স্ট্রিম ডেস্ক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগের দিনই ভোটার টার্ন আউটের প্রেডিকশন করেছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফলিত পরিসংখ্যান এবং ডেটা সায়েন্সের অধ্যাপক ড. হাসিনুর রহমান খান। তিনি তাঁর প্রেডিকশনে বলেছিলেন ভোটার টার্ন আউট হতে পারে ৫৮ শতাংশ। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সার্বিকভাবে গড়ে ভোট পড়েছে ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ।
একইভাবে তিনি নির্বাচনের আসন প্রাপ্তির প্রেডিকশনে বলেছিলেন বিএনপি জোট জয় পাবে ২০৫ থেকে ২২০টি আসনে। যেখানে এখন পর্যন্ত বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের প্রাপ্ত আসন ২১২টি (দুটি আসনে ফলাফল স্থগিত আছে)।
অধ্যাপক হাসিনুর রহমান খানের প্রেডিকশনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের সম্ভাব্য আসনের কথা বলা ছিল ৬০ থেকে ৭০টি, যেখানে তাদের প্রাপ্ত আসন ৭৭টি। অবশ্য অন্যান্য দলের ক্ষেত্রে কিছুটা গড়মিল হয়েছে এই পরিসংখ্যানবিদের হিসাবে। তিনি বলেছিলেন, অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র মিলে ১০ থেকে ৩৫টি আসন পেতে পারে। এক্ষেত্রে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ পেয়েছে একটি আসন ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয় পেয়েছে সাতটি আসনে।
প্রাপ্ত ভোটের হার নিয়ে অধ্যাপক হাসিনুরের প্রেডিকশন অনেকাংশে সফল। তিনি বলেছিলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ৪৯ শতাংশ ভোট পেতে পারে। ইসি জানিয়েছে, বিএনপি পেয়েছে ৫০ দশমিক ৯৬ শতাংশ ভোট।
এছাড়া জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ৩৯ শতাংশ ভোট পেতে পারে বলেও প্রেডিকশন করেছিলেন হাসিনুর রহমান খান। যা ইসির হিসাবে ৩৭ দশমিক ৮৫। অন্যান্য দলের ক্ষেত্রে তাঁর প্রেডিকশন ছিল ১২ শতাংশ। যা পরে দেখা গেছে ১১ দশমিক ১৯ শতাংশ।
প্রসঙ্গত, তিনি করোনাকালে করোনা ভাইরাসে সম্ভাব্য সংক্রমণের গ্রাফ ও ডেথ প্রেডিকশন করেছিলেন, যা অনেকাংশেই মিলে গিয়েছিল। একইভাবে ২০২২ সালের বিশ্বকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগেই ৬৪টি ম্যাচের ফলাফলের প্রেডিকশন করেছিলেন এবং বলেছিলেন, আর্জেন্টিনা ফ্রান্সের সঙ্গে ফাইনাল খেলবে এবং আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হবে; সেটাও পরবর্তীতে মিলে যায়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রেডিকশনের বিষয়ে অধ্যাপক হাসিনুর রহমান খান শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) স্ট্রিমকে বলেন, ডেটা এনালাইটিক সলিউশন ইন বাংলাদেশ (ডাসিব) প্রতিষ্ঠান পরিচালিত ১৮ থেকে ৩০ বছরের তরুণ ভোটারদের ওপরে করা জরিপ, সাম্প্রতিক অন্যান্য প্রতিষ্ঠান পরিচালিত কিছু জরিপ, এবং নির্বাচনের সামগ্রিক বিষয়ের নিজের অবজারভেশনাল এসটিমেট মিলিয়ে ত্রয়োদশ ২০২৬ জাতীয় নির্বাচনের সম্ভাব্য যে ফলাফল হতে পারে; তার একটি ব্যক্তিগত প্রেডিকশন করেছিলেন তিনি।
ফলাফল ৫ শতাংশ তারতম্য হতে পারে বলেও তাতে উল্লেখ করেছিলেন ড. হাসিনুর।
প্রেডিকশনের মেথডলজির বিষয়ে ঢাবির এই অথ্যাপক বলেছেন, যেকোনো প্রেডিকশনের ক্ষেত্রে, তার সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য ফ্যাক্টরগুলোর মধ্যকার সম্পর্কের, বা তাদের আন্ত-সম্পর্কের যোগসূত্রটা ভালো করে বুঝতে পারলেই প্রেডিকশনটি সহজ হয়। এই ক্ষেত্রে প্রেডিকশন এর আনসারটেনিটি বা অনিশ্চয়তার মাত্রা বেশি হলে সাধারণত প্রেডিকশনের পারফরম্যান্স কমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
কোন নির্বাচনের ক্ষেত্রে ভোটের আসন সংখ্যা প্রেডিকশন অথবা যেকোনো রাজনৈতিক, আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে প্রেডিকশন শুধু কোয়ান্টিটেটিভ বিশ্লেষণ দিয়ে করাটা অনেক সময় কঠিন হয় জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এসব ক্ষেত্রে ফ্যাক্টরগুলোর মধ্যকার কমপ্লেক্স সম্পর্ক বিদ্যমান থাকায় কোয়ান্টিটেটিভ এর পাশাপাশি কোয়ালিটেটিভ বিশ্লেষণ প্রয়োজন হয়। আমার এই প্রেডিকশনটির ক্ষেত্রে এই দুই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছিল।’
কোয়ালিটেটিভ গবেষণার আওতায় কোন জোট কয়টি আসন পেতে পারে সেটি বোঝার জন্য সাম্প্রতিক চার-পাঁচটি জরিপের ফলাফল বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল বলে জানান হাসিনুর রহমান খান। তিনি জানান, এক্ষেত্রে জরিপগুলোর বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা, ত্রুটি-বিচ্যুতি যাচাই-বাছাই করে প্রতিটা জোট কেমন করতে পারে, কয়টি আসন পেতে পারে সেটি বের করা হয়েছিল। এরপর কোয়ান্টিটেটিভ বিশ্লেষণ হতে প্রাপ্ত প্রতিটি জোটের ভোটের হারকে আবারো বিবেচনায় নিয়ে প্রতিটি জোটের আসন সংখ্যা চূড়ান্ত করা হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগের দিনই ভোটার টার্ন আউটের প্রেডিকশন করেছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফলিত পরিসংখ্যান এবং ডেটা সায়েন্সের অধ্যাপক ড. হাসিনুর রহমান খান। তিনি তাঁর প্রেডিকশনে বলেছিলেন ভোটার টার্ন আউট হতে পারে ৫৮ শতাংশ। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সার্বিকভাবে গড়ে ভোট পড়েছে ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ।
একইভাবে তিনি নির্বাচনের আসন প্রাপ্তির প্রেডিকশনে বলেছিলেন বিএনপি জোট জয় পাবে ২০৫ থেকে ২২০টি আসনে। যেখানে এখন পর্যন্ত বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের প্রাপ্ত আসন ২১২টি (দুটি আসনে ফলাফল স্থগিত আছে)।
অধ্যাপক হাসিনুর রহমান খানের প্রেডিকশনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের সম্ভাব্য আসনের কথা বলা ছিল ৬০ থেকে ৭০টি, যেখানে তাদের প্রাপ্ত আসন ৭৭টি। অবশ্য অন্যান্য দলের ক্ষেত্রে কিছুটা গড়মিল হয়েছে এই পরিসংখ্যানবিদের হিসাবে। তিনি বলেছিলেন, অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র মিলে ১০ থেকে ৩৫টি আসন পেতে পারে। এক্ষেত্রে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ পেয়েছে একটি আসন ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয় পেয়েছে সাতটি আসনে।
প্রাপ্ত ভোটের হার নিয়ে অধ্যাপক হাসিনুরের প্রেডিকশন অনেকাংশে সফল। তিনি বলেছিলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ৪৯ শতাংশ ভোট পেতে পারে। ইসি জানিয়েছে, বিএনপি পেয়েছে ৫০ দশমিক ৯৬ শতাংশ ভোট।
এছাড়া জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ৩৯ শতাংশ ভোট পেতে পারে বলেও প্রেডিকশন করেছিলেন হাসিনুর রহমান খান। যা ইসির হিসাবে ৩৭ দশমিক ৮৫। অন্যান্য দলের ক্ষেত্রে তাঁর প্রেডিকশন ছিল ১২ শতাংশ। যা পরে দেখা গেছে ১১ দশমিক ১৯ শতাংশ।
প্রসঙ্গত, তিনি করোনাকালে করোনা ভাইরাসে সম্ভাব্য সংক্রমণের গ্রাফ ও ডেথ প্রেডিকশন করেছিলেন, যা অনেকাংশেই মিলে গিয়েছিল। একইভাবে ২০২২ সালের বিশ্বকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগেই ৬৪টি ম্যাচের ফলাফলের প্রেডিকশন করেছিলেন এবং বলেছিলেন, আর্জেন্টিনা ফ্রান্সের সঙ্গে ফাইনাল খেলবে এবং আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হবে; সেটাও পরবর্তীতে মিলে যায়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রেডিকশনের বিষয়ে অধ্যাপক হাসিনুর রহমান খান শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) স্ট্রিমকে বলেন, ডেটা এনালাইটিক সলিউশন ইন বাংলাদেশ (ডাসিব) প্রতিষ্ঠান পরিচালিত ১৮ থেকে ৩০ বছরের তরুণ ভোটারদের ওপরে করা জরিপ, সাম্প্রতিক অন্যান্য প্রতিষ্ঠান পরিচালিত কিছু জরিপ, এবং নির্বাচনের সামগ্রিক বিষয়ের নিজের অবজারভেশনাল এসটিমেট মিলিয়ে ত্রয়োদশ ২০২৬ জাতীয় নির্বাচনের সম্ভাব্য যে ফলাফল হতে পারে; তার একটি ব্যক্তিগত প্রেডিকশন করেছিলেন তিনি।
ফলাফল ৫ শতাংশ তারতম্য হতে পারে বলেও তাতে উল্লেখ করেছিলেন ড. হাসিনুর।
প্রেডিকশনের মেথডলজির বিষয়ে ঢাবির এই অথ্যাপক বলেছেন, যেকোনো প্রেডিকশনের ক্ষেত্রে, তার সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য ফ্যাক্টরগুলোর মধ্যকার সম্পর্কের, বা তাদের আন্ত-সম্পর্কের যোগসূত্রটা ভালো করে বুঝতে পারলেই প্রেডিকশনটি সহজ হয়। এই ক্ষেত্রে প্রেডিকশন এর আনসারটেনিটি বা অনিশ্চয়তার মাত্রা বেশি হলে সাধারণত প্রেডিকশনের পারফরম্যান্স কমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
কোন নির্বাচনের ক্ষেত্রে ভোটের আসন সংখ্যা প্রেডিকশন অথবা যেকোনো রাজনৈতিক, আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে প্রেডিকশন শুধু কোয়ান্টিটেটিভ বিশ্লেষণ দিয়ে করাটা অনেক সময় কঠিন হয় জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এসব ক্ষেত্রে ফ্যাক্টরগুলোর মধ্যকার কমপ্লেক্স সম্পর্ক বিদ্যমান থাকায় কোয়ান্টিটেটিভ এর পাশাপাশি কোয়ালিটেটিভ বিশ্লেষণ প্রয়োজন হয়। আমার এই প্রেডিকশনটির ক্ষেত্রে এই দুই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছিল।’
কোয়ালিটেটিভ গবেষণার আওতায় কোন জোট কয়টি আসন পেতে পারে সেটি বোঝার জন্য সাম্প্রতিক চার-পাঁচটি জরিপের ফলাফল বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল বলে জানান হাসিনুর রহমান খান। তিনি জানান, এক্ষেত্রে জরিপগুলোর বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা, ত্রুটি-বিচ্যুতি যাচাই-বাছাই করে প্রতিটা জোট কেমন করতে পারে, কয়টি আসন পেতে পারে সেটি বের করা হয়েছিল। এরপর কোয়ান্টিটেটিভ বিশ্লেষণ হতে প্রাপ্ত প্রতিটি জোটের ভোটের হারকে আবারো বিবেচনায় নিয়ে প্রতিটি জোটের আসন সংখ্যা চূড়ান্ত করা হয়।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৩ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে