স্ট্রিম ডেস্ক

চলমান বিক্ষোভে দমন-পীড়নের অভিযোগে ইরানি সব পর্যায়ের কূটনীতিক কর্মীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট। নিষেধাজ্ঞা অনুযায়ী ইরান সরকার সংশ্লিষ্ট কোনো কূটনৈতিক কর্মী ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে পারবে না।
আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) ভেরিফায়েড আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এই তথ্য জানান ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের প্রেসিডেন্ট রবার্তা মেতসোলা।
কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক খবরে বলা হয়েছে, সরকারবিরোধী বিক্ষোভে সরকারের দমন-পীড়নের অভিযোগে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
পোস্টে মেতসোলা বলেন, ইরানের সাহসী জনগণ তাঁদের অধিকার ও স্বাধীনতার জন্য যখন লড়ছে তখন এটা স্বাভাবিকভাবে চলতে পারে না। নির্যাতন, দমন এবং খুনের মাধ্যমে নিজেদের শাসনকে অব্যহত রাখাকে বৈধতা দেওয়ায় সহায়তা করবে না ইউরোপীয়ান পার্লামেন্ট।
প্রসঙ্গত, ইরানি রিয়ালের মান পতন ও গভীর অর্থনৈতিক সংকটের জেরে গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানের গ্রান্ড বাজারের ব্যবসায়ীরা রাস্তায় নামেন। এরপর এদের সঙ্গে যোগ দেন সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। আন্দোলন দমাতে শুরুতেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বন্ধ করে সরকার। জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করা হয়েছে বলে জানানো হয়। কিন্তু দিন যত গেছে আন্দোলনের তীব্রতা তত বেড়েছে।
সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার দেশজুড়ে ইন্টারনেট ও মোবাইল নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন করে দেয় কর্তৃপক্ষ। আর শান্তিপূর্ণ আন্দোলনও ধীরে ধীরে হয়ে উঠে সহিংস। বিক্ষোভকারীরা সরকারি সম্প্রচার মাধ্যম ভবনে আক্রমণ চালায়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও এখন আগের চেয়ে বেশি মারমুখি অবস্থানে আছে।

চলমান বিক্ষোভে দমন-পীড়নের অভিযোগে ইরানি সব পর্যায়ের কূটনীতিক কর্মীদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট। নিষেধাজ্ঞা অনুযায়ী ইরান সরকার সংশ্লিষ্ট কোনো কূটনৈতিক কর্মী ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে পারবে না।
আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) ভেরিফায়েড আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এই তথ্য জানান ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের প্রেসিডেন্ট রবার্তা মেতসোলা।
কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক খবরে বলা হয়েছে, সরকারবিরোধী বিক্ষোভে সরকারের দমন-পীড়নের অভিযোগে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
পোস্টে মেতসোলা বলেন, ইরানের সাহসী জনগণ তাঁদের অধিকার ও স্বাধীনতার জন্য যখন লড়ছে তখন এটা স্বাভাবিকভাবে চলতে পারে না। নির্যাতন, দমন এবং খুনের মাধ্যমে নিজেদের শাসনকে অব্যহত রাখাকে বৈধতা দেওয়ায় সহায়তা করবে না ইউরোপীয়ান পার্লামেন্ট।
প্রসঙ্গত, ইরানি রিয়ালের মান পতন ও গভীর অর্থনৈতিক সংকটের জেরে গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানের গ্রান্ড বাজারের ব্যবসায়ীরা রাস্তায় নামেন। এরপর এদের সঙ্গে যোগ দেন সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। আন্দোলন দমাতে শুরুতেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বন্ধ করে সরকার। জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করা হয়েছে বলে জানানো হয়। কিন্তু দিন যত গেছে আন্দোলনের তীব্রতা তত বেড়েছে।
সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার দেশজুড়ে ইন্টারনেট ও মোবাইল নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন করে দেয় কর্তৃপক্ষ। আর শান্তিপূর্ণ আন্দোলনও ধীরে ধীরে হয়ে উঠে সহিংস। বিক্ষোভকারীরা সরকারি সম্প্রচার মাধ্যম ভবনে আক্রমণ চালায়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও এখন আগের চেয়ে বেশি মারমুখি অবস্থানে আছে।

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লাহ আলী খামেনি বলেছেন, গত ৪৭ বছরেও ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানকে ধ্বংস করতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। ভবিষ্যতেও পারবে না।
১০ ঘণ্টা আগে
ভারতের কর্ণাটকে ইসরায়েলি এক নারীসহ দুই পর্যটককে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও এক পুরুষকে হত্যার দায়ে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
১ দিন আগে
দ্বিতীয় দফায় পরমাণু চুক্তি নিয়ে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে তেহরান ও ওয়াশিংটন। আলোচনায় অংশ নিতে ইতিমধ্যে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি জেনেভায় পৌঁছেছেন। এই আলোচনার লক্ষ্য দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমানো এবং নতুন সামরিক সংঘাত এড়ানো।
১ দিন আগে
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার পারমাণবিক আলোচনায় অংশ নিতে জেনেভায় পৌঁছেছেন। এই আলোচনার লক্ষ্য উত্তেজনা কমানো এবং নতুন কোনো সামরিক সংঘাত এড়ানো।
১ দিন আগে