স্ট্রিম প্রতিবেদক

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার মামলার বিচার রায়ের পথে। এই মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য আগামী ২০ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তাসহ প্রসিকিউশনের মোট ২৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরা শেষ হয়েছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের সমন্বয়ে গঠিত বিচারিক প্যানেল এই আদেশ দেন।
আজ বুধবার সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিনকে পুনঃপরীক্ষা করেন প্রসিকিউশন পক্ষের সদস্যরা। এরপর তাঁকে জেরা করেন এ মামলার অন্যতম আসামি ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলামের আইনজীবী আমিনুল গণি টিটো।
সকালের অধিবেশনে যুক্তিতর্কের তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি। বিকেলে প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম শুনানি করেন। তিনি আদালতকে জানান, মামলায় প্রসিকিউশনের সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। আসামিপক্ষ সাফাই সাক্ষী হিসেবে কাউকে হাজির করবে না। ফলে মামলাটি এখন যুক্তিতর্ক পর্যায়ে রয়েছে। প্রসিকিউশন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। এই আবেদনের প্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনাল ২০ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন।
এদিন সকালে কারাগার থেকে মামলার গ্রেপ্তারকৃত ছয় আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। তাঁরা হলেন সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, পুলিশের এএসআই আমির হোসেন, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় এবং ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজ।
মামলার নথিপত্র অনুযায়ী, এই হত্যাকাণ্ডে বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য হাসিবুর রশীদসহ মোট ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৬ জন গ্রেপ্তার থাকলেও বাকি ২৪ জন এখনো পলাতক রয়েছেন।
গত বছরের ২৪ জুন এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। ৩০ জুন ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ আমলে নেন। পলাতক আসামিদের পক্ষে আইনি লড়াইয়ের জন্য চারজন ‘স্টেট ডিফেন্স’ আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়। এরপর ৬ আগস্ট ৩০ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করা হয়। ২৭ আগস্ট প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক বিচারকাজ শুরু হয়েছিল। দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে মামলাটি এখন রায়ের পূর্ববর্তী ধাপে পৌঁছাল।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার মামলার বিচার রায়ের পথে। এই মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য আগামী ২০ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তাসহ প্রসিকিউশনের মোট ২৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরা শেষ হয়েছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের সমন্বয়ে গঠিত বিচারিক প্যানেল এই আদেশ দেন।
আজ বুধবার সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিনকে পুনঃপরীক্ষা করেন প্রসিকিউশন পক্ষের সদস্যরা। এরপর তাঁকে জেরা করেন এ মামলার অন্যতম আসামি ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলামের আইনজীবী আমিনুল গণি টিটো।
সকালের অধিবেশনে যুক্তিতর্কের তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি। বিকেলে প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম শুনানি করেন। তিনি আদালতকে জানান, মামলায় প্রসিকিউশনের সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। আসামিপক্ষ সাফাই সাক্ষী হিসেবে কাউকে হাজির করবে না। ফলে মামলাটি এখন যুক্তিতর্ক পর্যায়ে রয়েছে। প্রসিকিউশন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। এই আবেদনের প্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনাল ২০ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন।
এদিন সকালে কারাগার থেকে মামলার গ্রেপ্তারকৃত ছয় আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। তাঁরা হলেন সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, পুলিশের এএসআই আমির হোসেন, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় এবং ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজ।
মামলার নথিপত্র অনুযায়ী, এই হত্যাকাণ্ডে বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য হাসিবুর রশীদসহ মোট ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৬ জন গ্রেপ্তার থাকলেও বাকি ২৪ জন এখনো পলাতক রয়েছেন।
গত বছরের ২৪ জুন এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। ৩০ জুন ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ আমলে নেন। পলাতক আসামিদের পক্ষে আইনি লড়াইয়ের জন্য চারজন ‘স্টেট ডিফেন্স’ আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়। এরপর ৬ আগস্ট ৩০ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করা হয়। ২৭ আগস্ট প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক বিচারকাজ শুরু হয়েছিল। দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে মামলাটি এখন রায়ের পূর্ববর্তী ধাপে পৌঁছাল।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৪ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৫ ঘণ্টা আগে