আইসিসি-বাংলাদেশ দুপক্ষই অনড়
ইউএনবি

নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যাবে না বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল আনুষ্ঠানিকভাবে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) আল্টিমেটাম কার্যত প্রত্যাখ্যান করল সরকার।
বৃহস্পতিবার বিশ্বকাপ স্কোয়াডে থাকা খেলোয়াড়দের সঙ্গে বৈঠকের পর গণমাধ্যমকে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান ক্রীড়া উপদেষ্টা। তিনি স্পষ্ট করেন, দলের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো আপস করা হবে না।
গতকাল আইসিসির সভায় বিসিবি সভাপতিকে ভারতে না খেলার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে সরকারের সঙ্গে আলোচনার জন্য এক দিন সময় দেওয়া হয়েছিল।
খেলোয়াড়দের সঙ্গে বৈঠকে শেষে আসিফ নজরুল বলেন, ‘নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে বাংলাদেশ ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছে না—এটি বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্ত। অন্য কোনো সংস্থার এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার নেই।’
ক্রীড়া উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘সরকার কেন এমন কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা খেলোয়াড়দের বুঝিয়ে বলাই ছিল সাক্ষাতের উদ্দেশ্য। আমার মনে হয়েছে, তারা পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝতে পেরেছে।’
বিশ্বকাপ বয়কটের ফলে আর্থিক ও ক্রিকেটীয় ক্ষতির শঙ্কা থাকলেও জাতীয় মর্যাদা ও মানুষের নিরাপত্তাকেই বড় করে দেখছেন উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘মাথা নিচু করে এই আঞ্চলিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আমাদের খেলোয়াড়, সমর্থক ও সাংবাদিকদের ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেওয়াটা আরও বড় ক্ষতি। সেই ক্ষতির কথাও বিবেচনা করতে হবে।’
বুধবার আইসিসি ভোটাভুটির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বাংলাদেশ অংশ না নিলে তাদের জায়গায় অন্যদেশ খেলবে। তবে সরকার এখনো ভেন্যু পরিবর্তনের কূটনৈতিক সমাধানের আশা ছাড়েনি।
উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা এখনো আশা করি আইসিসি সুবিচার করবে এবং নিরাপত্তা বিবেচনায় শ্রীলঙ্কায় খেলার সুযোগ দেবে। ঝুঁকির কারণে ভেন্যু বদলের অনেক নজির বিশ্বে রয়েছে। আমরা এখনো আশা ছাড়িনি।’

নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যাবে না বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল আনুষ্ঠানিকভাবে এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) আল্টিমেটাম কার্যত প্রত্যাখ্যান করল সরকার।
বৃহস্পতিবার বিশ্বকাপ স্কোয়াডে থাকা খেলোয়াড়দের সঙ্গে বৈঠকের পর গণমাধ্যমকে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান ক্রীড়া উপদেষ্টা। তিনি স্পষ্ট করেন, দলের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো আপস করা হবে না।
গতকাল আইসিসির সভায় বিসিবি সভাপতিকে ভারতে না খেলার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে সরকারের সঙ্গে আলোচনার জন্য এক দিন সময় দেওয়া হয়েছিল।
খেলোয়াড়দের সঙ্গে বৈঠকে শেষে আসিফ নজরুল বলেন, ‘নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে বাংলাদেশ ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছে না—এটি বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্ত। অন্য কোনো সংস্থার এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার নেই।’
ক্রীড়া উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘সরকার কেন এমন কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা খেলোয়াড়দের বুঝিয়ে বলাই ছিল সাক্ষাতের উদ্দেশ্য। আমার মনে হয়েছে, তারা পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝতে পেরেছে।’
বিশ্বকাপ বয়কটের ফলে আর্থিক ও ক্রিকেটীয় ক্ষতির শঙ্কা থাকলেও জাতীয় মর্যাদা ও মানুষের নিরাপত্তাকেই বড় করে দেখছেন উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘মাথা নিচু করে এই আঞ্চলিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আমাদের খেলোয়াড়, সমর্থক ও সাংবাদিকদের ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেওয়াটা আরও বড় ক্ষতি। সেই ক্ষতির কথাও বিবেচনা করতে হবে।’
বুধবার আইসিসি ভোটাভুটির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বাংলাদেশ অংশ না নিলে তাদের জায়গায় অন্যদেশ খেলবে। তবে সরকার এখনো ভেন্যু পরিবর্তনের কূটনৈতিক সমাধানের আশা ছাড়েনি।
উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা এখনো আশা করি আইসিসি সুবিচার করবে এবং নিরাপত্তা বিবেচনায় শ্রীলঙ্কায় খেলার সুযোগ দেবে। ঝুঁকির কারণে ভেন্যু বদলের অনেক নজির বিশ্বে রয়েছে। আমরা এখনো আশা ছাড়িনি।’

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৩ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে