স্ট্রিম প্রতিবেদক

মৎস্য খাতের আয়ের আড়ালে ৪ কোটি ৫৫ লাখ টাকার বেশি অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। এ ছাড়া ব্যাংক হিসাবে ২৩ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য মিলেছে। এসব অভিযোগে সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তদন্তে তাঁর প্রদর্শিত মৎস্য খাতের আয়ের সপক্ষে কোনো দালিলিক প্রমাণ মেলেনি। বাস্তবেও কোনো খামারের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) কমিশন এই অভিযোগপত্র দাখিলের অনুমোদন দেয়। এর আগে গত বছরের ৩০ জানুয়ারি তাঁর বিরুদ্ধে মামলাটি করা হয়েছিল।
তদন্ত প্রতিবেদন ও মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৪-১৫ করবর্ষের আগে শরীফ আহমেদের সঞ্চয় ছিল মাত্র ৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা। তবে সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী হওয়ার পর তাঁর সম্পদ ও আর্থিক লেনদেন অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে।
২০১৪-১৫ থেকে ২০২৪-২৫ করবর্ষ পর্যন্ত তিনি ৬ কোটি ৯৯ লাখ ৩ হাজার ১৮ টাকা আয় দেখান। এর মধ্যে শুধু মৎস্য খাত থেকেই ৪ কোটি ৪৩ লাখ ৮৩ হাজার ৪৫৩ টাকা আয়ের দাবি করেন তিনি। তবে দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা সরেজমিনে মৎস্য চাষের কোনো অস্তিত্ব পাননি। এই আয়ের সপক্ষে কোনো বৈধ কাগজপত্রও নেই। ফলে ৪ কোটি ৪৩ লাখ টাকাকে অবৈধ আয় হিসেবে চিহ্নিত করেছে দুদক।
দুদকের হিসাব অনুযায়ী, মৎস্য খাতের ভুয়া আয় বাদ দিলে তাঁর বৈধ আয় দাঁড়ায় ২ কোটি ৫৫ লাখ ১৯ হাজার ৫৬৫ টাকা। একই সময়ে তাঁর পারিবারিক ব্যয় ছিল ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৯ হাজার ৮৮১ টাকা। সেই হিসাবে খরচ বাদে তাঁর নিট বৈধ সঞ্চয় থাকার কথা ১ কোটি ৩১ লাখ ৭৯ হাজার ৬৮৪ টাকা।
তবে তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে, শরীফ আহমেদ ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৪ কোটি ৫৫ লাখ ১৮ হাজার ৫৮১ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। এসব সম্পদ তিনি নিজের ভোগদখলে রেখেছেন।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, শরীফ আহমেদের নামে বিভিন্ন ব্যাংকে ১২টি হিসাব রয়েছে। এসব হিসাবের মাধ্যমে অস্বাভাবিক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তদন্তের সময় ওই সব হিসাবে ২৩ কোটি ৮ লাখ ২৩ হাজার ৪০৯ টাকা জমা পড়ার তথ্য মিলেছে। এ ছাড়া ১৯ কোটি ৬০ লাখ ৫৮ হাজার ৪০৭ টাকা উত্তোলনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
আয়ের উৎসের সঙ্গে মিল না থাকায় এসব লেনদেনকে অর্থপাচার আইনের আওতায় অপরাধ হিসেবে গণ্য করেছে দুদক। অবৈধ উপায়ে অর্জিত টাকা লেনদেনের জন্যই ব্যাংকিং চ্যানেল ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় শরীফ আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন ও অর্থপাচার আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগপত্র অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. মিজানুর রহমান।

মৎস্য খাতের আয়ের আড়ালে ৪ কোটি ৫৫ লাখ টাকার বেশি অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। এ ছাড়া ব্যাংক হিসাবে ২৩ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য মিলেছে। এসব অভিযোগে সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তদন্তে তাঁর প্রদর্শিত মৎস্য খাতের আয়ের সপক্ষে কোনো দালিলিক প্রমাণ মেলেনি। বাস্তবেও কোনো খামারের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) কমিশন এই অভিযোগপত্র দাখিলের অনুমোদন দেয়। এর আগে গত বছরের ৩০ জানুয়ারি তাঁর বিরুদ্ধে মামলাটি করা হয়েছিল।
তদন্ত প্রতিবেদন ও মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৪-১৫ করবর্ষের আগে শরীফ আহমেদের সঞ্চয় ছিল মাত্র ৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা। তবে সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী হওয়ার পর তাঁর সম্পদ ও আর্থিক লেনদেন অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে।
২০১৪-১৫ থেকে ২০২৪-২৫ করবর্ষ পর্যন্ত তিনি ৬ কোটি ৯৯ লাখ ৩ হাজার ১৮ টাকা আয় দেখান। এর মধ্যে শুধু মৎস্য খাত থেকেই ৪ কোটি ৪৩ লাখ ৮৩ হাজার ৪৫৩ টাকা আয়ের দাবি করেন তিনি। তবে দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা সরেজমিনে মৎস্য চাষের কোনো অস্তিত্ব পাননি। এই আয়ের সপক্ষে কোনো বৈধ কাগজপত্রও নেই। ফলে ৪ কোটি ৪৩ লাখ টাকাকে অবৈধ আয় হিসেবে চিহ্নিত করেছে দুদক।
দুদকের হিসাব অনুযায়ী, মৎস্য খাতের ভুয়া আয় বাদ দিলে তাঁর বৈধ আয় দাঁড়ায় ২ কোটি ৫৫ লাখ ১৯ হাজার ৫৬৫ টাকা। একই সময়ে তাঁর পারিবারিক ব্যয় ছিল ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৯ হাজার ৮৮১ টাকা। সেই হিসাবে খরচ বাদে তাঁর নিট বৈধ সঞ্চয় থাকার কথা ১ কোটি ৩১ লাখ ৭৯ হাজার ৬৮৪ টাকা।
তবে তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে, শরীফ আহমেদ ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৪ কোটি ৫৫ লাখ ১৮ হাজার ৫৮১ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। এসব সম্পদ তিনি নিজের ভোগদখলে রেখেছেন।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, শরীফ আহমেদের নামে বিভিন্ন ব্যাংকে ১২টি হিসাব রয়েছে। এসব হিসাবের মাধ্যমে অস্বাভাবিক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তদন্তের সময় ওই সব হিসাবে ২৩ কোটি ৮ লাখ ২৩ হাজার ৪০৯ টাকা জমা পড়ার তথ্য মিলেছে। এ ছাড়া ১৯ কোটি ৬০ লাখ ৫৮ হাজার ৪০৭ টাকা উত্তোলনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
আয়ের উৎসের সঙ্গে মিল না থাকায় এসব লেনদেনকে অর্থপাচার আইনের আওতায় অপরাধ হিসেবে গণ্য করেছে দুদক। অবৈধ উপায়ে অর্জিত টাকা লেনদেনের জন্যই ব্যাংকিং চ্যানেল ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় শরীফ আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন ও অর্থপাচার আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগপত্র অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. মিজানুর রহমান।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৩ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে