স্ট্রিম প্রতিবেদক
সবশেষ পাঁচটি জাতীয় নির্বাচনের তুলনায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঋণগ্রস্ত প্রার্থীর সংখ্যা কমেছে। তবে টাকার অংকে মোট ঋণের পরিমাণ অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। এবারের নির্বাচনে প্রার্থীদের মোট ঋণের পরিমাণ ১৮ হাজার ৮৬৮ কোটি টাকা। হলফনামা বিশ্লেষণ করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) এসব তথ্য জানিয়েছে। সংস্থাটির বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, প্রধান দলগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে (বিএনপি) প্রার্থীদের ঋণগ্রস্ত হওয়ার হার সবচেয়ে বেশি।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ২৯৮টিতে (দুটিতে স্থগিত করা হয়েছিল) মোট প্রার্থীসংখ্যা ১ হাজার ৯৮১ জন। এরমধ্যে ২৪৯ জন স্বতন্ত্র এবং ১৭৩২ জন দলীয় প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে লড়ছেন। টিআইবি বলছে, এই প্রার্থীদের ২৫ দশমিক ৫৭ শতাংশেরই কোনো না কোনো দায় বা ঋণ আছে। অবশ্য বিগত কয়েকটি নির্বাচনের তুলনায় প্রার্থীর সংখ্যার হিসেবে এই হার সর্বনিম্ন। এর আগে ২০২৪ সালের নির্বাচনে ২৭ দশমিক ৬২ শতাংশ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে ২৮ দশমিক ৯১ শতাংশ, ২০১৪ সালে ৪২ দশমিক ৫৪ শতাংশ এবং ২০০৮ সালের নির্বাচনে ৩৭ দশমিক ১৬ শতাংশ প্রার্থীর দায় বা ঋণ ছিল।

এবারের নির্বাচনে প্রার্থীদের মোট দায়-দেনা ও ঋণের বড় অংশই ব্যাংক ঋণ। মোট ঋণের মধ্যে ব্যাংক ঋণই রয়েছে ১৭ হাজার ৪১৭ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। আর ব্যক্তিগত ও অন্যান্য খাত থেকে নেওয়া ঋণের পরিমাণ ১ হাজার ৩৯৬ কোটি টাকা।
বিশ্লেষণে আরও দেখা যায়, নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের মধ্যে ৬৭ শতাংশেরই ব্যাংক ঋণ রয়েছে। ব্যক্তিগত ও অন্যান্য ঋণ আছে ৫৪ দশমিক ৯৮ শতাংশের। যে সব প্রার্থী ব্যাংক ঋণ নিয়েছেন, তাদের ৬১ শতাংশই একক ঋণ হিসেবে নিয়েছেন। এছাড়া প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা পরিচালক হওয়ার কারণেও ১৭ শতাংশ প্রার্থী ঋণগ্রস্ত হয়েছেন। যৌথ ঋণ আছে ১৩ শতাংশ প্রার্থীর ও নির্ভরশীল ঋণ ৯ শতাংশ।
হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, শীর্ষ রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিএনপির প্রার্থীদের ঋণ বা দায়গ্রস্ত হওয়ার হার সবচেয়ে বেশি, যা ৫৯ দশমিক ৪১ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা, যাদের ৩২ দশমিক ৭৯ শতাংশ ঋণগ্রস্ত। তৃতীয় অবস্থানে থাকা জাতীয় পার্টির ২৬ দশমিক ৯৭ শতাংশ প্রার্থীর ঋণ বা দায় রয়েছে।

এরপর যথাক্রমে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) ২৫ শতাংশ এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ২২.২৬ শতাংশ প্রার্থী ঋণ বা দায়গ্রস্ত। এছাড়াও আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গণঅধিকার পরিষদ, খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস-এর প্রার্থীদের ঋণ বা দায়ের হার যথাক্রমে ১৯ দশমিক ২৩ শতাংশ, ১৬ দশমিক ৭৯ শতাংশ, ১৩ দশমিক ৪০ শতাংশ, ১২ দশমিক ৬৮ শতাংশ ও ১০ দশমিক ৫৯ শতাংশ।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ঋণগ্রস্ত প্রার্থী হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এ কে একরামুজ্জামান। তাঁর ঋণের পরিমাণ ৩ হাজার ১৫৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। আরএকে সিরামিকসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) একরামুজ্জামান একসময় বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ছিলেন। তবে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার পর তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

এরপর ১ হাজার কোটি টাকার বেশি ঋণ রয়েছে এমন বাকি চারজনই বিএনপি মনোনীত প্রার্থী। তাঁরা হলেন—হবিগঞ্জ-৪ আসনের এস এম ফয়সল (২০৪১ কোটি ৪৮ লাখ টাকা), ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের মো. খালেদ হোসেন মাহবুব (১৪৭৯ কোটি ৮২ লাখ টাকা), মানিকগঞ্জ-৩ আসনের আফরোজা খানম (১৩৬০ কোটি ৩৬ লাখ টাকা) এবং মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের মো. আব্দুল্লাহ (১১১৫ কোটি ৭২ লাখ টাকা)।
এছাড়াও ঋণ রয়েছে এমন প্রার্থীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন—নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শাহ আলম (৮২৪ কোটি ৪৪ লাখ টাকা), বগুড়া-১ আসনের বিএনপির কাজী রফিকুল ইসলাম (৭৪৮ কোটি ৭৮ লাখ টাকা), চট্টগ্রাম-৪ আসনের বিএনপির মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী (৬৯৯ কোটি ৯৩ লাখ টাকা) ও চট্টগ্রাম-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী (৬৯৮ কোটি ৫৪ লাখ টাকা)।
সবশেষ পাঁচটি জাতীয় নির্বাচনের তুলনায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঋণগ্রস্ত প্রার্থীর সংখ্যা কমেছে। তবে টাকার অংকে মোট ঋণের পরিমাণ অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। এবারের নির্বাচনে প্রার্থীদের মোট ঋণের পরিমাণ ১৮ হাজার ৮৬৮ কোটি টাকা। হলফনামা বিশ্লেষণ করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) এসব তথ্য জানিয়েছে। সংস্থাটির বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, প্রধান দলগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে (বিএনপি) প্রার্থীদের ঋণগ্রস্ত হওয়ার হার সবচেয়ে বেশি।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ২৯৮টিতে (দুটিতে স্থগিত করা হয়েছিল) মোট প্রার্থীসংখ্যা ১ হাজার ৯৮১ জন। এরমধ্যে ২৪৯ জন স্বতন্ত্র এবং ১৭৩২ জন দলীয় প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে লড়ছেন। টিআইবি বলছে, এই প্রার্থীদের ২৫ দশমিক ৫৭ শতাংশেরই কোনো না কোনো দায় বা ঋণ আছে। অবশ্য বিগত কয়েকটি নির্বাচনের তুলনায় প্রার্থীর সংখ্যার হিসেবে এই হার সর্বনিম্ন। এর আগে ২০২৪ সালের নির্বাচনে ২৭ দশমিক ৬২ শতাংশ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে ২৮ দশমিক ৯১ শতাংশ, ২০১৪ সালে ৪২ দশমিক ৫৪ শতাংশ এবং ২০০৮ সালের নির্বাচনে ৩৭ দশমিক ১৬ শতাংশ প্রার্থীর দায় বা ঋণ ছিল।

এবারের নির্বাচনে প্রার্থীদের মোট দায়-দেনা ও ঋণের বড় অংশই ব্যাংক ঋণ। মোট ঋণের মধ্যে ব্যাংক ঋণই রয়েছে ১৭ হাজার ৪১৭ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। আর ব্যক্তিগত ও অন্যান্য খাত থেকে নেওয়া ঋণের পরিমাণ ১ হাজার ৩৯৬ কোটি টাকা।
বিশ্লেষণে আরও দেখা যায়, নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের মধ্যে ৬৭ শতাংশেরই ব্যাংক ঋণ রয়েছে। ব্যক্তিগত ও অন্যান্য ঋণ আছে ৫৪ দশমিক ৯৮ শতাংশের। যে সব প্রার্থী ব্যাংক ঋণ নিয়েছেন, তাদের ৬১ শতাংশই একক ঋণ হিসেবে নিয়েছেন। এছাড়া প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা পরিচালক হওয়ার কারণেও ১৭ শতাংশ প্রার্থী ঋণগ্রস্ত হয়েছেন। যৌথ ঋণ আছে ১৩ শতাংশ প্রার্থীর ও নির্ভরশীল ঋণ ৯ শতাংশ।
হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, শীর্ষ রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিএনপির প্রার্থীদের ঋণ বা দায়গ্রস্ত হওয়ার হার সবচেয়ে বেশি, যা ৫৯ দশমিক ৪১ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা, যাদের ৩২ দশমিক ৭৯ শতাংশ ঋণগ্রস্ত। তৃতীয় অবস্থানে থাকা জাতীয় পার্টির ২৬ দশমিক ৯৭ শতাংশ প্রার্থীর ঋণ বা দায় রয়েছে।

এরপর যথাক্রমে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) ২৫ শতাংশ এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ২২.২৬ শতাংশ প্রার্থী ঋণ বা দায়গ্রস্ত। এছাড়াও আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গণঅধিকার পরিষদ, খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস-এর প্রার্থীদের ঋণ বা দায়ের হার যথাক্রমে ১৯ দশমিক ২৩ শতাংশ, ১৬ দশমিক ৭৯ শতাংশ, ১৩ দশমিক ৪০ শতাংশ, ১২ দশমিক ৬৮ শতাংশ ও ১০ দশমিক ৫৯ শতাংশ।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ঋণগ্রস্ত প্রার্থী হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এ কে একরামুজ্জামান। তাঁর ঋণের পরিমাণ ৩ হাজার ১৫৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। আরএকে সিরামিকসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) একরামুজ্জামান একসময় বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ছিলেন। তবে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার পর তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

এরপর ১ হাজার কোটি টাকার বেশি ঋণ রয়েছে এমন বাকি চারজনই বিএনপি মনোনীত প্রার্থী। তাঁরা হলেন—হবিগঞ্জ-৪ আসনের এস এম ফয়সল (২০৪১ কোটি ৪৮ লাখ টাকা), ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের মো. খালেদ হোসেন মাহবুব (১৪৭৯ কোটি ৮২ লাখ টাকা), মানিকগঞ্জ-৩ আসনের আফরোজা খানম (১৩৬০ কোটি ৩৬ লাখ টাকা) এবং মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের মো. আব্দুল্লাহ (১১১৫ কোটি ৭২ লাখ টাকা)।
এছাড়াও ঋণ রয়েছে এমন প্রার্থীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন—নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শাহ আলম (৮২৪ কোটি ৪৪ লাখ টাকা), বগুড়া-১ আসনের বিএনপির কাজী রফিকুল ইসলাম (৭৪৮ কোটি ৭৮ লাখ টাকা), চট্টগ্রাম-৪ আসনের বিএনপির মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী (৬৯৯ কোটি ৯৩ লাখ টাকা) ও চট্টগ্রাম-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী (৬৯৮ কোটি ৫৪ লাখ টাকা)।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
২ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
২ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৩ ঘণ্টা আগে