
গাজায় বিমান হামলায় হামাসের সামরিক শাখার প্রধানকে হত্যার কথা জানিয়েছে ইসরায়েল। শুক্রবার রাতে ওই হামলা চালানো হয়। গত অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি শুরুর পর ইসরায়েলের হাতে নিহতদের মধ্যে তিনিই হামাসের সবচেয়ে বড় কর্মকর্তা। খবর রয়টার্সের।
হামাসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, বিমান হামলায় হামাসের সামরিক শাখার প্রধান ইজ্জ আল-দীন আল-হাদ্দাদ নিহত হয়েছেন। মধ্য গাজার আল আকসা মার্টিয়ার্স মসজিদে শনিবার (১৬ মে) হাদ্দাদ, তাঁর স্ত্রী ও ১৯ বছরের মেয়ের জানাজা নামাজ হয়েছে।
অবশ্য হামাস আনুষ্ঠানিকভাবে হাদ্দাদের মৃত্যুর ঘোষণা দেয়নি।
স্থানীয় চিকিৎসকদের বরাতে জানা গেছে, শুক্রবার গাজায় অন্তত দুটি হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে তিন নারী, এক শিশুসহ সাত ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
এর আগে শুক্রবার প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানান, হামাস নেতাকে লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়েছে। তবে তিনি নিহত হয়েছেন কিনা, সে বিষয়ে তখন কিছু বলা হয়নি।
নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বলেন, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে চালানো হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী ছিলেন হাদ্দাদ। ওই হামলার পরই গাজায় চলমান সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েল।
তারা বিবৃতিতে আরও বলেন, ২০২৫ সালের মে মাসে মোহাম্মদ সিনওয়ার নিহত হওয়ার পর গাজায় হামাসের সামরিক প্রধানের দায়িত্ব নেন হাদ্দাদ।
হামাসের সূত্রগুলো জানায়, ‘দ্য ঘোস্ট’ নামে পরিচিত হাদ্দাদ এর আগে ইসরায়েলের একাধিক হত্যাচেষ্টা থেকে বেঁচে গিয়েছিলেন। ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর দাবি, তিনি হামাসের সবচেয়ে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালনকারী কমান্ডারদের একজন। ১৯৮০-এর দশকে সংগঠনটির শুরুর সময় থেকে ধাপে ধাপে বিভিন্ন জ্যেষ্ঠ পদে দায়িত্ব পালন করেন।
.png)




-7bb02b-256x144.webp)

