
নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) ২০২৫ সালের আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিয়েছে দেশের নিবন্ধিত ৩৮টি রাজনৈতিক দল। ইসির নির্দেশের পরও হিসাব জমা দেওয়া থেকে বিরত রয়েছে ৮টি দল, যাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে কমিশন।
সোমবার (৩ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
ইসি সচিব বলেন, '৩১ জুলাইয়ের মধ্যে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর অডিট রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা ছিল। ওই দিন শুক্রবার থাকায় ২ আগস্ট পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ৫৯টি নিবন্ধিত দলের মধ্যে একটি স্থগিত (আওয়ামী লীগ), বাকি ৫৮টি দলের মধ্যে ৩৮টি দল তাদের আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিয়েছে। এছাড়া ১৩টি দল সময় বাড়ানোর আবেদন করেছে এবং ৮টি দল কোনো সাড়া দেয়নি।'
স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও আইন সংশোধন নিয়ে তিনি বলেন, 'স্থানীয় সরকার নির্বাচন আইন সংশোধনের কিছু প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে। প্রস্তাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞা স্পষ্ট করা, দ্বৈত নাগরিকত্ব এবং ঋণখেলাপি সংক্রান্ত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।'
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি বিষয়ে ইসি সচিব বলেন, 'নির্বাচন প্রস্তুতির মূলত তিনটি ধাপ রয়েছে—আইন ও বিধিমালা, সরঞ্জামাদি এবং প্রশিক্ষণ। নির্বাচন কমিশন সে অনুযায়ী কাজ করছে। সাধারণত তফসিল ঘোষণা থেকে নির্বাচনের তারিখের মধ্যে ৪৫ দিনের ব্যবধান থাকে। এছাড়া ভোটার তালিকা চূড়ান্ত ও মুদ্রণ করতে আরও প্রায় দেড় মাস সময় লাগে। সব মিলিয়ে একটি নির্বাচনের জন্য প্রায় ৩ মাসের প্রস্তুতি প্রয়োজন।'
ভোটার তালিকার বিষয়ে তিনি জানান, ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে যাদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হবে, তাদের নিয়ে তালিকা চূড়ান্ত করা হচ্ছে। তবে নির্বাচনের সময় পিছিয়ে গেলে সম্পূরক ভোটার তালিকাও করা যেতে পারে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে ইসির সংলাপের বিষয়ে আখতার আহমেদ বলেন, ইতঃপূর্বে রাজনৈতিক দলগুলো থেকে দলীয় মতামতের ভিত্তিতে বিধিমালার বিষয়ে সুপারিশ নেওয়া হয়েছে। সংলাপের ব্যাপারে আপাতত নতুন কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
.png)






