স্ট্রিম ডেস্ক

বিক্ষোভকারীদের উৎসাহ দিতে ইরানে হামলার পরিকল্পনা করছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর এই হামলার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু হতে পারে ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী এবং দেশটির নেতারা।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদসংস্থা রয়টার্স।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েল এবং আরবের কর্মকর্তারা বলেছেন, শুধু বিমান হামলা করে ইরানের শাসকদের ক্ষমতাচ্যুত করা যাবে না। তারপরও ট্রাম্প এই পরিকল্পনা করেছেন।
বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছেন যুক্তরাষ্ট্রের এমন দুটি সূত্র বলছে, চলতি মাসের শুরুতে ইরানজুড়ে হওয়া বিক্ষোভে দেশটির সরকার ব্যাপক দমন-পীড়ন চালায়। এতে হাজারো মানুষ নিহত হওয়ার পর ইরানে ‘শাসক পরিবর্তনের’ পরিস্থিতি তৈরি করতে চাচ্ছেন ট্রাম্প।
আর সেটি করতে তিনি এমন সব সামরিক কমান্ডার এবং প্রতিষ্ঠানের ওপর হামলার পথ খুঁজছেন— ওয়াশিংটন যাদের বিক্ষোভ চলাকালীন সহিংসতার জন্য দায়ী মনে করে। উদ্দেশ্য হলো— বিক্ষোভকারীরা যেন সরকারি ও নিরাপত্তা ভবনগুলো নিজেদের দখলে নিতে পারে সেই আত্মবিশ্বাস ফেরানো।
একটি সূত্রের মতে, দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলবে এমন বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা নিয়ে ট্রাম্পের সহযোগীরা আলোচনা করছেন। এই সম্ভাব্য হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র অথবা দেশটির পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের ওপর ওই ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালানোর সক্ষমতা রয়েছে ইরানের।
অপর সূত্রটি বলছে, সামরিক পথ বেছে নেওয়া হবে কি না সেটি সহ পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে ট্রাম্প এখনও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেননি।
চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর বিমানবাহী রণতরির একটি বহর পারস্য উপসাগরে পৌঁছায়। এর ফলে ট্রাম্পের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ইরানের দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে বারবার হস্তক্ষেপের হুমকির পর এই বহর সেখানে পৌঁছায়।
এদিকে, ইরানে হামলা চালানোর এই পরিকল্পনার বিষয়টি আরবের কয়েকটি দেশ, পশ্চিমা কয়েকটি দেশের সরকারকে জানিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের এ পরিকল্পনা সম্পর্কে অবগত আছেন আরবের এমন চার কর্মকর্তা, তিনজন পশ্চিমা কূটনীতিক ও একজন ঊর্ধ্বতন সূত্র রয়টার্সকে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, মানুষকে রাজপথে নামানোর পরিবর্তে এ ধরনের হামলা উলটো বিক্ষোভকে দুর্বল করে দিতে পারে।
বার্তাসংস্থাটি জানিয়েছে, বিষয়টি সংবেদনশীল হওয়ায় প্রতিবেদনের সূত্রগুলো নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ করেছেন। ইরানের পররাষ্ট্র দপ্তর, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ এবং হোয়াইট হাউস এ বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরও মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

বিক্ষোভকারীদের উৎসাহ দিতে ইরানে হামলার পরিকল্পনা করছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর এই হামলার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু হতে পারে ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী এবং দেশটির নেতারা।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদসংস্থা রয়টার্স।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েল এবং আরবের কর্মকর্তারা বলেছেন, শুধু বিমান হামলা করে ইরানের শাসকদের ক্ষমতাচ্যুত করা যাবে না। তারপরও ট্রাম্প এই পরিকল্পনা করেছেন।
বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছেন যুক্তরাষ্ট্রের এমন দুটি সূত্র বলছে, চলতি মাসের শুরুতে ইরানজুড়ে হওয়া বিক্ষোভে দেশটির সরকার ব্যাপক দমন-পীড়ন চালায়। এতে হাজারো মানুষ নিহত হওয়ার পর ইরানে ‘শাসক পরিবর্তনের’ পরিস্থিতি তৈরি করতে চাচ্ছেন ট্রাম্প।
আর সেটি করতে তিনি এমন সব সামরিক কমান্ডার এবং প্রতিষ্ঠানের ওপর হামলার পথ খুঁজছেন— ওয়াশিংটন যাদের বিক্ষোভ চলাকালীন সহিংসতার জন্য দায়ী মনে করে। উদ্দেশ্য হলো— বিক্ষোভকারীরা যেন সরকারি ও নিরাপত্তা ভবনগুলো নিজেদের দখলে নিতে পারে সেই আত্মবিশ্বাস ফেরানো।
একটি সূত্রের মতে, দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলবে এমন বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা নিয়ে ট্রাম্পের সহযোগীরা আলোচনা করছেন। এই সম্ভাব্য হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র অথবা দেশটির পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের ওপর ওই ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালানোর সক্ষমতা রয়েছে ইরানের।
অপর সূত্রটি বলছে, সামরিক পথ বেছে নেওয়া হবে কি না সেটি সহ পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে ট্রাম্প এখনও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেননি।
চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর বিমানবাহী রণতরির একটি বহর পারস্য উপসাগরে পৌঁছায়। এর ফলে ট্রাম্পের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ইরানের দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে বারবার হস্তক্ষেপের হুমকির পর এই বহর সেখানে পৌঁছায়।
এদিকে, ইরানে হামলা চালানোর এই পরিকল্পনার বিষয়টি আরবের কয়েকটি দেশ, পশ্চিমা কয়েকটি দেশের সরকারকে জানিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের এ পরিকল্পনা সম্পর্কে অবগত আছেন আরবের এমন চার কর্মকর্তা, তিনজন পশ্চিমা কূটনীতিক ও একজন ঊর্ধ্বতন সূত্র রয়টার্সকে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, মানুষকে রাজপথে নামানোর পরিবর্তে এ ধরনের হামলা উলটো বিক্ষোভকে দুর্বল করে দিতে পারে।
বার্তাসংস্থাটি জানিয়েছে, বিষয়টি সংবেদনশীল হওয়ায় প্রতিবেদনের সূত্রগুলো নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ করেছেন। ইরানের পররাষ্ট্র দপ্তর, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ এবং হোয়াইট হাউস এ বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরও মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লাহ আলী খামেনি বলেছেন, গত ৪৭ বছরেও ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানকে ধ্বংস করতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। ভবিষ্যতেও পারবে না।
১০ ঘণ্টা আগে
ভারতের কর্ণাটকে ইসরায়েলি এক নারীসহ দুই পর্যটককে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও এক পুরুষকে হত্যার দায়ে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
১ দিন আগে
দ্বিতীয় দফায় পরমাণু চুক্তি নিয়ে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে তেহরান ও ওয়াশিংটন। আলোচনায় অংশ নিতে ইতিমধ্যে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি জেনেভায় পৌঁছেছেন। এই আলোচনার লক্ষ্য দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমানো এবং নতুন সামরিক সংঘাত এড়ানো।
১ দিন আগে
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার পারমাণবিক আলোচনায় অংশ নিতে জেনেভায় পৌঁছেছেন। এই আলোচনার লক্ষ্য উত্তেজনা কমানো এবং নতুন কোনো সামরিক সংঘাত এড়ানো।
১ দিন আগে