স্ট্রিম ডেস্ক

বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর সহিংসতার অভিযোগকে কেন্দ্র করে ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন চলছে। এরই মধ্যে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) কলকাতা নাইট রাইডার্সকে বাংলাদেশি ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল দল থেকে বাদ দিতে নির্দেশ দিয়েছে।
এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন ভারতের সংসদের পররাষ্ট্রবিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবং কংগ্রেস এমপি শশী থারুর। তিনি বলেছেন, ভারত ও বাংলাদেশের সংবেদনশীল কূটনৈতিক সম্পর্কে ক্রিকেটকে বলি দেওয়া ঠিক নয়।
দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে শশী থারুর বাংলাদেশে সহিংসতার প্রভাব, ক্রিকেটে তার প্রতিফলন এবং ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের পর ভূরাজনীতি নিয়েও কথা বলেন।
শশী থারুর: বিসিসিআইয়ের এই সিদ্ধান্ত একেবারেই নিন্দনীয়। এটি খেলাধুলার অপ্রয়োজনীয় রাজনীতিকরণ।
ক্রিকেটের দৃষ্টিকোণ থেকেও এই সিদ্ধান্তের কোনো যুক্তি নেই। বিসিসিআই নিজেই একটি নিবন্ধিত খেলোয়াড় তালিকা তৈরি করেছিল। সেখান থেকেই দলগুলো খেলোয়াড় বেছে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিল।
মুস্তাফিজ যদি সেই তালিকায় থাকেন, তাহলে তাঁকে দলে নেওয়ার দায় কলকাতা নাইট রাইডার্সের ওপর চাপানো যায় না। যে খেলোয়াড়কে বিসিসিআই যোগ্য বলে তালিকাভুক্ত করেছে, তাকে বেছে নেওয়ায় আপত্তি কোথায়?
শশী থারুর: বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত সংবেদনশীল কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক বিষয়। এখানে আমরা একটি জটিল পরিস্থিতি সামলাচ্ছি।
এটা সত্য যে, বাংলাদেশে জনমনে উত্তেজনার ফলেই সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা হয়েছে। এর প্রভাব ভারতের জনমতও উত্তপ্ত হয়েছে।
তবে ভারত সরকার পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা করছে। বিশেষ করে আগামী মাসে বাংলাদেশে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনের আগে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতা তারেক রহমানের সঙ্গেও যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে। অনেকে তাকে ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখছেন।
ভারত সরকার বাংলাদেশ সরকারকে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে—সংখ্যালঘুদের ভয়ভীতি দেখানো সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের পরিবেশ নয়।
এই জটিল কূটনৈতিক পরিস্থিতিতে সব বাংলাদেশি খেলোয়াড়কে বয়কট করার সিদ্ধান্ত ভুল বার্তা দিচ্ছে। আগামী ফেব্রুয়ারিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দল ভারতে খেলতে আসবে। চারটি ম্যাচ ভারতে হওয়ার কথা।

তখন কী হবে? বাংলাদেশ দলকে কি খেলতে দেওয়া হবে না? বিশ্বকাপের সূচি কি বাতিল হয়ে যাবে?
পাকিস্তান ও বাংলাদেশ চাইতে পারে ভারত যেন আয়োজক দেশের মর্যাদা হারায়। বিসিসিআই এসব দিক একেবারেই বিবেচনা করেনি। এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত অদূরদর্শী এবং তা মারাত্মক ভুল।
শশী থারুর: আমার একটি নৈতিক আপত্তি আছে। কেন শুধু খেলাধুলা, বিশেষ করে ক্রিকেটকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ক্ষোভের বোঝা বইতে হবে? ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আরও বিভিন্ন স্তরে যোগাযোগ ও সহযোগিতা চলছে। কিন্তু চাপ এসে পড়ছে শুধু ক্রিকেটের ওপর।
আর সেই চাপ গিয়ে পড়ছে এমন একজন খেলোয়াড়ের ওপর, যিনি কখনো ঘৃণামূলক বক্তব্য দেননি। কখনো ভারতের বিরুদ্ধে কিছু বলেননি। বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধেও কোনো মন্তব্য করেননি। তিনি শুধুই একজন ক্রীড়াবিদ। আমরা কাকে শাস্তি দিচ্ছি?
যদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ক্ষোভের অর্থ হয় সব বাংলাদেশি ক্রিকেটারই ভারতে খেলার অযোগ্য, তাহলে প্রশ্ন আরও গভীর হয়। বাংলাদেশের হিন্দু ক্রিকেটার লিটন দাস বা সৌম্য সরকার যদি এ বছর দলে নির্বাচিত হতেন, তাহলে কি তাদেরও বাদ দেওয়া হতো?
যদি না হতো, তবে আমরা কী বার্তা দিচ্ছি? আমরা কি এমন একটি অসহিষ্ণু দেশ, যেখানে মুসলিম বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া হয়, কিন্তু হিন্দু বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে নয়?
এই সিদ্ধান্ত একেবারেই ভেবে-চিন্তে নেওয়া হয়নি। সম্ভবত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের চাপে এই তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আমার কাছে এটি একেবারেই অযৌক্তিক বলে মনে হচ্ছে। এতে ভারতের মর্যাদা, ভারতের কূটনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দুর্বল হয় দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক। একটি উদার ও মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে ভারতের সংস্কৃতিও প্রশ্নের মুখে পড়ে।
শশী থারুর: আমি এই সিদ্ধান্ত একেবারেই বুঝতে পারছি না। যারা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তাদেরই এর ব্যাখ্যা দেওয়া উচিত। তাহলে কি তারা এখন বিশ্বকাপও স্থগিত করতে চান?
শশী থারুর: না, বাংলাদেশ পাকিস্তান নয়। বাংলাদেশ সীমান্ত পেরিয়ে সন্ত্রাসী পাঠায়নি। এই দুই পরিস্থিতি একেবারেই তুলনীয় নয়। তাছাড়া, দুই দেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কও ভিন্ন। বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা ও সম্পর্কের স্তর পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের থেকে আলাদা। তাই এই দুই দেশকে এক সমীকরণে ফেলা যায় না।
শশী থারুর: সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের সংবেদনশীলতা বিবেচনায়, এই ঘটনার বিষয়ে মন্তব্য সরকারকেই করতে দেওয়া উচিত। তবে বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে স্পষ্ট যে গত ২৫ বছরে বহু দেশ আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের পুরোনো ধারণা উপেক্ষা করেছে। এর ফলে পুরোনো বিশ্বব্যবস্থা ক্রমেই একটি নতুন বৈশ্বিক বিশৃঙ্খলার রূপ নিচ্ছে। এই অস্থিরতার মধ্যে ভারতের ভূমিকা নির্ধারণ করাই আজ ভারতীয় কূটনীতির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
শশী থারুর: আমার কোনো সন্দেহ নেই যে, অনেক সময় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যা বলে না, সেটিই তাদের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের চেয়ে বেশি তাৎপর্যপূর্ণ হয়।

বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর সহিংসতার অভিযোগকে কেন্দ্র করে ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন চলছে। এরই মধ্যে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) কলকাতা নাইট রাইডার্সকে বাংলাদেশি ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল দল থেকে বাদ দিতে নির্দেশ দিয়েছে।
এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন ভারতের সংসদের পররাষ্ট্রবিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবং কংগ্রেস এমপি শশী থারুর। তিনি বলেছেন, ভারত ও বাংলাদেশের সংবেদনশীল কূটনৈতিক সম্পর্কে ক্রিকেটকে বলি দেওয়া ঠিক নয়।
দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে শশী থারুর বাংলাদেশে সহিংসতার প্রভাব, ক্রিকেটে তার প্রতিফলন এবং ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের পর ভূরাজনীতি নিয়েও কথা বলেন।
শশী থারুর: বিসিসিআইয়ের এই সিদ্ধান্ত একেবারেই নিন্দনীয়। এটি খেলাধুলার অপ্রয়োজনীয় রাজনীতিকরণ।
ক্রিকেটের দৃষ্টিকোণ থেকেও এই সিদ্ধান্তের কোনো যুক্তি নেই। বিসিসিআই নিজেই একটি নিবন্ধিত খেলোয়াড় তালিকা তৈরি করেছিল। সেখান থেকেই দলগুলো খেলোয়াড় বেছে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিল।
মুস্তাফিজ যদি সেই তালিকায় থাকেন, তাহলে তাঁকে দলে নেওয়ার দায় কলকাতা নাইট রাইডার্সের ওপর চাপানো যায় না। যে খেলোয়াড়কে বিসিসিআই যোগ্য বলে তালিকাভুক্ত করেছে, তাকে বেছে নেওয়ায় আপত্তি কোথায়?
শশী থারুর: বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত সংবেদনশীল কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক বিষয়। এখানে আমরা একটি জটিল পরিস্থিতি সামলাচ্ছি।
এটা সত্য যে, বাংলাদেশে জনমনে উত্তেজনার ফলেই সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা হয়েছে। এর প্রভাব ভারতের জনমতও উত্তপ্ত হয়েছে।
তবে ভারত সরকার পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা করছে। বিশেষ করে আগামী মাসে বাংলাদেশে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনের আগে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতা তারেক রহমানের সঙ্গেও যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে। অনেকে তাকে ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখছেন।
ভারত সরকার বাংলাদেশ সরকারকে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে—সংখ্যালঘুদের ভয়ভীতি দেখানো সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের পরিবেশ নয়।
এই জটিল কূটনৈতিক পরিস্থিতিতে সব বাংলাদেশি খেলোয়াড়কে বয়কট করার সিদ্ধান্ত ভুল বার্তা দিচ্ছে। আগামী ফেব্রুয়ারিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দল ভারতে খেলতে আসবে। চারটি ম্যাচ ভারতে হওয়ার কথা।

তখন কী হবে? বাংলাদেশ দলকে কি খেলতে দেওয়া হবে না? বিশ্বকাপের সূচি কি বাতিল হয়ে যাবে?
পাকিস্তান ও বাংলাদেশ চাইতে পারে ভারত যেন আয়োজক দেশের মর্যাদা হারায়। বিসিসিআই এসব দিক একেবারেই বিবেচনা করেনি। এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত অদূরদর্শী এবং তা মারাত্মক ভুল।
শশী থারুর: আমার একটি নৈতিক আপত্তি আছে। কেন শুধু খেলাধুলা, বিশেষ করে ক্রিকেটকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ক্ষোভের বোঝা বইতে হবে? ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আরও বিভিন্ন স্তরে যোগাযোগ ও সহযোগিতা চলছে। কিন্তু চাপ এসে পড়ছে শুধু ক্রিকেটের ওপর।
আর সেই চাপ গিয়ে পড়ছে এমন একজন খেলোয়াড়ের ওপর, যিনি কখনো ঘৃণামূলক বক্তব্য দেননি। কখনো ভারতের বিরুদ্ধে কিছু বলেননি। বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধেও কোনো মন্তব্য করেননি। তিনি শুধুই একজন ক্রীড়াবিদ। আমরা কাকে শাস্তি দিচ্ছি?
যদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ক্ষোভের অর্থ হয় সব বাংলাদেশি ক্রিকেটারই ভারতে খেলার অযোগ্য, তাহলে প্রশ্ন আরও গভীর হয়। বাংলাদেশের হিন্দু ক্রিকেটার লিটন দাস বা সৌম্য সরকার যদি এ বছর দলে নির্বাচিত হতেন, তাহলে কি তাদেরও বাদ দেওয়া হতো?
যদি না হতো, তবে আমরা কী বার্তা দিচ্ছি? আমরা কি এমন একটি অসহিষ্ণু দেশ, যেখানে মুসলিম বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া হয়, কিন্তু হিন্দু বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে নয়?
এই সিদ্ধান্ত একেবারেই ভেবে-চিন্তে নেওয়া হয়নি। সম্ভবত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের চাপে এই তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আমার কাছে এটি একেবারেই অযৌক্তিক বলে মনে হচ্ছে। এতে ভারতের মর্যাদা, ভারতের কূটনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দুর্বল হয় দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক। একটি উদার ও মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে ভারতের সংস্কৃতিও প্রশ্নের মুখে পড়ে।
শশী থারুর: আমি এই সিদ্ধান্ত একেবারেই বুঝতে পারছি না। যারা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তাদেরই এর ব্যাখ্যা দেওয়া উচিত। তাহলে কি তারা এখন বিশ্বকাপও স্থগিত করতে চান?
শশী থারুর: না, বাংলাদেশ পাকিস্তান নয়। বাংলাদেশ সীমান্ত পেরিয়ে সন্ত্রাসী পাঠায়নি। এই দুই পরিস্থিতি একেবারেই তুলনীয় নয়। তাছাড়া, দুই দেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কও ভিন্ন। বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা ও সম্পর্কের স্তর পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের থেকে আলাদা। তাই এই দুই দেশকে এক সমীকরণে ফেলা যায় না।
শশী থারুর: সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের সংবেদনশীলতা বিবেচনায়, এই ঘটনার বিষয়ে মন্তব্য সরকারকেই করতে দেওয়া উচিত। তবে বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে স্পষ্ট যে গত ২৫ বছরে বহু দেশ আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের পুরোনো ধারণা উপেক্ষা করেছে। এর ফলে পুরোনো বিশ্বব্যবস্থা ক্রমেই একটি নতুন বৈশ্বিক বিশৃঙ্খলার রূপ নিচ্ছে। এই অস্থিরতার মধ্যে ভারতের ভূমিকা নির্ধারণ করাই আজ ভারতীয় কূটনীতির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
শশী থারুর: আমার কোনো সন্দেহ নেই যে, অনেক সময় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যা বলে না, সেটিই তাদের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের চেয়ে বেশি তাৎপর্যপূর্ণ হয়।

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লাহ আলী খামেনি বলেছেন, গত ৪৭ বছরেও ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানকে ধ্বংস করতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। ভবিষ্যতেও পারবে না।
১০ ঘণ্টা আগে
ভারতের কর্ণাটকে ইসরায়েলি এক নারীসহ দুই পর্যটককে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও এক পুরুষকে হত্যার দায়ে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
১ দিন আগে
দ্বিতীয় দফায় পরমাণু চুক্তি নিয়ে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে তেহরান ও ওয়াশিংটন। আলোচনায় অংশ নিতে ইতিমধ্যে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি জেনেভায় পৌঁছেছেন। এই আলোচনার লক্ষ্য দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমানো এবং নতুন সামরিক সংঘাত এড়ানো।
১ দিন আগে
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার পারমাণবিক আলোচনায় অংশ নিতে জেনেভায় পৌঁছেছেন। এই আলোচনার লক্ষ্য উত্তেজনা কমানো এবং নতুন কোনো সামরিক সংঘাত এড়ানো।
১ দিন আগে