স্ট্রিম ডেস্ক

বাণিজ্য চুক্তি অনুমোদনে দেরি করার অভিযোগ তুলে দক্ষিণ কোরিয়ার ওপর কঠোর অবস্থান নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার তিনি দেশটির রপ্তানি পণ্যের ওপর শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করার ঘোষণা দেন। ট্রাম্পের এই আকস্মিক সিদ্ধান্তে দক্ষিণ কোরিয়ার গাড়ি ও ওষুধ শিল্প বড় ধরনের সংকটে পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে সোমবার এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, তিনি শুল্কের হার ১৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করছেন। গত বছর ওয়াশিংটন ও সিউলের মধ্যে এই বাণিজ্য চুক্তি সই হয়েছিল। তবে কোরিয়ার আইনসভা এটি অনুমোদন করতে ব্যর্থ হয়েছে।
ট্রাম্প জানান, এই বর্ধিত শুল্ক গাড়ি, কাঠ এবং ওষুধসহ বিভিন্ন পণ্যের ওপর কার্যকর হবে। এ ছাড়া তাঁর পাল্টা শুল্কের আওতায় থাকা সব পণ্যের ওপরই এই নতুন হার প্রযোজ্য হবে।
যদিও এই ঘোষণা নিয়ে হোয়াইট হাউস এখনো কোনো নির্বাহী আদেশ জারি করেনি। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কার্যালয় জানিয়েছে, তারা আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো এ বিষয়ে কিছু জানে না। সিউল জানিয়েছে, কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী কিম জুং-কোয়ান বর্তমানে কানাডায় আছেন। তিনি দ্রুত যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে মার্কিন বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিকের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়া গত জুলাই মাসে একটি প্রাথমিক বাণিজ্য চুক্তির ঘোষণা দিয়েছিল। তখন ট্রাম্প দক্ষিণ কোরিয়ার পণ্যের ওপর শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করতে রাজি হয়েছিলেন।
গত অক্টোবরে দক্ষিণ কোরিয়ার জিয়ংজুতে অনুষ্ঠিত এপিইসি সম্মেলনের ফাঁকে ট্রাম্প ও কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং বৈঠক করেন। সেখানে দক্ষিণ কোরিয়ার গাড়ি রপ্তানির ওপর ১৫ শতাংশ শুল্ক সুবিধা বজায় রাখার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছিল।
চুক্তি অনুযায়ী, সিউল সেমিকন্ডাক্টর ও জাহাজ নির্মাণ শিল্পসহ যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান শিল্পগুলোতে ৩৫০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেয়।
প্রেসিডেন্ট লি-র দল ‘ডেমোক্র্যাটিক পার্টি’ গত নভেম্বরে পার্লামেন্টে এই সংক্রান্ত একটি বিল উত্থাপন করে। কিন্তু বিলটি এখনো আইন সভায় আটকা পড়ে আছে।
ট্রাম্পের এই শুল্কের হুমকি দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনীতির জন্য বড় উদ্বেগের কারণ। দেশটির অর্থনীতি ব্যাপকভাবে রপ্তানির ওপর নির্ভরশীল। গত কয়েক বছরে কোরিয়ার প্রবৃদ্ধির গতি কমেছে।
ট্রাম্পের শুল্কের কারণে কোরিয়ার গাড়ি ও যন্ত্রপাতির চাহিদা কমছে। তবে চীনের পর যুক্তরাষ্ট্রই দেশটির প্রধান রপ্তানি বাজার। ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে দক্ষিণ কোরিয়ার রপ্তানি ছিল ১২২ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার। এটি আগের বছরের তুলনায় ৩ দশমিক ৮ শতাংশ কম।
সূত্র: আল-জাজিরা

বাণিজ্য চুক্তি অনুমোদনে দেরি করার অভিযোগ তুলে দক্ষিণ কোরিয়ার ওপর কঠোর অবস্থান নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার তিনি দেশটির রপ্তানি পণ্যের ওপর শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করার ঘোষণা দেন। ট্রাম্পের এই আকস্মিক সিদ্ধান্তে দক্ষিণ কোরিয়ার গাড়ি ও ওষুধ শিল্প বড় ধরনের সংকটে পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে সোমবার এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, তিনি শুল্কের হার ১৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করছেন। গত বছর ওয়াশিংটন ও সিউলের মধ্যে এই বাণিজ্য চুক্তি সই হয়েছিল। তবে কোরিয়ার আইনসভা এটি অনুমোদন করতে ব্যর্থ হয়েছে।
ট্রাম্প জানান, এই বর্ধিত শুল্ক গাড়ি, কাঠ এবং ওষুধসহ বিভিন্ন পণ্যের ওপর কার্যকর হবে। এ ছাড়া তাঁর পাল্টা শুল্কের আওতায় থাকা সব পণ্যের ওপরই এই নতুন হার প্রযোজ্য হবে।
যদিও এই ঘোষণা নিয়ে হোয়াইট হাউস এখনো কোনো নির্বাহী আদেশ জারি করেনি। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কার্যালয় জানিয়েছে, তারা আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো এ বিষয়ে কিছু জানে না। সিউল জানিয়েছে, কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী কিম জুং-কোয়ান বর্তমানে কানাডায় আছেন। তিনি দ্রুত যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে মার্কিন বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিকের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়া গত জুলাই মাসে একটি প্রাথমিক বাণিজ্য চুক্তির ঘোষণা দিয়েছিল। তখন ট্রাম্প দক্ষিণ কোরিয়ার পণ্যের ওপর শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করতে রাজি হয়েছিলেন।
গত অক্টোবরে দক্ষিণ কোরিয়ার জিয়ংজুতে অনুষ্ঠিত এপিইসি সম্মেলনের ফাঁকে ট্রাম্প ও কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং বৈঠক করেন। সেখানে দক্ষিণ কোরিয়ার গাড়ি রপ্তানির ওপর ১৫ শতাংশ শুল্ক সুবিধা বজায় রাখার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছিল।
চুক্তি অনুযায়ী, সিউল সেমিকন্ডাক্টর ও জাহাজ নির্মাণ শিল্পসহ যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান শিল্পগুলোতে ৩৫০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেয়।
প্রেসিডেন্ট লি-র দল ‘ডেমোক্র্যাটিক পার্টি’ গত নভেম্বরে পার্লামেন্টে এই সংক্রান্ত একটি বিল উত্থাপন করে। কিন্তু বিলটি এখনো আইন সভায় আটকা পড়ে আছে।
ট্রাম্পের এই শুল্কের হুমকি দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনীতির জন্য বড় উদ্বেগের কারণ। দেশটির অর্থনীতি ব্যাপকভাবে রপ্তানির ওপর নির্ভরশীল। গত কয়েক বছরে কোরিয়ার প্রবৃদ্ধির গতি কমেছে।
ট্রাম্পের শুল্কের কারণে কোরিয়ার গাড়ি ও যন্ত্রপাতির চাহিদা কমছে। তবে চীনের পর যুক্তরাষ্ট্রই দেশটির প্রধান রপ্তানি বাজার। ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে দক্ষিণ কোরিয়ার রপ্তানি ছিল ১২২ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার। এটি আগের বছরের তুলনায় ৩ দশমিক ৮ শতাংশ কম।
সূত্র: আল-জাজিরা

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লাহ আলী খামেনি বলেছেন, গত ৪৭ বছরেও ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানকে ধ্বংস করতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। ভবিষ্যতেও পারবে না।
১০ ঘণ্টা আগে
ভারতের কর্ণাটকে ইসরায়েলি এক নারীসহ দুই পর্যটককে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও এক পুরুষকে হত্যার দায়ে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
১ দিন আগে
দ্বিতীয় দফায় পরমাণু চুক্তি নিয়ে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে তেহরান ও ওয়াশিংটন। আলোচনায় অংশ নিতে ইতিমধ্যে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি জেনেভায় পৌঁছেছেন। এই আলোচনার লক্ষ্য দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমানো এবং নতুন সামরিক সংঘাত এড়ানো।
১ দিন আগে
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার পারমাণবিক আলোচনায় অংশ নিতে জেনেভায় পৌঁছেছেন। এই আলোচনার লক্ষ্য উত্তেজনা কমানো এবং নতুন কোনো সামরিক সংঘাত এড়ানো।
১ দিন আগে