স্ট্রিম সংবাদদাতা

আগামী বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন হবে এবং এটি ঠেকানোর মতো কোনো শক্তি নেই।
শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) মাগুরা সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন প্রেস সচিব।
তিনি বলেন, সরকার একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য কাজ করছে। নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা সম্পন্ন করেছে।
জাতীয় পার্টির নির্বাচনে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে শফিকুল আলম বলেন, জাতীয় পার্টি সম্পর্কে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট। তারা নির্বাচন করতে চাইলে, সেটি তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত। তবে ইতিহাস বলবে, জাতীয় পার্টি ভয়ংকরভাবে স্বৈরাচারের দোসর ছিল। আওয়ামী লীগ যে সব অপকর্ম করেছে, তা করেছে জাতীয় পার্টির সহযোগিতায়।
চলমান রাজনৈতিক আলোচনায় উঠে আসা ‘মাইনাস ফোর ফর্মুলা’ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যারা মাইনাস ফোর ফর্মুলার কথা বলছে, তারা স্বৈরাচারের দোসরের দল থেকেই এসেছে। সরকারের পক্ষ থেকে কখনোই মাইনাস ফোরের কোনো কথা বলা হয়নি। যিনি মাইনাস হয়েছেন, তিনি হত্যাযোগ্য অপরাধের কারণে মাইনাস হয়েছেন।
জুলাই খুনিদের ফিরিয়ে আনা সরকারের অঙ্গীকার
এর আগে ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রেস সচিব বলেন, আমাদের প্রধান লক্ষ্য হলো– ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থান চলাকালে জুলাই-আগস্ট মাসে হত্যাকাণ্ডের খুনিদের ফিরিয়ে আনা। এটি আমাদের শপথ এবং অঙ্গীকার।
তিনি উল্লেখ করেন, গণঅভ্যুত্থানের সময় ফ্যাসিবাদী সরকার বহু শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে হত্যা করেছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রমাণ করেছেন যে, ফ্যাসিবাদী সরকার গণহত্যা চালিয়েছে। ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। আমরা চাই তারা দেশে প্রত্যর্পিত হোক। তাদের আপিল করার অধিকার রয়েছে।
প্রেস সচিব বলেন, আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব যাতে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে দ্রুত তাদের রায় কার্যকর হয়। যাদের হাতে রক্তের দাগ, তাদের সবাইকে আমরা বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনব। এটি শহীদদের প্রতি আমাদের দায়িত্ব, আমাদের অঙ্গীকার। আমরা ব্যর্থ হলে পরবর্তী প্রজন্ম এই দায়িত্ব নেবে। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
তিনি বলেন, যারা তাদের সন্তানদের হত্যা করেছে বা পঙ্গু করেছে, তাদের ফিরিয়ে এনে বিচার করতে হবে। এ ব্যাপারে দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ।
খালেদা জিয়া জনতার নেতা
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে জাতীয় নেতা ও জনতার নেতা উল্লেখ করে প্রেস সচিব বলেন, খালেদা জিয়া শুধু বিএনপির নেতা নন, তিনি আমাদের জাতীয় নেতা। তিনি জনতার নেতা। তিনি আরও বলেন, আমরা তাঁর সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করি। বাংলাদেশের জন্য তাঁর উপস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা আশা করি, খালেদা জিয়া নির্বাচনে অংশ নেবেন এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাগুরা জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সাধারণ) আবদুল কাদের, মাগুরা পৌর প্রশাসক ইমতিয়াজ হোসেন, জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা বি এম সাজিন ইশরাত, ক্রীড়া সংগঠক বারিক ননজাম বার্কি প্রমুখ।
মাগুরা জেলা প্রশাসন ও মাগুরা জেলা ক্রীড়া অফিসের সহযোগিতায় ৯টি দলের অংশগ্রহণে মাগুরা সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে এ টুর্নামেন্ট আয়োজন করেছে জাতীয় ক্রীড়া পরিদপ্তর।

আগামী বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন হবে এবং এটি ঠেকানোর মতো কোনো শক্তি নেই।
শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) মাগুরা সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন প্রেস সচিব।
তিনি বলেন, সরকার একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য কাজ করছে। নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা সম্পন্ন করেছে।
জাতীয় পার্টির নির্বাচনে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে শফিকুল আলম বলেন, জাতীয় পার্টি সম্পর্কে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট। তারা নির্বাচন করতে চাইলে, সেটি তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত। তবে ইতিহাস বলবে, জাতীয় পার্টি ভয়ংকরভাবে স্বৈরাচারের দোসর ছিল। আওয়ামী লীগ যে সব অপকর্ম করেছে, তা করেছে জাতীয় পার্টির সহযোগিতায়।
চলমান রাজনৈতিক আলোচনায় উঠে আসা ‘মাইনাস ফোর ফর্মুলা’ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যারা মাইনাস ফোর ফর্মুলার কথা বলছে, তারা স্বৈরাচারের দোসরের দল থেকেই এসেছে। সরকারের পক্ষ থেকে কখনোই মাইনাস ফোরের কোনো কথা বলা হয়নি। যিনি মাইনাস হয়েছেন, তিনি হত্যাযোগ্য অপরাধের কারণে মাইনাস হয়েছেন।
জুলাই খুনিদের ফিরিয়ে আনা সরকারের অঙ্গীকার
এর আগে ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রেস সচিব বলেন, আমাদের প্রধান লক্ষ্য হলো– ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থান চলাকালে জুলাই-আগস্ট মাসে হত্যাকাণ্ডের খুনিদের ফিরিয়ে আনা। এটি আমাদের শপথ এবং অঙ্গীকার।
তিনি উল্লেখ করেন, গণঅভ্যুত্থানের সময় ফ্যাসিবাদী সরকার বহু শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে হত্যা করেছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রমাণ করেছেন যে, ফ্যাসিবাদী সরকার গণহত্যা চালিয়েছে। ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। আমরা চাই তারা দেশে প্রত্যর্পিত হোক। তাদের আপিল করার অধিকার রয়েছে।
প্রেস সচিব বলেন, আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব যাতে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে দ্রুত তাদের রায় কার্যকর হয়। যাদের হাতে রক্তের দাগ, তাদের সবাইকে আমরা বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনব। এটি শহীদদের প্রতি আমাদের দায়িত্ব, আমাদের অঙ্গীকার। আমরা ব্যর্থ হলে পরবর্তী প্রজন্ম এই দায়িত্ব নেবে। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
তিনি বলেন, যারা তাদের সন্তানদের হত্যা করেছে বা পঙ্গু করেছে, তাদের ফিরিয়ে এনে বিচার করতে হবে। এ ব্যাপারে দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ।
খালেদা জিয়া জনতার নেতা
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে জাতীয় নেতা ও জনতার নেতা উল্লেখ করে প্রেস সচিব বলেন, খালেদা জিয়া শুধু বিএনপির নেতা নন, তিনি আমাদের জাতীয় নেতা। তিনি জনতার নেতা। তিনি আরও বলেন, আমরা তাঁর সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করি। বাংলাদেশের জন্য তাঁর উপস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা আশা করি, খালেদা জিয়া নির্বাচনে অংশ নেবেন এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাগুরা জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সাধারণ) আবদুল কাদের, মাগুরা পৌর প্রশাসক ইমতিয়াজ হোসেন, জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা বি এম সাজিন ইশরাত, ক্রীড়া সংগঠক বারিক ননজাম বার্কি প্রমুখ।
মাগুরা জেলা প্রশাসন ও মাগুরা জেলা ক্রীড়া অফিসের সহযোগিতায় ৯টি দলের অংশগ্রহণে মাগুরা সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে এ টুর্নামেন্ট আয়োজন করেছে জাতীয় ক্রীড়া পরিদপ্তর।

শপথ গ্রহণের মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠন করায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ ভেঙে গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
সাবেক সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপসচিব মোহাম্মদ রফিকুল হকের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
১০ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
১০ ঘণ্টা আগে