স্ট্রিম ডেস্ক

গ্রিনল্যান্ড নিয়ন্ত্রণে আনার পরিকল্পনায় সমর্থন না দিলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গ্রিনল্যান্ড অপরিহার্য।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) হোয়াইট হাউসে এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। ট্রাম্প বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ওষুধ আমদানিতে শুল্ক আরোপ করেছি। গ্রিনল্যান্ডের বিষয়ে যারা বিরোধিতা করবে, তাদের বিরুদ্ধেও একই ব্যবস্থা নিবো।
২০২৪-এর জানুয়ারিতে ক্ষমতায় ফেরার পর থেকেই ট্রাম্প বারবার গ্রিনল্যান্ড দখলের ইচ্ছা প্রকাশ করে আসছেন। ডেনমার্ক ও ইউরোপীয় দেশগুলো এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। ট্রাম্পের যুক্তি, কৌশলগত অবস্থান ও বিপুল খনিজ সম্পদের কারণে গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তিনি এটি দখলে শক্তি প্রয়োগের সম্ভাবনাও নাকচ করেননি।
এদিকে ট্রাম্পের হুমকির মুখে পরিস্থিতি শান্ত করতে ডেনমার্ক সফরে গেছে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের একটি প্রতিনিধিদল। ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর ক্রিস কুনসের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের ওই দল শুক্রবার কোপেনহেগেনে ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন ও গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেনের সঙ্গে বৈঠক করেছে।
বৈঠকের পর সিনেটর কুনস বলেন, ওয়াশিংটনে অনেক বাগাড়ম্বর হলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন। তাঁরা দেশে ফিরে উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা করবেন।
রিপাবলিকান সিনেটর লিসা মুরকাউস্কি বলেন, গ্রিনল্যান্ডকে ‘সম্পদ’ হিসেবে নয়, ‘মিত্র’ হিসেবে দেখতে হবে। তিনি জানান, আমেরিকার ৭৫ শতাংশ মানুষ গ্রিনল্যান্ড কেনার ধারণাকে সমর্থন করে না।
অন্যদিকে ডেনমার্কের অনুরোধে ইউরোপীয় দেশগুলো চলতি সপ্তাহে গ্রিনল্যান্ডে সেনা পাঠিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ‘যৌথ সামরিক মহড়ায়’ অংশ হিসেবে সর্বশেষ দল হিসেবে ফ্রান্সের ১৫ সদস্যদের একটি ছোট সেনাবহর সেখানে পৌঁছায়। এর আগে জার্মানি, ফিনল্যান্ড, সুইডেন, নরওয়ে, যুক্তরাজ্য ও নেদারল্যান্ডস সীমিত আকারে গ্রিনল্যান্ডে তাদের সেনা পাঠিয়েছে।

গ্রিনল্যান্ড নিয়ন্ত্রণে আনার পরিকল্পনায় সমর্থন না দিলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গ্রিনল্যান্ড অপরিহার্য।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) হোয়াইট হাউসে এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। ট্রাম্প বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ওষুধ আমদানিতে শুল্ক আরোপ করেছি। গ্রিনল্যান্ডের বিষয়ে যারা বিরোধিতা করবে, তাদের বিরুদ্ধেও একই ব্যবস্থা নিবো।
২০২৪-এর জানুয়ারিতে ক্ষমতায় ফেরার পর থেকেই ট্রাম্প বারবার গ্রিনল্যান্ড দখলের ইচ্ছা প্রকাশ করে আসছেন। ডেনমার্ক ও ইউরোপীয় দেশগুলো এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। ট্রাম্পের যুক্তি, কৌশলগত অবস্থান ও বিপুল খনিজ সম্পদের কারণে গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তিনি এটি দখলে শক্তি প্রয়োগের সম্ভাবনাও নাকচ করেননি।
এদিকে ট্রাম্পের হুমকির মুখে পরিস্থিতি শান্ত করতে ডেনমার্ক সফরে গেছে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের একটি প্রতিনিধিদল। ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর ক্রিস কুনসের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের ওই দল শুক্রবার কোপেনহেগেনে ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন ও গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেনের সঙ্গে বৈঠক করেছে।
বৈঠকের পর সিনেটর কুনস বলেন, ওয়াশিংটনে অনেক বাগাড়ম্বর হলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন। তাঁরা দেশে ফিরে উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা করবেন।
রিপাবলিকান সিনেটর লিসা মুরকাউস্কি বলেন, গ্রিনল্যান্ডকে ‘সম্পদ’ হিসেবে নয়, ‘মিত্র’ হিসেবে দেখতে হবে। তিনি জানান, আমেরিকার ৭৫ শতাংশ মানুষ গ্রিনল্যান্ড কেনার ধারণাকে সমর্থন করে না।
অন্যদিকে ডেনমার্কের অনুরোধে ইউরোপীয় দেশগুলো চলতি সপ্তাহে গ্রিনল্যান্ডে সেনা পাঠিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ‘যৌথ সামরিক মহড়ায়’ অংশ হিসেবে সর্বশেষ দল হিসেবে ফ্রান্সের ১৫ সদস্যদের একটি ছোট সেনাবহর সেখানে পৌঁছায়। এর আগে জার্মানি, ফিনল্যান্ড, সুইডেন, নরওয়ে, যুক্তরাজ্য ও নেদারল্যান্ডস সীমিত আকারে গ্রিনল্যান্ডে তাদের সেনা পাঠিয়েছে।

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লাহ আলী খামেনি বলেছেন, গত ৪৭ বছরেও ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানকে ধ্বংস করতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। ভবিষ্যতেও পারবে না।
১০ ঘণ্টা আগে
ভারতের কর্ণাটকে ইসরায়েলি এক নারীসহ দুই পর্যটককে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও এক পুরুষকে হত্যার দায়ে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
১ দিন আগে
দ্বিতীয় দফায় পরমাণু চুক্তি নিয়ে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে তেহরান ও ওয়াশিংটন। আলোচনায় অংশ নিতে ইতিমধ্যে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি জেনেভায় পৌঁছেছেন। এই আলোচনার লক্ষ্য দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমানো এবং নতুন সামরিক সংঘাত এড়ানো।
১ দিন আগে
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার পারমাণবিক আলোচনায় অংশ নিতে জেনেভায় পৌঁছেছেন। এই আলোচনার লক্ষ্য উত্তেজনা কমানো এবং নতুন কোনো সামরিক সংঘাত এড়ানো।
১ দিন আগে