স্ট্রিম সংবাদদাতা

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশ-ইন করার পর চাঁপাইনবাবগঞ্জে গ্রেপ্তার ছয়জনের মধ্যে অন্তঃসত্ত্বা সোনালী খাতুন ও তাঁর সন্তান মো. সাব্বির শেখকে নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে তাঁদের ভারতে পাঠানো হয়। তবে গ্রেপ্তার অপর চারজনকে গ্রহণ করেনি বিএসএফ। বিজিবির ৫৯ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম কিবরিয়া এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ফেরত যাওয়া সোনালী খাতুন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বীরভূম জেলার পাকুরের বাসিন্দা দানিশ শেখের স্ত্রী। তবে ফেরত না নেওয়া সোনালীর স্বামী দানিশ শেখসহ একই এলাকার চারজন এখন চাঁপাইনবাবগঞ্জে তাঁদের জিম্মাদারের বাড়িতে থাকবেন।
গত সোমবার (১ ডিসেম্বর) সোনালী খাতুনসহ ৪ ভারতীয় নাগরিককে জামিন দেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (তৃতীয়) আদালত। এর আগে চলতি বছরের ২০ আগস্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের আলীনগর থেকে সোনালীসহ ৬ ভারতীয়কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
বিজিবি অধিনায়ক বলেন, অন্তঃসত্ত্বা নারী ও শিশুকে পুশ-ইন করায় সৃষ্ট মানবিক ঝুঁকি এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি নজরে আসে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিজিবি সদর দপ্তরের। এরপর নিবিড় যোগাযোগ ও প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে উভয় দেশের সম্মতিতে ভারতীয় নাগরিকদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় আজ তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হলো। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহীতে অবস্থিত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার ও রাজশাহীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এন এম ওয়াসিম ফিরোজসহ অন্যরা।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম কিবরিয়া বলেন, সোনামসজিদ আইসিপিতে আনুষ্ঠানিক পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে সোনালী খাতুন ও তাঁর ৮ বছরের সন্তান মো. সাব্বির শেখকে বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে প্রতিশ্রুতি দিলেও সোনালী খাতুনের স্বামী দানিশ শেখসহ (২৮) একই এলাকার সুইটি বিবি (৩৩) ও তাঁর দুই সন্তান মো. কুরবান দেওয়ান (১৬) ও মো. ইমাম দেওয়ানকে (৬) গ্রহণ করেনি তারা। দুজনকে নিয়ে যাওয়ার পর বিএসএফ জানায়, কিছুক্ষণের মধ্যেই বাকি চারজনকে ফিরিয়ে নেওয়া হবে। কিন্তু এক ঘণ্টার বেশি সময় অপেক্ষা করলেও বিএসএফ কর্মকর্তারা বাকিদের ফিরিয়ে নিতে আসেননি।
আসামিপক্ষের আইনজীবী একরামুল হক পিন্টু বলেন, অন্তঃসত্ত্বা সোনালী খাতুন যে কোনো সময় সন্তান প্রসব করতে পারেন। এই বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তিনিসহ বাকি আরও তিনজনকে জামিন দেওয়া হয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার নয়াগোলা গ্রামের ফারুক হোসেন তাঁর জিম্মাদার হয়েছেন। তিনি সোনালীর আত্মীয়।
রাজশাহী পুলিশ ও বিজিবি জানায়, ছয় ভারতীয় নাগরিককে কুড়িগ্রামের একটি সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন করে বিএসএফ। পরে চাঁপাইনবাবগঞ্জে তাঁদের বিরুদ্ধে সীমান্তে অনুপ্রবেশ আইনে মামলার পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। তবে ওই ছয়জনের মধ্যে দুজন কোলের শিশু হওয়ায় তাদের মামলায় আসামি করা হয়নি। সে সময় ঘটনাটি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রচারের পর দেশটিতে আলোচনার জন্ম দেয়। পরে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের পরিবার সেই দেশের আদালতে মামলা করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে কলকাতা হাইকোর্ট গত ২৬ সেপ্টেম্বর ৬ ভারতীয় নাগরিককে ফেরাতে ৪ সপ্তাহের সময় বেঁধে দেয়। এর ধারাবাহিকতায় দুজনকে ফেরত পাঠানো সম্ভব হয়েছে।

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশ-ইন করার পর চাঁপাইনবাবগঞ্জে গ্রেপ্তার ছয়জনের মধ্যে অন্তঃসত্ত্বা সোনালী খাতুন ও তাঁর সন্তান মো. সাব্বির শেখকে নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে তাঁদের ভারতে পাঠানো হয়। তবে গ্রেপ্তার অপর চারজনকে গ্রহণ করেনি বিএসএফ। বিজিবির ৫৯ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম কিবরিয়া এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ফেরত যাওয়া সোনালী খাতুন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বীরভূম জেলার পাকুরের বাসিন্দা দানিশ শেখের স্ত্রী। তবে ফেরত না নেওয়া সোনালীর স্বামী দানিশ শেখসহ একই এলাকার চারজন এখন চাঁপাইনবাবগঞ্জে তাঁদের জিম্মাদারের বাড়িতে থাকবেন।
গত সোমবার (১ ডিসেম্বর) সোনালী খাতুনসহ ৪ ভারতীয় নাগরিককে জামিন দেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (তৃতীয়) আদালত। এর আগে চলতি বছরের ২০ আগস্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের আলীনগর থেকে সোনালীসহ ৬ ভারতীয়কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
বিজিবি অধিনায়ক বলেন, অন্তঃসত্ত্বা নারী ও শিশুকে পুশ-ইন করায় সৃষ্ট মানবিক ঝুঁকি এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি নজরে আসে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিজিবি সদর দপ্তরের। এরপর নিবিড় যোগাযোগ ও প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে উভয় দেশের সম্মতিতে ভারতীয় নাগরিকদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় আজ তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হলো। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহীতে অবস্থিত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার ও রাজশাহীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এন এম ওয়াসিম ফিরোজসহ অন্যরা।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম কিবরিয়া বলেন, সোনামসজিদ আইসিপিতে আনুষ্ঠানিক পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে সোনালী খাতুন ও তাঁর ৮ বছরের সন্তান মো. সাব্বির শেখকে বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে প্রতিশ্রুতি দিলেও সোনালী খাতুনের স্বামী দানিশ শেখসহ (২৮) একই এলাকার সুইটি বিবি (৩৩) ও তাঁর দুই সন্তান মো. কুরবান দেওয়ান (১৬) ও মো. ইমাম দেওয়ানকে (৬) গ্রহণ করেনি তারা। দুজনকে নিয়ে যাওয়ার পর বিএসএফ জানায়, কিছুক্ষণের মধ্যেই বাকি চারজনকে ফিরিয়ে নেওয়া হবে। কিন্তু এক ঘণ্টার বেশি সময় অপেক্ষা করলেও বিএসএফ কর্মকর্তারা বাকিদের ফিরিয়ে নিতে আসেননি।
আসামিপক্ষের আইনজীবী একরামুল হক পিন্টু বলেন, অন্তঃসত্ত্বা সোনালী খাতুন যে কোনো সময় সন্তান প্রসব করতে পারেন। এই বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তিনিসহ বাকি আরও তিনজনকে জামিন দেওয়া হয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার নয়াগোলা গ্রামের ফারুক হোসেন তাঁর জিম্মাদার হয়েছেন। তিনি সোনালীর আত্মীয়।
রাজশাহী পুলিশ ও বিজিবি জানায়, ছয় ভারতীয় নাগরিককে কুড়িগ্রামের একটি সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন করে বিএসএফ। পরে চাঁপাইনবাবগঞ্জে তাঁদের বিরুদ্ধে সীমান্তে অনুপ্রবেশ আইনে মামলার পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। তবে ওই ছয়জনের মধ্যে দুজন কোলের শিশু হওয়ায় তাদের মামলায় আসামি করা হয়নি। সে সময় ঘটনাটি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রচারের পর দেশটিতে আলোচনার জন্ম দেয়। পরে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের পরিবার সেই দেশের আদালতে মামলা করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে কলকাতা হাইকোর্ট গত ২৬ সেপ্টেম্বর ৬ ভারতীয় নাগরিককে ফেরাতে ৪ সপ্তাহের সময় বেঁধে দেয়। এর ধারাবাহিকতায় দুজনকে ফেরত পাঠানো সম্ভব হয়েছে।

ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে হত্যা মামলার তিন আসামিকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে আনিস মিয়া, রাশেদুল ইসলাম ও জাকিরুল ইসলাম কর্তৃপক্ষের নির্দেশে কারাগার ছাড়েন। তাদের বাড়ি ময়মনসিংহের তারাকান্দার তারাটি এলাকায়।
২ ঘণ্টা আগে
প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত কোনো ব্যক্তি গণভোট বিষয়ে জনগণকে অবহিত ও সচেতন করতে পারবেন। তবে তিনি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ কিংবা ‘না’–এর পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য জনগণকে আহ্বান জানাতে পারবেন না।
২ ঘণ্টা আগে
বিএনপি নেতাকর্মীর সঙ্গে সংঘর্ষে শেরপুরে জামায়াতে ইসলামীর নেতা নিহতের ঘটনায় ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশরাফুল আলম এবং ওসি নাজমুল হাসানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
রাজধানী ঢাকায় বঙ্গবন্ধু ল’ কলেজের নাম পরিবর্তন করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এখন থেকে এই আইন শিক্ষার প্রতিষ্ঠানটি ড. আনোয়ার ল’ কলেজ নামে পরিচালিত হবে। ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর কলেজ কর্তৃপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে