামের জেনারুল ইসলামের ছেলে মিনহাজ (২২) ও একই উপজেলার রানীহাটি-উপরধুমি এলাকার রফিজুল ইসলামের ছেলে শুভ (২০)।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য অনুযায়ী, চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের ফাটাপাড়ার মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে কালামের বাড়িতে চলছিল ককটেল তৈরির কাজ। এ জন্য এলাকার বাইরে থেকে কারিগর নিয়ে এসেছিলেন তাঁর ছোট ভাই দুলাল (৪০)। দুলাল মূলত কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তার বংশের একাধিক ব্যক্তি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। দুলাল সীমান্ত এলাকার মাদক কারবারের জন্য চিহ্নিত ও একাধিক মামলার আসামি।

সীমান্তে আধিপত্য বিস্তারে দ্বন্দ্ব
পুলিশ ও স্থানীয় রাজনীতিক জানিয়েছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্তবর্তী এলাকায় ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব এবং এলাকার আধিপত্য কেন্দ্র করে প্রায় তিন দশক ধরে ককটেল-বোমার ব্যাপক ব্যবহার দেখা যায়। এগুলো তৈরির জন্য স্থানীয় গোপন কারিগরও পাওয়া যায়। এর ব্যবহারে বহুবার হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।
ঘটনাস্থলে আসা ফাটাপাড়ার কয়েকজন বলেন, সীমান্তবর্তী হওয়ায় চরবাগডাঙ্গা এলাকায় হওয়ায় দলীয় রাজনীতির চেয়ে স্থানীয় রাজনীতি ও গ্রুপিং বেশি চলে। গত রাতেও ককটেল বানানোর সময় বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হয়েছেন। ওই ঘটনায় আহত আরও তিনজনকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয়রা। পরে তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের সারা শরীর ঝলসে গেছে গেছে বলে জানায় পুলিশ।
চরবাগডাঙ্গা ইউপি সদস্য রফিক বলেন, ‘এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করার জন্য বাইরে থেকে কারিগর নিয়ে এসে দুলাল তার ভাইয়ের বাড়িতে বোমা তৈরি করছিল। এই বোমা বিস্ফোরিত হয়। দুলাল মূলত মাদক ব্যবসায়ী এবং সে রাজশাহীতে বাড়ি করে থাকে। মাঝেমধ্যে এলাকায় আসে। নির্বাচনের পর এলাকায় আধিপত্য ও মাদক সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার জন্যই সে বোমা বানাচ্ছিল।’

নির্বাচন কেন্দ্র করে গ্রুপিং
সদর উপজেলা তাঁতী লীগের সভাপতি নুরুল ইসলাম, সীমান্তবর্তী চরবাগডাঙ্গা এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, মাদক সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণসহ নানা কারণে দলীয় রাজনীতির বাইরে মোটা দাগে দুই ভাগে গ্রুপিং চলে। এর এক গ্রুপের নেতৃত্ব দেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ওমর আলী। অপর গ্রুপের নেতৃত্ব দেন হত্যা মামলায় বহিষ্কৃত চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা শহীদ রানা টিপু। তবে বর্তমানে তিনি বিদেশে আছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা আছিকুজ্জামান জানান, দুলাল এলাকায় সাবেক চেয়ারম্যান টিপুর লোক হিসেবে পরিচিত। তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটের কয়েকদিন আগে থেকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী নুরুল ইসলাম বুলবুলের পক্ষে তোড়জোড় কাজ শুরু করেন। অপর দিকে তাঁর প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগের গ্রুপটি বিএনপির প্রার্থীর সাবেক এমপি হারুনুর রশিদ হয়ে সক্রিয় ছিলেন।
এদিকে নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী জয় লাভ করেন। এরপর এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জন্যই দুলাল বাইরে থেকে কারিগর এনে ককটেল তৈরি করছিল বলে জানান স্থানীয়রা।

ঘটনাস্থলে পুলিশ ও রাজনীতিক
চরবাগডাঙ্গা এলাকায় ভোরে বোমা বিস্ফোরণের খবর শুনে দুপুর দেড়টার দিকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন স্থানীয় সাবেক এমপি হারুনুর রশিদ। আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতাকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ওই ঘটনার জন্য তিনি জামায়াতকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, নির্বাচনের পর বিএনপির নেতাকর্মীদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর, লুটপাটের উদ্দেশ্যেই বোমাগুলো তৈরি করা হচ্ছিল। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।
অপরদিকে দুপুর দুটার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন জামায়াত দলীয় সাবেক এমপি লতিফুর রহমান। তিনি বিএনপি নেতা হারুনুর রশীদের বক্তব্য প্রত্যাখান করে নিরীহ মানুষকে আটক করার অভিযোগ তুলেন।
রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, ‘বাড়িতে ছোট ছোট সব ঘর। দেখে মনে হচ্ছে বাড়ির মালিকের আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ। বাড়ির মালিককে এখনো পাওয়া যায়নি। এসব বিষয় নিয়ে তদন্ত চলছে।’
এ ঘটনায় রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা আছে কি না— এমন প্রশ্নে ডিআইজি আরও বলেন, ‘পুলিশের তদন্ত চলছে। হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন তিনজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার পাশাপাশি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কয়েক জনকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত শেষে ঘটনার কারণ ও কাদের সংশ্লিষ্টতা আছে সেটি জানা যাবে।’

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৪ মিনিট আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
১৯ মিনিট আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে