জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

আশুলিয়ায় রিকশা চোর সন্দেহে নারীকে বেঁধে নির্যাতন

আশুলিয়ার পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় মঙ্গলবার এক নারীকে নির্যাতনের ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দেখা যায়, ভুক্তভোগী নারী নিজেকে নির্দোষ দাবি করে উপস্থিত লোকজনের কাছে তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য বারবার অনুনয় করছিলেন। একপর্যায়ে এক ব্যক্তি রশি ধরে টেনে-হিঁচড়ে তাঁকে পাশের গলিতে নিয়ে যান।

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
সাভার, ঢাকা

প্রকাশ : ০৪ নভেম্বর ২০২৫, ২০: ২১
আশুলিয়ার পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় মঙ্গলবার এক নারীকে বেঁধে নির্যাতন করেন কয়েকজন। সংগৃহীত ছবি

ঢাকার আশুলিয়ার পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় মোটরচালিত রিকশা চোর সন্দেহে এক নারীকে বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে। এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে, তা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

আজ মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে পল্লীবিদ্যুৎ স্ট্যান্ড এলাকায় ওই নারীকে মারধরের ঘটনা ঘটে। তবে নির্যাতনের শিকার নারী ও তাঁকে মারধরকারী কেউ এখনো শনাক্ত হননি।

ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, ২৫ থেকে ৩০ বছর বয়সী বোরকা পরা এক নারীকে রশি দিয়ে হাত বেঁধে রাস্তায় ফেলে রেখেছেন এক ব্যক্তি। আশপাশে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজন তাঁকে ঘিরে নানা প্রশ্ন করছিলেন। একজন জিজ্ঞেস করছিলেন, তিনি অটোরিকশা চোর কিনা। এ সময় ভুক্তভোগী নারী নিজেকে নির্দোষ দাবি করে, উপস্থিত লোকজনের কাছে তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য বারবার অনুনয় করছিলেন। একপর্যায়ে এক ব্যক্তি রশি ধরে টেনে-হিঁচড়ে তাঁকে পাশের গলিতে নিয়ে যান। সেখানে লোকজন আবারও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এ সময় নারীটি বলেন, পেটের দায়ে তিনি যৌনকর্মী হিসেবে কাজ করেন, তবে তিনি চুরি করেন না।

ভিডিও ধারণকারী স্থানীয় ব্যক্তি নাম না প্রকাশের শর্তে স্ট্রিমকে বলেন, ‘সকালে ঘটনাস্থলের (পল্লীবিদ্যুৎ স্ট্যান্ড) পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম। দেখি, এক নারীকে কয়েকজন অটোরিকশা চোর সন্দেহে বেঁধে মারধর করছে। আমি তাদের থামাতে বলেছিলাম, কিন্তু কেউ শোনেননি। পরে ভিডিও করে চলে আসি। পরে জানতে পারি, ওই নারীকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’

নারীকে বেঁধে নির্যাতনের বিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হান্নান বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছিল। তবে স্থানীয়রা তেমন কোনো তথ্য দিতে পারেনি। তবুও আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি। ভুক্তভোগী নারী ও ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।’

Ad 300x250
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত