স্ট্রিম ডেস্ক

তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে তুলে ধরেছে বিবিসি। প্রায় ১৭ বছর লন্ডনে নির্বাসনে থাকার পর তাঁর দেশে ফেরা বিএনপির জন্য বড় রাজনৈতিক শক্তিবৃদ্ধি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিশেষ করে ২০২৬ সালের শুরুতে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে এই প্রত্যাবর্তনকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছে বিবিসি। প্রতিবেদনে ব্যক্তিগতভাবে তারেক রহমানের প্রশংসা বা সমালোচনার পরিবর্তে ঘটনার সময়কাল, জনসমর্থন এবং রাজনৈতিক প্রভাবের দিকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বিবিসি তারেক রহমানকে বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী পদে এগিয়ে থাকা ‘শীর্ষ দাবিদার’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। একই সঙ্গে তাঁকে প্রভাবশালী জিয়া পরিবারের প্রধান মুখ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসন্ন নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় ফেরার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে। এই নির্বাচনকে ‘নির্ধারণী’, ‘গুরুত্বপূর্ণ’ এবং বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম তাৎপর্যপূর্ণ নির্বাচন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে তারেক রহমানের প্রতি সমর্থকদের উষ্ণ অভ্যর্থনার কথাও তুলে ধরা হয়েছে। ঢাকায় তাঁর আগমনের সময় বিপুলসংখ্যক সমর্থকের উপস্থিতি বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি ও জনভিত্তির ইঙ্গিত দেয় বলে বিবিসি মনে করছে। ২০২৪ সালে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর বিএনপি যে নতুন গতি পেয়েছে, এই সমাবেশ তারই প্রতিফলন হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
বিবিসি তারেক রহমানের নির্বাসনের প্রেক্ষাপটও সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০৮ সাল থেকে তিনি বিদেশে অবস্থান করছিলেন। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক ফৌজদারি মামলা হয়েছিল। তবে সরকার পতনের পর তিনি এসব মামলায় খালাস পান। এর ফলে তাঁর দেশে ফেরার আইনি বাধা দূর হয়। বিবিসি পুরোনো অভিযোগগুলোর বিশদ আলোচনায় না গিয়ে পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতার দিকেই নজর দিয়েছে।
প্রতিবেদনে শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতি ও পরবর্তী রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটও তুলে ধরা হয়েছে। বিবিসি জানিয়েছে, শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতে নির্বাসিত অবস্থায় রয়েছেন। তাঁর দল আওয়ামী লীগ আসন্ন নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে কি না, সে বিষয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। এই পরিস্থিতির বিপরীতে বিএনপির পুনরুত্থানকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদনে, জিয়া ও হাসিনা পরিবারের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হয়। এই প্রেক্ষিতে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনকে একটি ভঙ্গুর কিন্তু পরিবর্তনশীল গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিরোধী রাজনীতির পুনরুজ্জীবনের প্রতীক হিসেবে দেখা হয়েছে।
সার্বিকভাবে বিবিসি তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে বহুদলীয় রাজনীতিতে ফেরার একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকেত হিসেবে বিবেচনা করছে। একই সঙ্গে আসন্ন নির্বাচনে বিএনপিকে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা দল হিসেবে উপস্থাপন করেছে। এই দৃষ্টিভঙ্গি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের পথে চলমান অনিশ্চয়তা ও সম্ভাবনাকে একসঙ্গে তুলে ধরে।

তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে তুলে ধরেছে বিবিসি। প্রায় ১৭ বছর লন্ডনে নির্বাসনে থাকার পর তাঁর দেশে ফেরা বিএনপির জন্য বড় রাজনৈতিক শক্তিবৃদ্ধি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিশেষ করে ২০২৬ সালের শুরুতে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে এই প্রত্যাবর্তনকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছে বিবিসি। প্রতিবেদনে ব্যক্তিগতভাবে তারেক রহমানের প্রশংসা বা সমালোচনার পরিবর্তে ঘটনার সময়কাল, জনসমর্থন এবং রাজনৈতিক প্রভাবের দিকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বিবিসি তারেক রহমানকে বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী পদে এগিয়ে থাকা ‘শীর্ষ দাবিদার’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। একই সঙ্গে তাঁকে প্রভাবশালী জিয়া পরিবারের প্রধান মুখ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসন্ন নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় ফেরার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে। এই নির্বাচনকে ‘নির্ধারণী’, ‘গুরুত্বপূর্ণ’ এবং বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম তাৎপর্যপূর্ণ নির্বাচন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে তারেক রহমানের প্রতি সমর্থকদের উষ্ণ অভ্যর্থনার কথাও তুলে ধরা হয়েছে। ঢাকায় তাঁর আগমনের সময় বিপুলসংখ্যক সমর্থকের উপস্থিতি বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি ও জনভিত্তির ইঙ্গিত দেয় বলে বিবিসি মনে করছে। ২০২৪ সালে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর বিএনপি যে নতুন গতি পেয়েছে, এই সমাবেশ তারই প্রতিফলন হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
বিবিসি তারেক রহমানের নির্বাসনের প্রেক্ষাপটও সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০৮ সাল থেকে তিনি বিদেশে অবস্থান করছিলেন। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক ফৌজদারি মামলা হয়েছিল। তবে সরকার পতনের পর তিনি এসব মামলায় খালাস পান। এর ফলে তাঁর দেশে ফেরার আইনি বাধা দূর হয়। বিবিসি পুরোনো অভিযোগগুলোর বিশদ আলোচনায় না গিয়ে পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতার দিকেই নজর দিয়েছে।
প্রতিবেদনে শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতি ও পরবর্তী রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটও তুলে ধরা হয়েছে। বিবিসি জানিয়েছে, শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতে নির্বাসিত অবস্থায় রয়েছেন। তাঁর দল আওয়ামী লীগ আসন্ন নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে কি না, সে বিষয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। এই পরিস্থিতির বিপরীতে বিএনপির পুনরুত্থানকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদনে, জিয়া ও হাসিনা পরিবারের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হয়। এই প্রেক্ষিতে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনকে একটি ভঙ্গুর কিন্তু পরিবর্তনশীল গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিরোধী রাজনীতির পুনরুজ্জীবনের প্রতীক হিসেবে দেখা হয়েছে।
সার্বিকভাবে বিবিসি তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে বহুদলীয় রাজনীতিতে ফেরার একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকেত হিসেবে বিবেচনা করছে। একই সঙ্গে আসন্ন নির্বাচনে বিএনপিকে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা দল হিসেবে উপস্থাপন করেছে। এই দৃষ্টিভঙ্গি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের পথে চলমান অনিশ্চয়তা ও সম্ভাবনাকে একসঙ্গে তুলে ধরে।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৪ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৫ ঘণ্টা আগে