স্ট্রিম প্রতিবেদক

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের বিশেষ উপদেষ্টা পদে আর থাকছেন না যুক্তরাজ্যের বিশিষ্ট আইনজীবী ও আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আইন বিশেষজ্ঞ টবি ক্যাডম্যান। অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়েছে। তাঁর সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করা হয়নি। তাই তিনি আর থাকছেন না।
সরকারের সঙ্গে টবি ক্যাডম্যানের এক বছরের চুক্তির মেয়াদ গত নভেম্বরেই শেষ হয়েছে। বিষয়টি তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকেও অবহিত করেছিলেন।
প্রসঙ্গত, আগামীকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনায় ট্রাইব্যুনাল দ্বিতীয় রায় ঘোষণা করবে। এর ঠিক আগেই টবি ক্যাডম্যানের দায়িত্বে না থাকার বিষয়টি সামনে এলো।
আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে টবি ক্যাডম্যানের না থাকার বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যাও দেওয়া হয়েছে। প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের বিশেষ পরামর্শক হিসেবে টবি ক্যাডম্যানের সঙ্গে সরকারের করা এক বছরের চুক্তিটি গত বছরের ২৬ নভেম্বর শেষ হয়েছে। এরপর সেটি আর নবায়ন করা হয়নি। ফলে ২৬ নভেম্বরের পর থেকেই তিনি দাপ্তরিকভাবে আর পরামর্শকের দায়িত্বে নেই।
অন্যদিকে, টবি ক্যাডম্যান নিজেও তার সরে দাঁড়ানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘আমার চুক্তির মেয়াদ গত নভেম্বরে শেষ হয়েছে। পরে মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, তবে আমি তা গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
পদ ছাড়ার নেপথ্য কারণ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কারণ নিয়ে মন্তব্য করা সমীচীন হবে না।’
লন্ডনভিত্তিক ল’ ফার্ম ‘গার্নিকা ৩৭’ গ্রুপের সহ-প্রতিষ্ঠাতা টবি ক্যাডম্যানকে ২০২৪ সালের ২০ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল প্রসিকিউটর অ্যাডভাইজার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। ওই সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি লিখেছিলেন, ‘আমি এ ঘোষণা দিতে পেরে আনন্দিত ও খুবই সম্মানিত বোধ করছি যে—আমাকে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের একজন স্পেশাল প্রসিকিউটর অ্যাডভাইজার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।’
তাঁর দায়িত্বের পরিধি ছিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সংক্রান্ত সব বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটরকে আইনি পরামর্শ দেওয়া এবং ১৯৭১ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন ১৯৭৩-এর অধীনে বিচারিক প্রক্রিয়া আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে সহায়তা করা।
টবি ক্যাডম্যানের বাংলাদেশে কাজ করার অভিজ্ঞতা বেশ পুরোনো ও বৈচিত্র্যময়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যখন একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার চলছিল, তখন তিনি জামায়াত ও বিএনপির অভিযুক্ত নেতাদের পক্ষে আইনজীবী হিসেবে লড়তে বাংলাদেশে আসতে চেয়েছিলেন। তবে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার তাকে ভিসা দেয়নি বা আসতে বাধা দিয়েছিল।
পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দৃশ্যপট বদলে যায়। এরপর গত ২ সেপ্টেম্বর তিনি ঢাকায় এসে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এর কিছুদিন পরেই তাঁকে প্রসিকিউশনের বিশেষ উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তী সরকার।
জুলাই-আগস্টের গণহত্যায় অভিযুক্তদের বিচারে আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে সরকার যে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছিল, টবি ক্যাডম্যান ছিলেন তার মধ্যে অন্যতম।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের বিশেষ উপদেষ্টা পদে আর থাকছেন না যুক্তরাজ্যের বিশিষ্ট আইনজীবী ও আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আইন বিশেষজ্ঞ টবি ক্যাডম্যান। অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়েছে। তাঁর সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করা হয়নি। তাই তিনি আর থাকছেন না।
সরকারের সঙ্গে টবি ক্যাডম্যানের এক বছরের চুক্তির মেয়াদ গত নভেম্বরেই শেষ হয়েছে। বিষয়টি তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকেও অবহিত করেছিলেন।
প্রসঙ্গত, আগামীকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনায় ট্রাইব্যুনাল দ্বিতীয় রায় ঘোষণা করবে। এর ঠিক আগেই টবি ক্যাডম্যানের দায়িত্বে না থাকার বিষয়টি সামনে এলো।
আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে টবি ক্যাডম্যানের না থাকার বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যাও দেওয়া হয়েছে। প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের বিশেষ পরামর্শক হিসেবে টবি ক্যাডম্যানের সঙ্গে সরকারের করা এক বছরের চুক্তিটি গত বছরের ২৬ নভেম্বর শেষ হয়েছে। এরপর সেটি আর নবায়ন করা হয়নি। ফলে ২৬ নভেম্বরের পর থেকেই তিনি দাপ্তরিকভাবে আর পরামর্শকের দায়িত্বে নেই।
অন্যদিকে, টবি ক্যাডম্যান নিজেও তার সরে দাঁড়ানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘আমার চুক্তির মেয়াদ গত নভেম্বরে শেষ হয়েছে। পরে মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, তবে আমি তা গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
পদ ছাড়ার নেপথ্য কারণ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কারণ নিয়ে মন্তব্য করা সমীচীন হবে না।’
লন্ডনভিত্তিক ল’ ফার্ম ‘গার্নিকা ৩৭’ গ্রুপের সহ-প্রতিষ্ঠাতা টবি ক্যাডম্যানকে ২০২৪ সালের ২০ নভেম্বর ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল প্রসিকিউটর অ্যাডভাইজার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। ওই সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি লিখেছিলেন, ‘আমি এ ঘোষণা দিতে পেরে আনন্দিত ও খুবই সম্মানিত বোধ করছি যে—আমাকে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের একজন স্পেশাল প্রসিকিউটর অ্যাডভাইজার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।’
তাঁর দায়িত্বের পরিধি ছিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সংক্রান্ত সব বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটরকে আইনি পরামর্শ দেওয়া এবং ১৯৭১ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন ১৯৭৩-এর অধীনে বিচারিক প্রক্রিয়া আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে সহায়তা করা।
টবি ক্যাডম্যানের বাংলাদেশে কাজ করার অভিজ্ঞতা বেশ পুরোনো ও বৈচিত্র্যময়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যখন একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার চলছিল, তখন তিনি জামায়াত ও বিএনপির অভিযুক্ত নেতাদের পক্ষে আইনজীবী হিসেবে লড়তে বাংলাদেশে আসতে চেয়েছিলেন। তবে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার তাকে ভিসা দেয়নি বা আসতে বাধা দিয়েছিল।
পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দৃশ্যপট বদলে যায়। এরপর গত ২ সেপ্টেম্বর তিনি ঢাকায় এসে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এর কিছুদিন পরেই তাঁকে প্রসিকিউশনের বিশেষ উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তী সরকার।
জুলাই-আগস্টের গণহত্যায় অভিযুক্তদের বিচারে আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে সরকার যে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছিল, টবি ক্যাডম্যান ছিলেন তার মধ্যে অন্যতম।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৩ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে