স্ট্রিম প্রতিবেদক

বাংলাদেশে নবনিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে শপথ নিয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে তার নতুন কূটনৈতিক দায়িত্ব শুরু হলো। আজ শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকালে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
শুক্রবার শপথ গ্রহণের পর রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘যে দেশটির সঙ্গে আমি খুব ভালোভাবে পরিচিত, সেই বাংলাদেশে ফিরতে পেরে আমি ভীষণ আনন্দিত। ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসে আমেরিকান ও স্থানীয় কর্মীদের নিয়ে গঠিত একটি শক্তিশালী দলের নেতৃত্ব দেওয়ার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করতে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের লক্ষ্যকে এগিয়ে নিতে এবং প্রতিদিন নিরলসভাবে কাজ করে আমেরিকাকে আরও নিরাপদ, শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করে তুলতে আমি উচ্ছ্বসিত।’
এদিকে, ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসও ওই বিবৃতিতে নতুন রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়েছে। ওয়াশিংটন থেকে বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে আয়োজিত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
এরআগে বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূত পদে পিটার হাসের উত্তরসূরি হিসেবে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে গত ২ সেপ্টেম্বরে মনোনীত করেছিলেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দেশটির নিয়ম অনুযায়ী, এই মনোনয়ন অনুমোদনের জন্য সিনেটে পাঠানো হয়। শুনানি শেষে সিনেট অনুমোদন দিলে নতুন রাষ্ট্রদূতের নিয়োগ চূড়ান্ত হয়। গেল ২৩ অক্টোবর তাঁর শুনানি হয়েছে। পরে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চকক্ষ সিনেট বাংলাদেশে ১৮তম মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের মনোনয়নকে চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।
পিটার হাস বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূত হিসেবে ২০২৪ সালের এপ্রিলে তাঁর দায়িত্বের মেয়াদ শেষ করে ফিরে যান। তার পর আর কাউকে পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রদূত পদে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। এর মধ্যে গত বছরের আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট থেকে জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের সিনিয়র ফরেন সার্ভিসের (এসএফএস) ক্যারিয়ার মেম্বার বা স্থায়ী সদস্য ব্রেন্ট ক্রিসটেনসেন। তিনি ‘ক্লাস অব কাউন্সেলর’ শ্রেণির কূটনীতিক, যা দেশটির ফরেন সার্ভিসের শীর্ষ চারটি স্তরের একটি। এ ধরনের কূটনীতিকরা খুবই অভিজ্ঞ হন। গুরুত্বপূর্ণ নীতি প্রণয়ন করতে পারেন তারা। তাদের হাতে প্রশাসনিক নেতৃত্ব ও ব্যবস্থাপনাগত কর্তৃত্ব থাকে। একক ও নির্দিষ্ট দায়িত্বের মধ্যেই তারা সীমাবদ্ধ না থেকে বরং দেশে ও দেশের বাইরে বিভিন্ন উচ্চপদস্থ দায়িত্ব পালন করতে পারেন ওয়ানস্টার পদমর্যাদার এই কূটনীতিকরা।
বাংলাদেশকেন্দ্রিক মার্কিন নীতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে ২০ বছরের বেশি সময় কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে ব্রেন্ট ক্রিসটেনসেনের। সবশেষ মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
মার্কিন পার্লামেন্টের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, দ্য সিনিয়র ফরেন সার্ভিসের স্থায়ী সদস্য ভার্জেনিয়ার ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসনকে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাম্বাসেডর এক্সট্রার্ডিনারি অ্যান্ড প্লেনিপোটেনশিয়ারি হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। এখানে এক্সট্রার্ডিনারি বলতে রাষ্ট্রপ্রধানের পক্ষে উল্লেখযোগ্য ক্ষমতা প্রয়োগের জন্য বিশেষ অনুমোদন প্রদানকে বোঝায়। আর প্লেনিপোটেনশিয়ারি অর্থ হলো ‘পূর্ণ ক্ষমতাসম্পন্ন’–অর্থাৎ রাষ্ট্রদূতের নিজের দেশকে প্রতিনিধিত্ব করা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার ক্ষমতা রয়েছে।
ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকবিষয়ক কাউন্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তখনও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। বাংলাদেশে তাঁকে দ্বিতীয়বারের মতো পাঠানোর অর্থ হচ্ছে, তিনি প্রেসিডেন্টের খুব আস্থাভাজন।

বাংলাদেশে নবনিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে শপথ নিয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে তার নতুন কূটনৈতিক দায়িত্ব শুরু হলো। আজ শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকালে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
শুক্রবার শপথ গ্রহণের পর রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘যে দেশটির সঙ্গে আমি খুব ভালোভাবে পরিচিত, সেই বাংলাদেশে ফিরতে পেরে আমি ভীষণ আনন্দিত। ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসে আমেরিকান ও স্থানীয় কর্মীদের নিয়ে গঠিত একটি শক্তিশালী দলের নেতৃত্ব দেওয়ার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করতে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের লক্ষ্যকে এগিয়ে নিতে এবং প্রতিদিন নিরলসভাবে কাজ করে আমেরিকাকে আরও নিরাপদ, শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করে তুলতে আমি উচ্ছ্বসিত।’
এদিকে, ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসও ওই বিবৃতিতে নতুন রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়েছে। ওয়াশিংটন থেকে বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে আয়োজিত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
এরআগে বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূত পদে পিটার হাসের উত্তরসূরি হিসেবে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে গত ২ সেপ্টেম্বরে মনোনীত করেছিলেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দেশটির নিয়ম অনুযায়ী, এই মনোনয়ন অনুমোদনের জন্য সিনেটে পাঠানো হয়। শুনানি শেষে সিনেট অনুমোদন দিলে নতুন রাষ্ট্রদূতের নিয়োগ চূড়ান্ত হয়। গেল ২৩ অক্টোবর তাঁর শুনানি হয়েছে। পরে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চকক্ষ সিনেট বাংলাদেশে ১৮তম মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের মনোনয়নকে চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।
পিটার হাস বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূত হিসেবে ২০২৪ সালের এপ্রিলে তাঁর দায়িত্বের মেয়াদ শেষ করে ফিরে যান। তার পর আর কাউকে পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রদূত পদে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। এর মধ্যে গত বছরের আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট থেকে জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের সিনিয়র ফরেন সার্ভিসের (এসএফএস) ক্যারিয়ার মেম্বার বা স্থায়ী সদস্য ব্রেন্ট ক্রিসটেনসেন। তিনি ‘ক্লাস অব কাউন্সেলর’ শ্রেণির কূটনীতিক, যা দেশটির ফরেন সার্ভিসের শীর্ষ চারটি স্তরের একটি। এ ধরনের কূটনীতিকরা খুবই অভিজ্ঞ হন। গুরুত্বপূর্ণ নীতি প্রণয়ন করতে পারেন তারা। তাদের হাতে প্রশাসনিক নেতৃত্ব ও ব্যবস্থাপনাগত কর্তৃত্ব থাকে। একক ও নির্দিষ্ট দায়িত্বের মধ্যেই তারা সীমাবদ্ধ না থেকে বরং দেশে ও দেশের বাইরে বিভিন্ন উচ্চপদস্থ দায়িত্ব পালন করতে পারেন ওয়ানস্টার পদমর্যাদার এই কূটনীতিকরা।
বাংলাদেশকেন্দ্রিক মার্কিন নীতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে ২০ বছরের বেশি সময় কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে ব্রেন্ট ক্রিসটেনসেনের। সবশেষ মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
মার্কিন পার্লামেন্টের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, দ্য সিনিয়র ফরেন সার্ভিসের স্থায়ী সদস্য ভার্জেনিয়ার ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসনকে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাম্বাসেডর এক্সট্রার্ডিনারি অ্যান্ড প্লেনিপোটেনশিয়ারি হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। এখানে এক্সট্রার্ডিনারি বলতে রাষ্ট্রপ্রধানের পক্ষে উল্লেখযোগ্য ক্ষমতা প্রয়োগের জন্য বিশেষ অনুমোদন প্রদানকে বোঝায়। আর প্লেনিপোটেনশিয়ারি অর্থ হলো ‘পূর্ণ ক্ষমতাসম্পন্ন’–অর্থাৎ রাষ্ট্রদূতের নিজের দেশকে প্রতিনিধিত্ব করা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার ক্ষমতা রয়েছে।
ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকবিষয়ক কাউন্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তখনও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। বাংলাদেশে তাঁকে দ্বিতীয়বারের মতো পাঠানোর অর্থ হচ্ছে, তিনি প্রেসিডেন্টের খুব আস্থাভাজন।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৪ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৫ ঘণ্টা আগে