চলতি সেপ্টেম্বরের ৮ ও ৯ তারিখে বাস চলাচল বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করেন চালক, হেলপার ও সুপারভাইজাররা। তাঁরা বলছেন, গত ১৫ বছরে একতা ছাড়া অন্য পরিবহনের শ্রমিকদের কোনো পারিশ্রমিক বাড়েনি।
স্ট্রিম সংবাদদাতা

শ্রমিকদের কর্মবিরতিতে রাজশাহী, নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে বেশিরভাগ পরিবহনের দূরপাল্লার বাস বন্ধ হয়ে গেছে। বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে শ্রমিকেরা কর্মবিরতি শুরু করেছেন। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও কক্সবাজারসহ অন্যান্য দূরপাল্লার যাত্রীরা। বিকাল ৫টার দিকে এ প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত মালিকপক্ষ থেকে শ্রমিকদের সঙ্গে কোনো আলোচনায় বসেনি।
কর্মবিরতির পক্ষে সোমবার সকালে রাজশাহী নগরের শিরোইল বাস টার্মিনাল এলাকায় বিক্ষোভ-সমাবেশও করেন চালক, হেলপার ও সুপারভাইজাররা। এ সময় তাঁরা পারিশ্রমিক বৃদ্ধির দাবি জানান। এর আগে একই দাবিতে চলতি সেপ্টেম্বরের ৮ ও ৯ তারিখে বাস চলাচল বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করেন তাঁরা। তখন তাঁদের পারিশ্রমিক বৃদ্ধির আশ্বাস দেওয়া হলেও পরে তা বাস্তবায়ন করা হয়নি। তাই শ্রমিকেরা আবার অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছেন।
রাজশাহীর পরিবহন শ্রমিক নেতারা জানিয়েছেন, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নাটোর থেকে হানিফ, হানিফ কেটিসি, ন্যাশনাল, দেশ, শ্যামলী, গ্রামীণ ট্রাভেলসের বাস চলছে না। তবে একতা ও স্লিপার বাসগুলো চলছে। এ ছাড়া ঢাকামুখী বিভিন্ন পরিবহনের লোকাল বাস চলছে।
আন্তঃজেলা (লোকাল) বাস ঢাকা ছাড়া অন্য রুটে যায় না। এতে সে সব রুটের যাত্রীরা গন্তব্যে যেতে পারছেন না। অন্য বাস বন্ধ থাকায় একতায় চাপ বেড়েছে ঢাকাগামী যাত্রীর। তারাও আর যাত্রী নিতে পারছে না।
শ্রমিকরা জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-ঢাকা রুটে একজন চালককে পারিশ্রমিক হিসেবে ১ হাজার ৩৫০ টাকা, সুপারভাইজরকে ৫৭০ টাকা এবং হেলপারকে ৫৩০ টাকা দেওয়া হয়। গত ১৫ বছরে একতা ছাড়া অন্য পরিবহনের শ্রমিকদের কোনো পারিশ্রমিক বাড়েনি।
রাজশাহী মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম পাখি বলেন, ‘মালিকপক্ষ শ্রমিকদের পারিশ্রমিক বৃদ্ধির জন্য বার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবে কার্যকর হয়নি। এখন শ্রমিকেরা আবার অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছেন।’

শ্রমিকদের কর্মবিরতিতে রাজশাহী, নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে বেশিরভাগ পরিবহনের দূরপাল্লার বাস বন্ধ হয়ে গেছে। বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে শ্রমিকেরা কর্মবিরতি শুরু করেছেন। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও কক্সবাজারসহ অন্যান্য দূরপাল্লার যাত্রীরা। বিকাল ৫টার দিকে এ প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত মালিকপক্ষ থেকে শ্রমিকদের সঙ্গে কোনো আলোচনায় বসেনি।
কর্মবিরতির পক্ষে সোমবার সকালে রাজশাহী নগরের শিরোইল বাস টার্মিনাল এলাকায় বিক্ষোভ-সমাবেশও করেন চালক, হেলপার ও সুপারভাইজাররা। এ সময় তাঁরা পারিশ্রমিক বৃদ্ধির দাবি জানান। এর আগে একই দাবিতে চলতি সেপ্টেম্বরের ৮ ও ৯ তারিখে বাস চলাচল বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করেন তাঁরা। তখন তাঁদের পারিশ্রমিক বৃদ্ধির আশ্বাস দেওয়া হলেও পরে তা বাস্তবায়ন করা হয়নি। তাই শ্রমিকেরা আবার অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছেন।
রাজশাহীর পরিবহন শ্রমিক নেতারা জানিয়েছেন, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নাটোর থেকে হানিফ, হানিফ কেটিসি, ন্যাশনাল, দেশ, শ্যামলী, গ্রামীণ ট্রাভেলসের বাস চলছে না। তবে একতা ও স্লিপার বাসগুলো চলছে। এ ছাড়া ঢাকামুখী বিভিন্ন পরিবহনের লোকাল বাস চলছে।
আন্তঃজেলা (লোকাল) বাস ঢাকা ছাড়া অন্য রুটে যায় না। এতে সে সব রুটের যাত্রীরা গন্তব্যে যেতে পারছেন না। অন্য বাস বন্ধ থাকায় একতায় চাপ বেড়েছে ঢাকাগামী যাত্রীর। তারাও আর যাত্রী নিতে পারছে না।
শ্রমিকরা জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-ঢাকা রুটে একজন চালককে পারিশ্রমিক হিসেবে ১ হাজার ৩৫০ টাকা, সুপারভাইজরকে ৫৭০ টাকা এবং হেলপারকে ৫৩০ টাকা দেওয়া হয়। গত ১৫ বছরে একতা ছাড়া অন্য পরিবহনের শ্রমিকদের কোনো পারিশ্রমিক বাড়েনি।
রাজশাহী মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম পাখি বলেন, ‘মালিকপক্ষ শ্রমিকদের পারিশ্রমিক বৃদ্ধির জন্য বার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবে কার্যকর হয়নি। এখন শ্রমিকেরা আবার অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছেন।’

শপথ গ্রহণের মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠন করায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ ভেঙে গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
সাবেক সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপসচিব মোহাম্মদ রফিকুল হকের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
১০ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
১০ ঘণ্টা আগে