স্ট্রিম ডেস্ক

বাংলাদেশের বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান পাকিস্তানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাওয়ালপিন্ডি ও ইসলামাবাদে দেশটির সেনাপ্রধান এবং নৌপ্রধানের সঙ্গে পৃথক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে দুই দেশের প্রতিরক্ষা ও সামরিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে।
রাওয়ালপিন্ডির জেনারেল হেডকোয়ার্টার্সে (জিএইচকিউ) পাকিস্তানের চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস (সিডিএফ) ও সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বিমান বাহিনী প্রধান। বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে কথা হয়। উভয় পক্ষ পেশাগত সহযোগিতা জোরদার এবং প্রশিক্ষণ বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে।
আইএসপিআর জানায়, আসিম মুনির বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী প্রতিরক্ষা সম্পর্ক গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। বিমান বাহিনী প্রধান পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেন।
আলাদাভাবে ইসলামাবাদে নৌ সদর দপ্তরে পাকিস্তানের নৌপ্রধান অ্যাডমিরাল নাভিদ আশরাফের সঙ্গে বৈঠক করেন এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান। সেখানেও দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার উপায় নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে যৌথ প্রশিক্ষণ মহড়া ও উচ্চপর্যায়ের সফর বিনিময়ের বিষয়ে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে। নৌপ্রধান আঞ্চলিক সমুদ্রসীমায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় পাকিস্তান নৌবাহিনীর উদ্যোগগুলো তুলে ধরেন।
এর আগে গত মঙ্গলবার হাসান মাহমুদ খান পাকিস্তানের বিমান বাহিনী প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ওই বৈঠকে জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান কেনার সম্ভাব্য সুযোগ বা ‘পটেনশিয়াল প্রকিউরমেন্ট’ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে আইএসপিআর জানিয়েছে।
আইএসপিআর এই সফরকে দুই দেশের গভীর সম্পর্কের প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করেছে। এর আগে গত বছরের নভেম্বরে পাকিস্তানের নৌপ্রধান অ্যাডমিরাল আশরাফ ঢাকা সফর করেছিলেন। সেই সফরকে দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রে ‘মাইলফলক’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছিল।

বাংলাদেশের বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান পাকিস্তানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাওয়ালপিন্ডি ও ইসলামাবাদে দেশটির সেনাপ্রধান এবং নৌপ্রধানের সঙ্গে পৃথক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে দুই দেশের প্রতিরক্ষা ও সামরিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে।
রাওয়ালপিন্ডির জেনারেল হেডকোয়ার্টার্সে (জিএইচকিউ) পাকিস্তানের চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস (সিডিএফ) ও সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বিমান বাহিনী প্রধান। বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে কথা হয়। উভয় পক্ষ পেশাগত সহযোগিতা জোরদার এবং প্রশিক্ষণ বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে।
আইএসপিআর জানায়, আসিম মুনির বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী প্রতিরক্ষা সম্পর্ক গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। বিমান বাহিনী প্রধান পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেন।
আলাদাভাবে ইসলামাবাদে নৌ সদর দপ্তরে পাকিস্তানের নৌপ্রধান অ্যাডমিরাল নাভিদ আশরাফের সঙ্গে বৈঠক করেন এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান। সেখানেও দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার উপায় নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে যৌথ প্রশিক্ষণ মহড়া ও উচ্চপর্যায়ের সফর বিনিময়ের বিষয়ে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে। নৌপ্রধান আঞ্চলিক সমুদ্রসীমায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় পাকিস্তান নৌবাহিনীর উদ্যোগগুলো তুলে ধরেন।
এর আগে গত মঙ্গলবার হাসান মাহমুদ খান পাকিস্তানের বিমান বাহিনী প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ওই বৈঠকে জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান কেনার সম্ভাব্য সুযোগ বা ‘পটেনশিয়াল প্রকিউরমেন্ট’ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে আইএসপিআর জানিয়েছে।
আইএসপিআর এই সফরকে দুই দেশের গভীর সম্পর্কের প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করেছে। এর আগে গত বছরের নভেম্বরে পাকিস্তানের নৌপ্রধান অ্যাডমিরাল আশরাফ ঢাকা সফর করেছিলেন। সেই সফরকে দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রে ‘মাইলফলক’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছিল।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৪ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৫ ঘণ্টা আগে