
লালমনিরহাটের মেয়ে মৌসুমী আক্তার। বাবা পেশায় রিকশাচালক। এসএসসি পাস করার পর উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি না হয়ে কাজে যুক্ত হন মৌসুমী। পরিবারের হাল ধরতে চেয়েছিলেন তিনি।
আজ বুধবার (১৫ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গের সামনে এসব তথ্য জানান মেয়ের খোঁজে আসা বাবা আবদুল মান্নান।
আবদুল মান্নান স্ট্রিমকে বলেন, ‘মায়াটাকে বললাম, পড়াশোনা কর। আই-এ ভর্তি হ। আমি রিকশা চালাই আর যাই করি, তোরে আমি পড়ামু। কিন্তু ও বলে, “তোমার এতো কষ্ট করতে হবে না বাবা। আমি কাজ করব। পরিবারটা তো আমারও”’
মান্নান আরও বলেন, ‘আমার লগে জিদ করে মেয়েটা কাজে গেল চলতি মাসের এক তারিখে। চৌদ্দ দিন না যাইতেই সে মারা গেল। এই দুঃখ আমি কই রাখব।
এদিকে, এখনো মৌসুমীর লাশ পাননি আবদুল মান্নান। তিনি বলেন, ’আগুনের খবর যখন পাই, তখন আমি মিরপুর দশ নাম্বারে রিকশা চালাইতেছি। খবর পায়াই গেলাম তার কারখানার দিকে। সেই যে দুপুর থেকে খোঁজা শুরু করলাম, আজকে একদিন হয়া গেল এখনো মায়াটারে পাইলাম না।’
মান্নান আরও বলেন, ‘গত রাতে আমি মর্গের সব লাশ দেখেছি৷ কিন্তু লাশ শনাক্ত করতে পারি নাই। এখন মর্গ আর গার্মেন্টেসে দোড়াইতেছি, কিন্তু কেউ বলতেছে না, আমারা মায়াটা কই।’
.png)






