স্ট্রিম প্রতিবেদক

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) নগর ভবনে চলমান অবরোধ ও আন্দোলন নিয়ে পাল্টাপাল্টি অবস্থান নিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া এবং বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন। বিষয়টি ঘিরে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ।
সোমবার (১৮ মে) বিকেলে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া অভিযোগ করেন, বিএনপি ‘গায়ের জোরে’ নগর ভবন বন্ধ করে আন্দোলন করছে, যা জনদুর্ভোগের সৃষ্টি করছে। তিনি লেখেন, ‘উচ্চ আদালতে বিচারাধীন এবং উপরোল্লিখিত জটিলতা নিরসন না করা পর্যন্ত শপথ গ্রহণ সম্ভব নয়। যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে বরং গায়ের জোরে আদায় করার উদ্দেশ্যেই নগর ভবন বন্ধ করে মহানগর বিএনপি এই আন্দোলন চালাচ্ছে।’
তাঁর ফেসবুক পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, হাইকোর্টের রায় লঙ্ঘন করে নির্বাচন ট্রাইব্যুনাল সিদ্ধান্ত দিয়েছে, একপাক্ষিক শুনানিতে নির্বাচন কমিশন আপিল করেনি।আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত ছাড়াই গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে, স্থানীয় সরকার বিভাগ মামলায় পক্ষভুক্ত ছিল না, মেয়াদ সংক্রান্ত জটিলতা রয়ে গেছে, আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত চাওয়া হয়েছে এবং তা না পাওয়া পর্যন্ত শপথ সম্ভব নয়, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের একই ধরনের মামলায় ভিন্ন রায় দেওয়া হয়েছ, নির্বাচন কমিশনের চিঠিতেও ‘আইনি জটিলতা না থাকলে’ পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
এদিকে, বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন দাবি করেছেন, গেজেট প্রকাশ ও আদালতের রায়ের পরও শপথ নিতে না পারার পেছনে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের ‘হস্তক্ষেপ’ রয়েছে। তার নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘মেয়র ফেওর কিছু না। অন্তর্বর্তী সরকারের কতিপয় বাক্তির অন্তরে ক্ষমতার লোভ ও এটি চিরস্থায়ী করার কুৎসিত সত্যটা বের করে আনাটাই ছিলো মুখ্য উদ্দেশ্য।’
ইশরাক আরও বলেন, ‘যারা নিরপেক্ষতা বিসর্জন দিয়েছে, বরঞ্চ একটি দলের প্রতিনিধির কাজ করেছে, তাদের অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। এরা হাসিনার মতোই বিচারকদের হুমকি দিয়েছে। নির্বাচন কমিশনকে চ্যালেঞ্জ করছে। উচ্চ আদালতে হস্তক্ষেপ করেছে।’
তিনি উল্লেখ করেন, ‘লড়াই শেষ হয় নাই। হয় দাবি আদায় করবো, নাহয় আল্লাহর নির্ধারিত স্থানে মাটির নিচে শায়িত হব। গণতন্ত্রের সাথে, জনগণের ভোটার অধিকারের সাথে এক চুল ছাড় হবে না।’
এদিকে, ‘ঢাকাবাসী’ ব্যানারে আন্দোলনকারীরা ষষ্ঠ দিনের মতো নগর ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন। ভবনের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে সিটি কর্পোরেশনের দৈনন্দিন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
বিএনপির দাবি, নির্বাচনে জয়ী হয়ে গেজেট প্রকাশের পরও ইশরাক হোসেনকে শপথ নিতে না দিয়ে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে। অন্যদিকে, সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, বিষয়টি উচ্চ আদালতে বিচারাধীন থাকায় শপথ গ্রহণ এখনই সম্ভব নয়।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও আইন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) নগর ভবনে চলমান অবরোধ ও আন্দোলন নিয়ে পাল্টাপাল্টি অবস্থান নিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া এবং বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন। বিষয়টি ঘিরে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ।
সোমবার (১৮ মে) বিকেলে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া অভিযোগ করেন, বিএনপি ‘গায়ের জোরে’ নগর ভবন বন্ধ করে আন্দোলন করছে, যা জনদুর্ভোগের সৃষ্টি করছে। তিনি লেখেন, ‘উচ্চ আদালতে বিচারাধীন এবং উপরোল্লিখিত জটিলতা নিরসন না করা পর্যন্ত শপথ গ্রহণ সম্ভব নয়। যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে বরং গায়ের জোরে আদায় করার উদ্দেশ্যেই নগর ভবন বন্ধ করে মহানগর বিএনপি এই আন্দোলন চালাচ্ছে।’
তাঁর ফেসবুক পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, হাইকোর্টের রায় লঙ্ঘন করে নির্বাচন ট্রাইব্যুনাল সিদ্ধান্ত দিয়েছে, একপাক্ষিক শুনানিতে নির্বাচন কমিশন আপিল করেনি।আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত ছাড়াই গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে, স্থানীয় সরকার বিভাগ মামলায় পক্ষভুক্ত ছিল না, মেয়াদ সংক্রান্ত জটিলতা রয়ে গেছে, আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত চাওয়া হয়েছে এবং তা না পাওয়া পর্যন্ত শপথ সম্ভব নয়, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের একই ধরনের মামলায় ভিন্ন রায় দেওয়া হয়েছ, নির্বাচন কমিশনের চিঠিতেও ‘আইনি জটিলতা না থাকলে’ পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
এদিকে, বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন দাবি করেছেন, গেজেট প্রকাশ ও আদালতের রায়ের পরও শপথ নিতে না পারার পেছনে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের ‘হস্তক্ষেপ’ রয়েছে। তার নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘মেয়র ফেওর কিছু না। অন্তর্বর্তী সরকারের কতিপয় বাক্তির অন্তরে ক্ষমতার লোভ ও এটি চিরস্থায়ী করার কুৎসিত সত্যটা বের করে আনাটাই ছিলো মুখ্য উদ্দেশ্য।’
ইশরাক আরও বলেন, ‘যারা নিরপেক্ষতা বিসর্জন দিয়েছে, বরঞ্চ একটি দলের প্রতিনিধির কাজ করেছে, তাদের অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। এরা হাসিনার মতোই বিচারকদের হুমকি দিয়েছে। নির্বাচন কমিশনকে চ্যালেঞ্জ করছে। উচ্চ আদালতে হস্তক্ষেপ করেছে।’
তিনি উল্লেখ করেন, ‘লড়াই শেষ হয় নাই। হয় দাবি আদায় করবো, নাহয় আল্লাহর নির্ধারিত স্থানে মাটির নিচে শায়িত হব। গণতন্ত্রের সাথে, জনগণের ভোটার অধিকারের সাথে এক চুল ছাড় হবে না।’
এদিকে, ‘ঢাকাবাসী’ ব্যানারে আন্দোলনকারীরা ষষ্ঠ দিনের মতো নগর ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন। ভবনের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে সিটি কর্পোরেশনের দৈনন্দিন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
বিএনপির দাবি, নির্বাচনে জয়ী হয়ে গেজেট প্রকাশের পরও ইশরাক হোসেনকে শপথ নিতে না দিয়ে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে। অন্যদিকে, সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, বিষয়টি উচ্চ আদালতে বিচারাধীন থাকায় শপথ গ্রহণ এখনই সম্ভব নয়।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও আইন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।

শপথ গ্রহণের মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠন করায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ ভেঙে গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
সাবেক সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপসচিব মোহাম্মদ রফিকুল হকের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
১০ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
১০ ঘণ্টা আগে