শিবির নেতার প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে রিট
স্ট্রিম প্রতিবেদক

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের এস এম ফরহাদের প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেছিলেন ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক পদপ্রার্থী বি এম ফাহমিদা আলম। রিটের পর ফাহমিদার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ আনেন ডাকসুর কয়েকজন প্রার্থী। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফাহমিদা।
এ বিষয়ে ফাহমিদা স্ট্রিমকে বলেন, ‘এস এম ফরহাদ এখনো ছাত্রলীগের কমিটিতে আছেন এবং তিনি আসলে কমিটি থেকে পদত্যাগ করেননি। পাশাপাশি তিনি ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা—যে সংগঠনের কার্যকলাপ ডাকসুর গঠনতন্ত্রের সঙ্গে কন্ট্রাডিক্ট করে, সেরকম কমিটিতে থেকেও তিনি ডাকসু নির্বাচন করছেন। এই দুই কারণে রিট করা হয়েছে।’
তবে ডাকসুর বিভিন্ন পদের প্রতিদ্বন্দ্বিরা ফাহমিদার এ রিটের নেপথ্যে ষড়যন্ত্র আছে বলে মনে করছেন। প্রার্থীদের অভিযোগ, আওয়ামী লীগের হয়ে ডাকসু নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করেছেন তিনি।
এ বিষয়ে ডাকসুতে ‘প্রতিরোধ পর্ষদ’ প্যানেল থেকে সদস্য প্রার্থী ইসরাত জাহান ইমু ফেসবুকে লিখেন, ‘বি এম ফাহমিদা আলমকে আওয়ামী লীগ ব্যাকড সন্দেহ হওয়ায় তাঁর প্যানেল “অপরাজেয় ৭১, অদম্য ২৪” এর দুজন প্রার্থীকে আমি জানাই। কোনো প্রমাণ না থাকলেও তাঁর কথাবার্তা ও কানেকশন দেখে ভালো ব্যাকআপ আছে বুঝতে পারসিলাম…কোনো প্রার্থীকে নিয়ে আপত্তি থাকলে আইন অনুযায়ী হাইকোর্টে রিট যে কেউ করতে পারে। তবে ব্যাপারটা খুব সরল করে দেখা উচিত না মনে করি। ডাকসু নির্বাচন বন্ধের যেকোনো পাঁয়তারার বিরুদ্ধে আমার প্যানেল প্রতিরোধ পর্ষদ সোচ্চার আছে।’
একই অভিযোগ করেন সদস্যপদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী সরদার নাদিম মাহমুদ শুভ। বিকেলে এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘যে ফাহমিদা আলমের রিটে হাইকোর্ট ডাকসু পিছিয়েছে সে “অপরাজেয় ৭১ ও অদম্য ২৪” প্যানেলের মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক পদপ্রার্থী। এই “অপরাজেয় ৭১ ও অদম্য ২৪” প্যানেল হলো মুজিববাদী বাম অংশ। ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্র ফন্ট ও বিসিএল ছাত্রলীগের আওয়ামী অংশ এই প্যানেলের মাধ্যমে ডাকসু করতেছে। খোঁজ নিলে দেখা যাবে এদের সরাসরি ফান্ডিং করতেছে আওয়ামী লীগ।’
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফাহমিদা আলম। স্ট্রিমকে তিনি জানান, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন। প্রাসঙ্গিক থাকার জন্য অনেকে তাঁর বিরুদ্ধে এ অভিযোগ আনছেন।
ফাহমিদা বলেন, ‘আমার ফেসবুকে যদি বঙ্গবন্ধুর ছবি দেখেন, আমি উনিশ (২০১৯) সালে একটা ছবি আঁকছিলাম। সেইটা দেখে যদি কেউ মনে করে যে আমি আওয়ামী লীগ, তাহলে আমি বলব, এটার কোনো ভিত্তি নাই।’
তিনি আওয়ালী লীগের থেকে অর্থ নিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন এমন অভিযোগের বিষয়ে ফাহমিদা বলেন, ‘আমি নিজে ছবি এঁকে টাকা ইনকাম করি, আমি টিউশন করাই, আমি ইংলিশ মিডিয়ামেও পড়াই।’ এ সবের আয় থেকেই তিনি কর্মসূচি পালনের অর্থের যোগান দেন বলে উল্লেখ করেন।
ফাহমিদা জানান, ডাকসু বন্ধ হোক, তিনি সেটি চাননি। রিটেও এমন কিছুর উল্লেখ ছিল না।
এদিকে, ফাহমিদার করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে আজ সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) ডাকসু নির্বাচন স্থগিতের আদেশ দেন হাইকোর্ট। এ ঘোষণার পরই ফাহমিদার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ ওঠে। যদিও হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেছেন চেম্বার জজ আদালত। এ স্থগিতাদেশের পর ডাকসু নির্বাচনে আর কোনো বাধা নেই।

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের এস এম ফরহাদের প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেছিলেন ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক পদপ্রার্থী বি এম ফাহমিদা আলম। রিটের পর ফাহমিদার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ আনেন ডাকসুর কয়েকজন প্রার্থী। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফাহমিদা।
এ বিষয়ে ফাহমিদা স্ট্রিমকে বলেন, ‘এস এম ফরহাদ এখনো ছাত্রলীগের কমিটিতে আছেন এবং তিনি আসলে কমিটি থেকে পদত্যাগ করেননি। পাশাপাশি তিনি ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা—যে সংগঠনের কার্যকলাপ ডাকসুর গঠনতন্ত্রের সঙ্গে কন্ট্রাডিক্ট করে, সেরকম কমিটিতে থেকেও তিনি ডাকসু নির্বাচন করছেন। এই দুই কারণে রিট করা হয়েছে।’
তবে ডাকসুর বিভিন্ন পদের প্রতিদ্বন্দ্বিরা ফাহমিদার এ রিটের নেপথ্যে ষড়যন্ত্র আছে বলে মনে করছেন। প্রার্থীদের অভিযোগ, আওয়ামী লীগের হয়ে ডাকসু নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করেছেন তিনি।
এ বিষয়ে ডাকসুতে ‘প্রতিরোধ পর্ষদ’ প্যানেল থেকে সদস্য প্রার্থী ইসরাত জাহান ইমু ফেসবুকে লিখেন, ‘বি এম ফাহমিদা আলমকে আওয়ামী লীগ ব্যাকড সন্দেহ হওয়ায় তাঁর প্যানেল “অপরাজেয় ৭১, অদম্য ২৪” এর দুজন প্রার্থীকে আমি জানাই। কোনো প্রমাণ না থাকলেও তাঁর কথাবার্তা ও কানেকশন দেখে ভালো ব্যাকআপ আছে বুঝতে পারসিলাম…কোনো প্রার্থীকে নিয়ে আপত্তি থাকলে আইন অনুযায়ী হাইকোর্টে রিট যে কেউ করতে পারে। তবে ব্যাপারটা খুব সরল করে দেখা উচিত না মনে করি। ডাকসু নির্বাচন বন্ধের যেকোনো পাঁয়তারার বিরুদ্ধে আমার প্যানেল প্রতিরোধ পর্ষদ সোচ্চার আছে।’
একই অভিযোগ করেন সদস্যপদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী সরদার নাদিম মাহমুদ শুভ। বিকেলে এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘যে ফাহমিদা আলমের রিটে হাইকোর্ট ডাকসু পিছিয়েছে সে “অপরাজেয় ৭১ ও অদম্য ২৪” প্যানেলের মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক পদপ্রার্থী। এই “অপরাজেয় ৭১ ও অদম্য ২৪” প্যানেল হলো মুজিববাদী বাম অংশ। ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্র ফন্ট ও বিসিএল ছাত্রলীগের আওয়ামী অংশ এই প্যানেলের মাধ্যমে ডাকসু করতেছে। খোঁজ নিলে দেখা যাবে এদের সরাসরি ফান্ডিং করতেছে আওয়ামী লীগ।’
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফাহমিদা আলম। স্ট্রিমকে তিনি জানান, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন। প্রাসঙ্গিক থাকার জন্য অনেকে তাঁর বিরুদ্ধে এ অভিযোগ আনছেন।
ফাহমিদা বলেন, ‘আমার ফেসবুকে যদি বঙ্গবন্ধুর ছবি দেখেন, আমি উনিশ (২০১৯) সালে একটা ছবি আঁকছিলাম। সেইটা দেখে যদি কেউ মনে করে যে আমি আওয়ামী লীগ, তাহলে আমি বলব, এটার কোনো ভিত্তি নাই।’
তিনি আওয়ালী লীগের থেকে অর্থ নিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন এমন অভিযোগের বিষয়ে ফাহমিদা বলেন, ‘আমি নিজে ছবি এঁকে টাকা ইনকাম করি, আমি টিউশন করাই, আমি ইংলিশ মিডিয়ামেও পড়াই।’ এ সবের আয় থেকেই তিনি কর্মসূচি পালনের অর্থের যোগান দেন বলে উল্লেখ করেন।
ফাহমিদা জানান, ডাকসু বন্ধ হোক, তিনি সেটি চাননি। রিটেও এমন কিছুর উল্লেখ ছিল না।
এদিকে, ফাহমিদার করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে আজ সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) ডাকসু নির্বাচন স্থগিতের আদেশ দেন হাইকোর্ট। এ ঘোষণার পরই ফাহমিদার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ ওঠে। যদিও হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেছেন চেম্বার জজ আদালত। এ স্থগিতাদেশের পর ডাকসু নির্বাচনে আর কোনো বাধা নেই।

হবিগঞ্জ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের জেলা কার্যালয় পুনরায় উদ্বোধনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শহরের টাউন হল এলাকায় অবস্থিত জেলা কার্যালয়ে আজ বুধবার সকালে খোলা হয়। এর আগে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট বিক্ষোভের সময় জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়টি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে ছাত্র-জনতা।
১৭ মিনিট আগে
নতুন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‘নকল-প্রশ্নফাঁস আর ফিরে আসবে না। অতীতে দায়িত্ব পালনকালে নকল ও প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল; নকল আর প্রশ্নফাঁস আর ফিরে আসবে না বলে আমার বিশ্বাস।’
২৮ মিনিট আগে
দেশের আকাশে দেখা গেছে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ। ফলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হচ্ছে রোজা। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি এ তথ্য জানিয়েছে।
৩৭ মিনিট আগে
নতুন সরকারের শপথ ও মন্ত্রিসভা নিয়ে যখন আলোচনায় সরগরম দেশ, সেই সময়ে অনেকটা চুপিসারেই বাংলাদেশে পা রেখেছেন জার্মানির বিশ্বকাপজয়ী তারকা মেসুত ওজিল। এই মুহূর্তে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থান করছেন ২০১৪ বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা; সাথে আছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের ছেলে বেলাল এরদোয়ান।
১ ঘণ্টা আগে