স্ট্রিম সংবাদদাতা

রংপুর-৪ ও রংপুর-৬ আসনে ‘নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর অভিযোগ তুলে ভোট পুনর্গণনার দাবিতে আজও বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেছেন এই দুই আসনের ভোটারদের একাংশ। গতকাল শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বেসরকারিভাবে ফল প্রকাশের পর থেকেই এই দুই আসনে বিএনপি মনোনীত দুই প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকেরা সড়ক ও উপজেলা পরিষদ চত্বর অবরোধ করে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনে বিএনপি প্রার্থী এমদাদুল হক ভরসা ৯ হাজার ৪০২ ভোটের ব্যবধানে জামায়াত জোট সমর্থিত এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেনের কাছে পরাজিত হয়েছেন। অন্যদিকে, রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসনে বিএনপি প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ২ হাজার ৪২৫ ভোটের ব্যবধানে জামায়াতের প্রার্থী মো. নুরুল আমিনের কাছে হেরে যান।
ভোটের পরদিন শুক্রবার দুপুরে এমদাদুল হক রংপুর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার বাসভবনে গিয়ে ভোট পুনর্গণনার আবেদন করেন। বিকেল থেকে কাউনিয়ার হারাগাছ পৌর শহরে বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা জড়ো হতে থাকেন। রাত ১১টা পর্যন্ত হারাগাছ-রংপুর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে।
শনিবার সকাল থেকে হারাগাছ পৌর শহরে অবরোধ কর্মসূচি অব্যাহত থাকে। ১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত কুড়িগ্রাম-রংপুর আঞ্চলিক সড়কে অবস্থান নেন বিক্ষোভকারীরা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু জেলা প্রশাসক ঘটনাস্থলে না আসা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন বিক্ষোভকারীরা।
শনিবার দুপুরে এমদাদুল হক অভিযোগ করেন, ‘ভোট গণনার সময় প্রশাসনের সহায়তায় ফলাফল পরিবর্তন করা হয়েছে। জনগণের দাবি, ভোট পুনর্গণনা করা হলে প্রকৃত ফল বের হবে। পুনর্গণনার সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চলবে।’
বিজয়ী প্রার্থী আখতার হোসেন অভিযোগ করেছেন, হারাগাছে এমদাদুল হকের সমর্থকেরা ভাড়াটে লোক এনে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছেন, যা নির্বাচনী আচরণবিধির লঙ্ঘন। প্রশাসনকে দ্রুত আইনগতভাবে বিষয়টি সমাধানের আহ্বান জানান তিনি।
অন্যদিকে রংপুর-৬ আসনের বিএনপির প্রার্থী সাইফুল ইসলাম শুক্রবার রাতে পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে ভোটে অনিয়মের অভিযোগ করেন। তিনি দাবি করেন, কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফলের সঙ্গে ফরম-১৬ এর তথ্যের অসামঞ্জস্য, অস্বাভাবিক হারে ভোট বাতিল এবং পোলিং এজেন্টদের কাছ থেকে অপূর্ণ ফরমে সই নেওয়া হয়েছে।
তিনি ফলাফল স্থগিত ও পুনর্গণনার দাবি জানান।

রংপুর-৪ ও রংপুর-৬ আসনে ‘নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর অভিযোগ তুলে ভোট পুনর্গণনার দাবিতে আজও বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেছেন এই দুই আসনের ভোটারদের একাংশ। গতকাল শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বেসরকারিভাবে ফল প্রকাশের পর থেকেই এই দুই আসনে বিএনপি মনোনীত দুই প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকেরা সড়ক ও উপজেলা পরিষদ চত্বর অবরোধ করে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনে বিএনপি প্রার্থী এমদাদুল হক ভরসা ৯ হাজার ৪০২ ভোটের ব্যবধানে জামায়াত জোট সমর্থিত এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেনের কাছে পরাজিত হয়েছেন। অন্যদিকে, রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসনে বিএনপি প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ২ হাজার ৪২৫ ভোটের ব্যবধানে জামায়াতের প্রার্থী মো. নুরুল আমিনের কাছে হেরে যান।
ভোটের পরদিন শুক্রবার দুপুরে এমদাদুল হক রংপুর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার বাসভবনে গিয়ে ভোট পুনর্গণনার আবেদন করেন। বিকেল থেকে কাউনিয়ার হারাগাছ পৌর শহরে বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা জড়ো হতে থাকেন। রাত ১১টা পর্যন্ত হারাগাছ-রংপুর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে।
শনিবার সকাল থেকে হারাগাছ পৌর শহরে অবরোধ কর্মসূচি অব্যাহত থাকে। ১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত কুড়িগ্রাম-রংপুর আঞ্চলিক সড়কে অবস্থান নেন বিক্ষোভকারীরা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু জেলা প্রশাসক ঘটনাস্থলে না আসা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন বিক্ষোভকারীরা।
শনিবার দুপুরে এমদাদুল হক অভিযোগ করেন, ‘ভোট গণনার সময় প্রশাসনের সহায়তায় ফলাফল পরিবর্তন করা হয়েছে। জনগণের দাবি, ভোট পুনর্গণনা করা হলে প্রকৃত ফল বের হবে। পুনর্গণনার সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চলবে।’
বিজয়ী প্রার্থী আখতার হোসেন অভিযোগ করেছেন, হারাগাছে এমদাদুল হকের সমর্থকেরা ভাড়াটে লোক এনে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছেন, যা নির্বাচনী আচরণবিধির লঙ্ঘন। প্রশাসনকে দ্রুত আইনগতভাবে বিষয়টি সমাধানের আহ্বান জানান তিনি।
অন্যদিকে রংপুর-৬ আসনের বিএনপির প্রার্থী সাইফুল ইসলাম শুক্রবার রাতে পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে ভোটে অনিয়মের অভিযোগ করেন। তিনি দাবি করেন, কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফলের সঙ্গে ফরম-১৬ এর তথ্যের অসামঞ্জস্য, অস্বাভাবিক হারে ভোট বাতিল এবং পোলিং এজেন্টদের কাছ থেকে অপূর্ণ ফরমে সই নেওয়া হয়েছে।
তিনি ফলাফল স্থগিত ও পুনর্গণনার দাবি জানান।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৩ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে