স্ট্রিম প্রতিবেদক

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে দেওয়া আমৃত্যু কারাদণ্ড চ্যালেঞ্জ করে প্রসিকিউশনের (রাষ্ট্রপক্ষ) করা আপিল শুনানির জন্য চেম্বার আদালতের কার্যতালিকায় উঠেছে। রাষ্ট্রপক্ষ এই সাজার মাত্রা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ দণ্ড ‘মৃত্যুদণ্ড’ চেয়ে আবেদনটি করেছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালতের কার্যতালিকায় মামলাটি ৫৮ নম্বর ক্রমিকে শুনানির জন্য রাখা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গত ১৭ নভেম্বর ঐতিহাসিক এক রায়ে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে দুটি পৃথক অভিযোগে দণ্ড প্রদান করেন। এর মধ্যে একটি অভিযোগে তাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলেও, অপর একটি অভিযোগে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
রাষ্ট্রপক্ষ মনে করছে, অপরাধের মাত্রা ও নৃশংসতা বিবেচনায় দ্বিতীয় অভিযোগটিতেও তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া উচিত ছিল। এই যুক্তি থেকেই গত ১৫ ডিসেম্বর প্রসিকিউশন আপিল বিভাগে আবেদন করে। প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম জানান, ট্রাইব্যুনালের রায়ে দেওয়া আমৃত্যু কারাদণ্ডকে অপর্যাপ্ত দাবি করে মোট আটটি আইনি যুক্তিতে তারা মৃত্যুদণ্ড চেয়েছেন।
একই মামলার আরেক গুরুত্বপূর্ণ আসামি ও রাজসাক্ষী পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনও আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেছেন। রাজসাক্ষী হওয়ার পরও ট্রাইব্যুনাল তাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিলেন। এই সাজা বাতিল বা মওকুফ চেয়ে তিনি সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।
উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে দণ্ড দিয়ে ৪৫৭ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় গত মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে দেওয়া আমৃত্যু কারাদণ্ড চ্যালেঞ্জ করে প্রসিকিউশনের (রাষ্ট্রপক্ষ) করা আপিল শুনানির জন্য চেম্বার আদালতের কার্যতালিকায় উঠেছে। রাষ্ট্রপক্ষ এই সাজার মাত্রা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ দণ্ড ‘মৃত্যুদণ্ড’ চেয়ে আবেদনটি করেছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালতের কার্যতালিকায় মামলাটি ৫৮ নম্বর ক্রমিকে শুনানির জন্য রাখা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গত ১৭ নভেম্বর ঐতিহাসিক এক রায়ে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে দুটি পৃথক অভিযোগে দণ্ড প্রদান করেন। এর মধ্যে একটি অভিযোগে তাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলেও, অপর একটি অভিযোগে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
রাষ্ট্রপক্ষ মনে করছে, অপরাধের মাত্রা ও নৃশংসতা বিবেচনায় দ্বিতীয় অভিযোগটিতেও তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া উচিত ছিল। এই যুক্তি থেকেই গত ১৫ ডিসেম্বর প্রসিকিউশন আপিল বিভাগে আবেদন করে। প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম জানান, ট্রাইব্যুনালের রায়ে দেওয়া আমৃত্যু কারাদণ্ডকে অপর্যাপ্ত দাবি করে মোট আটটি আইনি যুক্তিতে তারা মৃত্যুদণ্ড চেয়েছেন।
একই মামলার আরেক গুরুত্বপূর্ণ আসামি ও রাজসাক্ষী পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনও আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেছেন। রাজসাক্ষী হওয়ার পরও ট্রাইব্যুনাল তাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিলেন। এই সাজা বাতিল বা মওকুফ চেয়ে তিনি সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।
উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে দণ্ড দিয়ে ৪৫৭ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় গত মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৪ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে