স্ট্রিম ডেস্ক

রাত পোহালেই শুরু হতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলবে ভোট গ্রহণ। কেন্দ্রে উপকরণ পৌঁছানো থেকে ভোটের সব প্রস্তুতি শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সবশেষ তিনটি জাতীয় নির্বাচনই ছিল বিতর্কিত। সবার চোখ তাই এবারের নির্বাচনে। এ ছাড়া জুলাই জাতীয় সনদ ও সংবিধান সংশোধন বিষয়ে গণভোটও দেবেন ভোটাররা।
এবার ৩০০ সংসদীয় আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে একযোগে ভোট হবে। প্রার্থীর মৃত্যুতে স্থগিত হয়েছে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন। ভোট দেবেন ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১, নারী ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২৩২ জন। সারাদেশে ভোট গ্রহণ হবে ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে।
এবারই প্রথম পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়েছে প্রবাসী, ভোটের দায়িত্বপ্রাপ্ত ও কারাগারে থাকা ভোটাররা। ৪ লাখ ২২ হাজার ৯৬০ প্রবাসীর ব্যালট ইতোমধ্যে দেশে পৌঁছেছে। ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২ লাখ ৭০ হাজার ৩৮টি পোস্টাল ব্যালট গ্রহণ করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা।
২০০৮ সালে নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি রাজনৈতিক দল অংশ নিয়েছে। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) ৫১টি দলে অংশ নিচ্ছে। মোট প্রার্থী ২ হাজার ২৯ জন। এর মধ্যে রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ১ হাজার ৭৫৫ জন এবং স্বতন্ত্র ২৭৪ জন। নারী প্রার্থী আছেন ৮০ জন।
রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি এবারের ভোটে প্রতীকও থাকছে সবচেয়ে বেশি। ইসির তথ্য অনুযায়ী, ধানের শীষ, দাঁড়িপাল্লা, শাপলা কলিসহ ১১৯টি নির্বাচনী প্রতীকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
১৯ দেশ থেকে ৫৪০ বিদেশি এবং প্রায় ৫০ হাজার দেশীয় পর্যবেক্ষক এবারের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন। পাশাপাশি ১২০ জনের মতো বিদেশি সাংবাদিক নির্বাচন কভার করতে পারেন।
নির্বাচনে পুলিশসহ ৯ লাখের বেশি নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এর মধ্যে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী মিলিয়ে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য থাকবেন ১ লাখ ৮ হাজারের বেশি। ৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন প্রস্তুতি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে ইসি সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানান।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারা দেশে এখন মোতায়েন আছে বিভিন্ন বাহিনীর ৯ লাখ ৫৮ হাজার সদস্য। এর মধ্যে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানিয়েছেন বাহিনীর মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। উপকূলীয় এলাকায় কোস্ট গার্ডের ৩ হাজার ৫৮৫ সদস্যকে ১০ জেলার ১৭টি আসনে মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়া ৩৭ হাজার ৪৫৩ বিজিবি সদস্যও নির্দিষ্ট এলাকায় দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি পর্যাপ্তসংখ্যক র্যাব সদস্য নির্বাচনী দায়িত্বে মোতায়েন করা হবে।
এদিকে প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৯০ শতাংশের বেশিতে সার্বক্ষণিক নজরদারির জন্য সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তা সদস্যের দেওয়া হয়েছে ২৫ হাজার ৭০০টি বডি-ওর্ন ক্যামেরা।
ভোটকেন্দ্রের ভেতরে বা বাইরে বিশৃঙ্খলা, সহিংসতা বা অস্থিরতার তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে নিরাপত্তা বাহিনী, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠাতে চালু থাকবে ‘নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপ’। তবে এটি কেবল নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ব্যবহার করবেন।
আর সদ্য চালু হওয়া হটলাইন নম্বর ৩৩৩-এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ নির্বাচন-সংক্রান্ত অভিযোগ জানাতে, সতর্কবার্তা দিতে বা তথ্য জানতে পারবেন।
গণভোটের কারণে ১ ঘণ্টা বাড়ানোয় এবার ভোট শেষ হওয়ার কথা বিকেল সাড়ে ৪টায়। অবশ্য কেন্দ্রের ভেতর থাকলে এরপরও ভোট নেওয়া যাবে। এর পরপরই শুরু হবে ভোট গণনা। এ সময় প্রার্থী, পোলিং এজেন্ট, পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যমকর্মীরা থাকতে পারবেন।
গণনা শেষে বিবরণী কেন্দ্রের নোটিশ বোর্ড বা দেয়ালে টানিয়ে দেওয়া হবে। পরে প্রিসাইডিং অফিসার কেন্দ্রের ভোট গণনার বিবরণী নির্ধারিত ফরমে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করবেন। ডাকযোগে নির্বাচন কমিশনের কাছেও একটি কপি পাঠানো হবে।
এবারের নির্বাচনে সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোটের ব্যালটও গণনা করা লাগবে। তাই সময় বেশি লাগবে। বিষয়টি নিয়ে শুরু থেকেই আশঙ্কার কথা জানিয়ে আসছেন রাজনৈতিক দলগুলো। কেউ কেউ মনে করছেন, বেশি দেরি নির্বাচনী সহিংসতা বাড়িয়ে দিতে পারে। ছড়াতে পারে বিভিন্ন গুজব।
১৯৭৭ সালে প্রথম গণভোটের ফল ঘোষণায় সময় লেগেছিল ৩০ ঘণ্টা। সেবার ভোটার ছিল ৩ কোটি ৮৪ লাখ। এবার ভোটার বেড়ে হয়েছে ১৩ কোটি। এই কারণে এবার কত সময় লাগবে তা স্পষ্ট করতে পারেনি ইসি।
অবশ্য মঙ্গলবার ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ফল প্রকাশ কোনো অবস্থাতেই ‘অযথা দীর্ঘায়িত’ করা হবে না। ভোটগ্রহণ শেষে ধাপে ধাপে ফলাফল প্রকাশ করা হবে এবং ১৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই চূড়ান্ত ফলাফল পাওয়া যাবে।

রাত পোহালেই শুরু হতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলবে ভোট গ্রহণ। কেন্দ্রে উপকরণ পৌঁছানো থেকে ভোটের সব প্রস্তুতি শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সবশেষ তিনটি জাতীয় নির্বাচনই ছিল বিতর্কিত। সবার চোখ তাই এবারের নির্বাচনে। এ ছাড়া জুলাই জাতীয় সনদ ও সংবিধান সংশোধন বিষয়ে গণভোটও দেবেন ভোটাররা।
এবার ৩০০ সংসদীয় আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে একযোগে ভোট হবে। প্রার্থীর মৃত্যুতে স্থগিত হয়েছে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন। ভোট দেবেন ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১, নারী ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২৩২ জন। সারাদেশে ভোট গ্রহণ হবে ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে।
এবারই প্রথম পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়েছে প্রবাসী, ভোটের দায়িত্বপ্রাপ্ত ও কারাগারে থাকা ভোটাররা। ৪ লাখ ২২ হাজার ৯৬০ প্রবাসীর ব্যালট ইতোমধ্যে দেশে পৌঁছেছে। ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২ লাখ ৭০ হাজার ৩৮টি পোস্টাল ব্যালট গ্রহণ করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা।
২০০৮ সালে নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি রাজনৈতিক দল অংশ নিয়েছে। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) ৫১টি দলে অংশ নিচ্ছে। মোট প্রার্থী ২ হাজার ২৯ জন। এর মধ্যে রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ১ হাজার ৭৫৫ জন এবং স্বতন্ত্র ২৭৪ জন। নারী প্রার্থী আছেন ৮০ জন।
রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি এবারের ভোটে প্রতীকও থাকছে সবচেয়ে বেশি। ইসির তথ্য অনুযায়ী, ধানের শীষ, দাঁড়িপাল্লা, শাপলা কলিসহ ১১৯টি নির্বাচনী প্রতীকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
১৯ দেশ থেকে ৫৪০ বিদেশি এবং প্রায় ৫০ হাজার দেশীয় পর্যবেক্ষক এবারের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন। পাশাপাশি ১২০ জনের মতো বিদেশি সাংবাদিক নির্বাচন কভার করতে পারেন।
নির্বাচনে পুলিশসহ ৯ লাখের বেশি নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এর মধ্যে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী মিলিয়ে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য থাকবেন ১ লাখ ৮ হাজারের বেশি। ৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন প্রস্তুতি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে ইসি সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানান।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সারা দেশে এখন মোতায়েন আছে বিভিন্ন বাহিনীর ৯ লাখ ৫৮ হাজার সদস্য। এর মধ্যে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানিয়েছেন বাহিনীর মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। উপকূলীয় এলাকায় কোস্ট গার্ডের ৩ হাজার ৫৮৫ সদস্যকে ১০ জেলার ১৭টি আসনে মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়া ৩৭ হাজার ৪৫৩ বিজিবি সদস্যও নির্দিষ্ট এলাকায় দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি পর্যাপ্তসংখ্যক র্যাব সদস্য নির্বাচনী দায়িত্বে মোতায়েন করা হবে।
এদিকে প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৯০ শতাংশের বেশিতে সার্বক্ষণিক নজরদারির জন্য সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তা সদস্যের দেওয়া হয়েছে ২৫ হাজার ৭০০টি বডি-ওর্ন ক্যামেরা।
ভোটকেন্দ্রের ভেতরে বা বাইরে বিশৃঙ্খলা, সহিংসতা বা অস্থিরতার তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে নিরাপত্তা বাহিনী, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠাতে চালু থাকবে ‘নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপ’। তবে এটি কেবল নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ব্যবহার করবেন।
আর সদ্য চালু হওয়া হটলাইন নম্বর ৩৩৩-এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ নির্বাচন-সংক্রান্ত অভিযোগ জানাতে, সতর্কবার্তা দিতে বা তথ্য জানতে পারবেন।
গণভোটের কারণে ১ ঘণ্টা বাড়ানোয় এবার ভোট শেষ হওয়ার কথা বিকেল সাড়ে ৪টায়। অবশ্য কেন্দ্রের ভেতর থাকলে এরপরও ভোট নেওয়া যাবে। এর পরপরই শুরু হবে ভোট গণনা। এ সময় প্রার্থী, পোলিং এজেন্ট, পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যমকর্মীরা থাকতে পারবেন।
গণনা শেষে বিবরণী কেন্দ্রের নোটিশ বোর্ড বা দেয়ালে টানিয়ে দেওয়া হবে। পরে প্রিসাইডিং অফিসার কেন্দ্রের ভোট গণনার বিবরণী নির্ধারিত ফরমে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করবেন। ডাকযোগে নির্বাচন কমিশনের কাছেও একটি কপি পাঠানো হবে।
এবারের নির্বাচনে সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোটের ব্যালটও গণনা করা লাগবে। তাই সময় বেশি লাগবে। বিষয়টি নিয়ে শুরু থেকেই আশঙ্কার কথা জানিয়ে আসছেন রাজনৈতিক দলগুলো। কেউ কেউ মনে করছেন, বেশি দেরি নির্বাচনী সহিংসতা বাড়িয়ে দিতে পারে। ছড়াতে পারে বিভিন্ন গুজব।
১৯৭৭ সালে প্রথম গণভোটের ফল ঘোষণায় সময় লেগেছিল ৩০ ঘণ্টা। সেবার ভোটার ছিল ৩ কোটি ৮৪ লাখ। এবার ভোটার বেড়ে হয়েছে ১৩ কোটি। এই কারণে এবার কত সময় লাগবে তা স্পষ্ট করতে পারেনি ইসি।
অবশ্য মঙ্গলবার ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ফল প্রকাশ কোনো অবস্থাতেই ‘অযথা দীর্ঘায়িত’ করা হবে না। ভোটগ্রহণ শেষে ধাপে ধাপে ফলাফল প্রকাশ করা হবে এবং ১৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই চূড়ান্ত ফলাফল পাওয়া যাবে।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৩ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে