স্ট্রিম ডেস্ক

সোমালিল্যান্ডকে ইসরায়েলের স্বীকৃতির প্রেক্ষাপটে সুরক্ষা নিশ্চিতে সৌদি আরবের সঙ্গে প্রতিরক্ষা ও সামরিক সহযোগিতা চুক্তি সই করেছে সোমালিয়া। এর আগে কাতারের সাথেও অনুরূপ চুক্তি করেছিল দেশটি।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সৌদি রাজধানী রিয়াদে সোমালিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আহমেদ মোয়ালিম ফিকি এবং সৌদির প্রতিরক্ষা মন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান বিন আব্দুল আজিজ এই সমঝোতা স্মারক সই করেন। সোমালিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই চুক্তির লক্ষ্য হলো দুই দেশের মধ্যে সামরিক কাঠামোর উন্নয়ন ও উভয় পক্ষের কৌশলগত স্বার্থ রক্ষা করা।
গত ডিসেম্বরে বিচ্ছিন্নতাবাদী অঞ্চল সোমালিল্যান্ডকে ইসরায়েলের স্বীকৃতির পর থেকে সোমালিয়ার এই কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়। সোমালিয়ার আশঙ্কা, ইসরায়েল ওই অঞ্চলে একটি সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের পরিকল্পনা করছে। এই ঘাঁটি সোমালিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলোতে ইসরায়েলের আক্রমণের জন্য ব্যবহৃত হতে পারে।
সোমালি প্রেসিডেন্ট হাসান শেখ মাহমুদ আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, তারা কখনোই সোমালিল্যান্ডে ইসরায়েলি ঘাঁটি হতে দেবেন না এবং যেকোনো ধরনের আগ্রাসন প্রতিহত করতে তারা প্রস্তুত।
এরই ধারাবাহিকতায় সোমালিয়া গত মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) সঙ্গে বন্দর পরিচালনা ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক সকল চুক্তি বাতিল করেছে। অভিযোগ উঠেছে, সোমালিল্যান্ডকে ইসরায়েলি স্বীকৃতির ক্ষেত্রে ইউএই মধ্যস্থতা করেছে। উল্লেখ্য, ২০২০ সালে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসের আওতায় ইউএই ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করেছিল।
সোমালিয়ার এই অবস্থান এমন এক সময়ে এল যখন সৌদি আরব ও আরব আমিরাতের মধ্যকার সম্পর্কেও উত্তেজনা বিরাজ করছে। ইয়েমেন ও সুদানের গৃহযুদ্ধ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মতবিরোধ এখন স্পষ্ট। সুদান সরকার ইতিমধ্যে ইউএইর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে গণহত্যায় সহযোগিতার মামলা করেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সোমালিয়া ও সৌদির এই নতুন সামরিক জোট হর্ন অফ আফ্রিকা এবং লোহিত সাগর অঞ্চলের ভূ-রাজনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে।

সোমালিল্যান্ডকে ইসরায়েলের স্বীকৃতির প্রেক্ষাপটে সুরক্ষা নিশ্চিতে সৌদি আরবের সঙ্গে প্রতিরক্ষা ও সামরিক সহযোগিতা চুক্তি সই করেছে সোমালিয়া। এর আগে কাতারের সাথেও অনুরূপ চুক্তি করেছিল দেশটি।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সৌদি রাজধানী রিয়াদে সোমালিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আহমেদ মোয়ালিম ফিকি এবং সৌদির প্রতিরক্ষা মন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান বিন আব্দুল আজিজ এই সমঝোতা স্মারক সই করেন। সোমালিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই চুক্তির লক্ষ্য হলো দুই দেশের মধ্যে সামরিক কাঠামোর উন্নয়ন ও উভয় পক্ষের কৌশলগত স্বার্থ রক্ষা করা।
গত ডিসেম্বরে বিচ্ছিন্নতাবাদী অঞ্চল সোমালিল্যান্ডকে ইসরায়েলের স্বীকৃতির পর থেকে সোমালিয়ার এই কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়। সোমালিয়ার আশঙ্কা, ইসরায়েল ওই অঞ্চলে একটি সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের পরিকল্পনা করছে। এই ঘাঁটি সোমালিয়ার প্রতিবেশী দেশগুলোতে ইসরায়েলের আক্রমণের জন্য ব্যবহৃত হতে পারে।
সোমালি প্রেসিডেন্ট হাসান শেখ মাহমুদ আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, তারা কখনোই সোমালিল্যান্ডে ইসরায়েলি ঘাঁটি হতে দেবেন না এবং যেকোনো ধরনের আগ্রাসন প্রতিহত করতে তারা প্রস্তুত।
এরই ধারাবাহিকতায় সোমালিয়া গত মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) সঙ্গে বন্দর পরিচালনা ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক সকল চুক্তি বাতিল করেছে। অভিযোগ উঠেছে, সোমালিল্যান্ডকে ইসরায়েলি স্বীকৃতির ক্ষেত্রে ইউএই মধ্যস্থতা করেছে। উল্লেখ্য, ২০২০ সালে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসের আওতায় ইউএই ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করেছিল।
সোমালিয়ার এই অবস্থান এমন এক সময়ে এল যখন সৌদি আরব ও আরব আমিরাতের মধ্যকার সম্পর্কেও উত্তেজনা বিরাজ করছে। ইয়েমেন ও সুদানের গৃহযুদ্ধ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মতবিরোধ এখন স্পষ্ট। সুদান সরকার ইতিমধ্যে ইউএইর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে গণহত্যায় সহযোগিতার মামলা করেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সোমালিয়া ও সৌদির এই নতুন সামরিক জোট হর্ন অফ আফ্রিকা এবং লোহিত সাগর অঞ্চলের ভূ-রাজনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে।

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লাহ আলী খামেনি বলেছেন, গত ৪৭ বছরেও ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানকে ধ্বংস করতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। ভবিষ্যতেও পারবে না।
৭ ঘণ্টা আগে
ভারতের কর্ণাটকে ইসরায়েলি এক নারীসহ দুই পর্যটককে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও এক পুরুষকে হত্যার দায়ে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
১ দিন আগে
দ্বিতীয় দফায় পরমাণু চুক্তি নিয়ে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে তেহরান ও ওয়াশিংটন। আলোচনায় অংশ নিতে ইতিমধ্যে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি জেনেভায় পৌঁছেছেন। এই আলোচনার লক্ষ্য দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমানো এবং নতুন সামরিক সংঘাত এড়ানো।
১ দিন আগে
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার পারমাণবিক আলোচনায় অংশ নিতে জেনেভায় পৌঁছেছেন। এই আলোচনার লক্ষ্য উত্তেজনা কমানো এবং নতুন কোনো সামরিক সংঘাত এড়ানো।
১ দিন আগে