স্ট্রিম প্রতিবেদক

দেশে চোরাই ও অবৈধ মোবাইল হ্যান্ডসেটের আমদানি বন্ধ এবং চুরি হওয়া বা অপরাধে ব্যবহৃত ফোনের ট্র্যাকিং সহজ করতে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিফিকেশন রেজিস্টার (এনইআইআর) পূর্ণাঙ্গরূপে চালু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এই সিস্টেমের মাধ্যমে দেশের নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত প্রতিটি মোবাইল হ্যান্ডসেট নিবন্ধিত হবে। এর ফলে কোন মোবাইল হ্যান্ডসেট বৈধ বা অবৈধ, তা সহজেই শনাক্ত করা যাবে এবং প্রয়োজনে বিটিআরসি নিজস্ব নেটওয়ার্ক থেকেই নির্দিষ্ট ফোন বন্ধ করে দিতে পারবে।
এই সিস্টেমের মাধ্যমে দেশের নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত প্রতিটি মোবাইল হ্যান্ডসেট নিবন্ধিত হবে, যার ফলে সহজেই বৈধ ও অবৈধ সেট শনাক্ত করা সম্ভব হবে। শুধু তা-ই নয়, চুরি হওয়া বা অপরাধে ব্যবহৃত মোবাইল ট্র্যাকিংয়েও এই সিস্টেম কার্যকর হবে ।
আজ বুধবার বিটিআরসির বোর্ড রুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সংস্থাটির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারী এ ঘোষণা দেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে এই উদ্যোগের তাৎপর্য প্রসঙ্গে বিটিআরসি চেয়ারম্যান বলেন, 'এনইআইআর চালুর মাধ্যমে দেশের নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত প্রতিটি মোবাইল হ্যান্ডসেটের নিবন্ধন হবে। ফলে সহজেই বোঝা যাবে কোনো সেট বৈধ না অবৈধ।'
উল্লেখ্য, এনইআইআর সিস্টেমটি চালুর উদ্যোগ এবারই প্রথম নয়। ২০২১ সালেও বিটিআরসি এই সিস্টেমটি চালু করেছিল, কিন্তু পরবর্তী সময়ে এর মূল কার্যকারিতা স্থগিত রাখা হয়। এই সুযোগে দেশে অবৈধ বা গ্রে মার্কেটের মোবাইলের ব্যবসা ব্যাপক আকার ধারণ করে। তথ্য অনুযায়ী, দেশের স্মার্টফোন বাজারের প্রায় ৪০ শতাংশই গ্রে মার্কেটের দখলে, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা। কর ফাঁকি দিয়ে আসা এসব ফোনের কারণে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল।
দেশে ডিজিটাল সেবার পরিধি বাড়ানোর ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করে চেয়ারম্যান বলেন, 'দেশে বর্তমানে প্রায় ৩৭ থেকে ৩৮ শতাংশ হ্যান্ডসেট এখনও নন-স্মার্ট বা সাধারণ ধরনের। এতে ডিজিটাল সেবার পরিধি সীমিত হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হ্যান্ডসেটের ব্যবহার বাড়াতে এবং বৈধ বাজার সুরক্ষায় এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।'
দেশীয় শিল্পের সুরক্ষায় এই সিস্টেমের ভূমিকা ব্যাখ্যা করে বিটিআরসি চেয়ারম্যান বলেন, '২০১৭ সালের গাইডলাইনের ভিত্তিতে ২০১৮ সাল থেকে দেশে মোবাইল উৎপাদন শুরু হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ১৮টি কোম্পানি স্থানীয়ভাবে ফোন তৈরি করছে। দেশে উৎপাদিত ফোন দিয়ে মোট চাহিদার সিংহভাগ পূরণ করা সম্ভব হলেও চোরাই ও রিফারবিশড হ্যান্ডসেট বাজারে আসায় দাম কমানো সম্ভব হচ্ছে না। নতুন এই সিস্টেম অবৈধ মোবাইল ফোন শনাক্তে সাহায্য করবে এবং দেশীয় কোম্পানিগুলোকে প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখবে।'
বিটিআরসি চেয়ারম্যান আরও উল্লেখ করেন, 'একটি মোবাইল ফোন ও তার সাঙ্গে ব্যবহৃত সিম একসঙ্গে শনাক্ত করা সম্ভব হবে। অর্থাৎ, নির্দিষ্ট ফোনে নির্দিষ্ট সিমই ব্যবহার করা যাবে। অন্য ব্যক্তির নামে নিবন্ধিত সিম নিজের হ্যান্ডসেটে ব্যবহার করতে গেলে সেটি আর ব্যবহার করা যাবে না। প্রয়োজনে পুনরায় নিবন্ধন করতে হবে।'
অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এই সিস্টেমের কার্যকারিতা নিয়ে তিনি বলেন, 'চুরি হওয়া বা অপরাধে ব্যবহৃত মোবাইল ট্র্যাকিংয়েও এই সিস্টেম কার্যকর হবে। এখন থেকে প্রয়োজনে আমরা নেটওয়ার্ক থেকেই কোনো নির্দিষ্ট ফোন বন্ধ করে দিতে পারব।'
মোবাইল ফোন ও সিম নিবন্ধনে কড়াকড়ি আরোপের কথা জানিয়ে চেয়ারম্যান বলেন, 'মোবাইল সিম রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমও এখন আরও কঠোর করা হয়েছে। ২০১৬-২০১৭ সালে সিম রেজিস্ট্রেশন ও বায়োমেট্রিক যাচাইয়ের পরও কিছু অনিয়ম ছিল। আগামী ১ নভেম্বর ২০২৫ থেকেই অতিরিক্ত সিম নিষ্ক্রিয় করবে সিম সরবরাহকারী অপারেটররা। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে আমরা নিশ্চিত করব, কোনো এনআইডির নামে ১০টির বেশি সিম সক্রিয় থাকবে না।'
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়ে তিনি জানান, ধাপে ধাপে এই সংখ্যা আরও কমানো হতে পারে, তবে সাধারণ গ্রাহকের যেন ভোগান্তি না হয়, তা নিশ্চিত করবে বিটিআরসি।
এ সময় অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব উপস্থিত ছিলেন।

দেশে চোরাই ও অবৈধ মোবাইল হ্যান্ডসেটের আমদানি বন্ধ এবং চুরি হওয়া বা অপরাধে ব্যবহৃত ফোনের ট্র্যাকিং সহজ করতে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিফিকেশন রেজিস্টার (এনইআইআর) পূর্ণাঙ্গরূপে চালু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এই সিস্টেমের মাধ্যমে দেশের নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত প্রতিটি মোবাইল হ্যান্ডসেট নিবন্ধিত হবে। এর ফলে কোন মোবাইল হ্যান্ডসেট বৈধ বা অবৈধ, তা সহজেই শনাক্ত করা যাবে এবং প্রয়োজনে বিটিআরসি নিজস্ব নেটওয়ার্ক থেকেই নির্দিষ্ট ফোন বন্ধ করে দিতে পারবে।
এই সিস্টেমের মাধ্যমে দেশের নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত প্রতিটি মোবাইল হ্যান্ডসেট নিবন্ধিত হবে, যার ফলে সহজেই বৈধ ও অবৈধ সেট শনাক্ত করা সম্ভব হবে। শুধু তা-ই নয়, চুরি হওয়া বা অপরাধে ব্যবহৃত মোবাইল ট্র্যাকিংয়েও এই সিস্টেম কার্যকর হবে ।
আজ বুধবার বিটিআরসির বোর্ড রুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সংস্থাটির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারী এ ঘোষণা দেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে এই উদ্যোগের তাৎপর্য প্রসঙ্গে বিটিআরসি চেয়ারম্যান বলেন, 'এনইআইআর চালুর মাধ্যমে দেশের নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত প্রতিটি মোবাইল হ্যান্ডসেটের নিবন্ধন হবে। ফলে সহজেই বোঝা যাবে কোনো সেট বৈধ না অবৈধ।'
উল্লেখ্য, এনইআইআর সিস্টেমটি চালুর উদ্যোগ এবারই প্রথম নয়। ২০২১ সালেও বিটিআরসি এই সিস্টেমটি চালু করেছিল, কিন্তু পরবর্তী সময়ে এর মূল কার্যকারিতা স্থগিত রাখা হয়। এই সুযোগে দেশে অবৈধ বা গ্রে মার্কেটের মোবাইলের ব্যবসা ব্যাপক আকার ধারণ করে। তথ্য অনুযায়ী, দেশের স্মার্টফোন বাজারের প্রায় ৪০ শতাংশই গ্রে মার্কেটের দখলে, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা। কর ফাঁকি দিয়ে আসা এসব ফোনের কারণে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল।
দেশে ডিজিটাল সেবার পরিধি বাড়ানোর ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করে চেয়ারম্যান বলেন, 'দেশে বর্তমানে প্রায় ৩৭ থেকে ৩৮ শতাংশ হ্যান্ডসেট এখনও নন-স্মার্ট বা সাধারণ ধরনের। এতে ডিজিটাল সেবার পরিধি সীমিত হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হ্যান্ডসেটের ব্যবহার বাড়াতে এবং বৈধ বাজার সুরক্ষায় এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।'
দেশীয় শিল্পের সুরক্ষায় এই সিস্টেমের ভূমিকা ব্যাখ্যা করে বিটিআরসি চেয়ারম্যান বলেন, '২০১৭ সালের গাইডলাইনের ভিত্তিতে ২০১৮ সাল থেকে দেশে মোবাইল উৎপাদন শুরু হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ১৮টি কোম্পানি স্থানীয়ভাবে ফোন তৈরি করছে। দেশে উৎপাদিত ফোন দিয়ে মোট চাহিদার সিংহভাগ পূরণ করা সম্ভব হলেও চোরাই ও রিফারবিশড হ্যান্ডসেট বাজারে আসায় দাম কমানো সম্ভব হচ্ছে না। নতুন এই সিস্টেম অবৈধ মোবাইল ফোন শনাক্তে সাহায্য করবে এবং দেশীয় কোম্পানিগুলোকে প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখবে।'
বিটিআরসি চেয়ারম্যান আরও উল্লেখ করেন, 'একটি মোবাইল ফোন ও তার সাঙ্গে ব্যবহৃত সিম একসঙ্গে শনাক্ত করা সম্ভব হবে। অর্থাৎ, নির্দিষ্ট ফোনে নির্দিষ্ট সিমই ব্যবহার করা যাবে। অন্য ব্যক্তির নামে নিবন্ধিত সিম নিজের হ্যান্ডসেটে ব্যবহার করতে গেলে সেটি আর ব্যবহার করা যাবে না। প্রয়োজনে পুনরায় নিবন্ধন করতে হবে।'
অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এই সিস্টেমের কার্যকারিতা নিয়ে তিনি বলেন, 'চুরি হওয়া বা অপরাধে ব্যবহৃত মোবাইল ট্র্যাকিংয়েও এই সিস্টেম কার্যকর হবে। এখন থেকে প্রয়োজনে আমরা নেটওয়ার্ক থেকেই কোনো নির্দিষ্ট ফোন বন্ধ করে দিতে পারব।'
মোবাইল ফোন ও সিম নিবন্ধনে কড়াকড়ি আরোপের কথা জানিয়ে চেয়ারম্যান বলেন, 'মোবাইল সিম রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমও এখন আরও কঠোর করা হয়েছে। ২০১৬-২০১৭ সালে সিম রেজিস্ট্রেশন ও বায়োমেট্রিক যাচাইয়ের পরও কিছু অনিয়ম ছিল। আগামী ১ নভেম্বর ২০২৫ থেকেই অতিরিক্ত সিম নিষ্ক্রিয় করবে সিম সরবরাহকারী অপারেটররা। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে আমরা নিশ্চিত করব, কোনো এনআইডির নামে ১০টির বেশি সিম সক্রিয় থাকবে না।'
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়ে তিনি জানান, ধাপে ধাপে এই সংখ্যা আরও কমানো হতে পারে, তবে সাধারণ গ্রাহকের যেন ভোগান্তি না হয়, তা নিশ্চিত করবে বিটিআরসি।
এ সময় অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব উপস্থিত ছিলেন।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৪ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে