স্ট্রিম ডেস্ক

জাপানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির দল জাপানের সাধারণ নির্বাচনে ভূমিধস জয় পেয়েছে এবং দেশটির সংসদের নিম্নকক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। গতকাল রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তাকাইচির লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এলডিপি) নিম্নকক্ষের ৪৬৫টি আসনের মধ্যে ৩১৬টি আসন জয় লাভ করেছে। যা সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ২৩৩টি আসনের চেয়ে অনেক বেশি। রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকের বরাতে এ খবর জানিয়েছে আল-জাজিরা।
সংবাদমাধ্যমে তাঁর দলের জয়ের আভাস পাওয়ার পর তাকাইচি সাংবাদিকদের বলেন, আমরা ধারাবাহিকভাবে দায়িত্বশীল ও সক্রিয় আর্থিক নীতির গুরুত্বের কথা বলে আসছি। আমরা আর্থিক নীতির টেকসই দিককে অগ্রাধিকার দেব। প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ নিশ্চিত করব।
গত সাত দশকের বেশিরভাগ সময় জাপান শাসন করা ক্ষমতাসীন এলডিপি অর্থায়ন ও ধর্মীয় কেলেঙ্কারির কারণে চাপের মুখে ছিল। তবে সাধারণ মানুষের কাছে তাকাইচি অত্যন্ত জনপ্রিয়। দলের রাজনৈতিক অবস্থান ঘুরিয়ে দাঁড় করানোর আশায় মাত্র তিন মাস ক্ষমতায় থাকার পরই তিনি আকস্মিক নির্বাচন ঘোষণা করেন।
সেই বাজিতে প্রাথমিক জয় এলেও দেশের ওপর বাড়তে থাকা মূল্যস্ফীতির চাপ কমাতে তাকাইচির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বিনিয়োগকারীদের উদ্বিগ্ন করেছে। উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঋণগ্রস্ত জাপান এই পরিকল্পনার অর্থ কীভাবে জোগাড় করবে—তা নিয়েই তাদের শঙ্কা।
জাপানের হোসেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ক্রেইগ মার্ক বলেন, তাকাইচির এই সাফল্য এলডিপিকে ‘বিরোধী দলগুলোকে উপেক্ষা করার ক্ষমতা’দেবে।
‘মূলত, তিনি যেকোনো আইন পাস করাতে পারবেন—হোক সেটা সম্প্রতি অনুমোদিত রেকর্ড বাজেট বা প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয়,’ টোকিও থেকে আল জাজিরাকে বলেন মার্ক।
জাপানের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন কেইদানরেনের প্রধান এই ফলাফলকে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসার লক্ষণ হিসেবে স্বাগত জানান।
জাপানের এই নির্বাচনের ফলাফলের ওপর কড়া নজর রাখছে চীন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক সপ্তাহের মাথায় সানায়ে তাকাইচি চীনের সঙ্গে এক বড় ধরনের বিবাদ উসকে দিয়েছিলেন।
তাইওয়ানে চীনের সম্ভাব্য হামলা মোকাবিলায় টোকিও কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাবে, তা প্রকাশ্যে ঘোষণা করে গত এক দশকের মধ্যে দুই দেশের সম্পর্কে সবচেয়ে বড় অস্থিরতা তৈরি করেন তিনি।
নির্বাচনে ব্যাপক জনসমর্থন তাকাইচির সামরিক প্রতিরক্ষা জোরদার করার পরিকল্পনাকে আরও গতিশীল করতে পারে। তবে বেইজিং এটিকে জাপানের সেই পুরনো ‘যুদ্ধবাজ’চরিত্রে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা হিসেবে দেখছে।
ভূরাজনৈতিক ঝুঁকিবিষয়ক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান দ্য এশিয়া গ্রুপের কর্মকর্তা ডেভিড বোলিং বলেন, ‘বেইজিং কোনোভাবেই তাকাইচির এই জয়কে স্বাগত জানাবে না। তাকাইচি নিজের অবস্থানে শক্তভাবে জেঁকে বসেছেন। তাঁকে পুরোপুরি জনবিচ্ছিন্ন করতে বেইজিংয়ের সব চেষ্টাই ব্যর্থ হয়েছে।’
গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকাইচিকে সমর্থন জানান এবং ভোটের ফল প্রকাশের আগেই ঘোষণা দেন যে তিনি ১৯ মার্চ হোয়াইট হাউস সফর করবেন।
ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান একটি ‘খুবই বড়’ বাণিজ্য চুক্তি করতে কাজ করছে এবং জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়েও একসঙ্গে সহযোগিতা করছে। তিনি তাকাইচিকে তাঁর ‘সম্পূর্ণ ও নিঃশর্ত সমর্থন’ জানান।
‘আমি এই বসন্তে হোয়াইট হাউস সফরের অপেক্ষায় আছি এবং জাপান–যুক্তরাষ্ট্র জোট আরও শক্তিশালী করতে আমাদের যৌথ কাজ চালিয়ে যেতে চাই,’ তাকাইচি এক্সে লেখেন। তিনি ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান।
২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ৩১৭ বিলিয়ন ডলার। দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা জোটও রয়েছে, যার আওতায় প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন সেনা জাপানে অবস্থান করছে—যা এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতির গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।
রোববার যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্টও তাকাইচির ‘বড় বিজয়’-এর প্রশংসা করে বলেন, শক্তিশালী জাপান এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রকে আরও শক্তিশালী করে।

জাপানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির দল জাপানের সাধারণ নির্বাচনে ভূমিধস জয় পেয়েছে এবং দেশটির সংসদের নিম্নকক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। গতকাল রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তাকাইচির লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এলডিপি) নিম্নকক্ষের ৪৬৫টি আসনের মধ্যে ৩১৬টি আসন জয় লাভ করেছে। যা সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ২৩৩টি আসনের চেয়ে অনেক বেশি। রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকের বরাতে এ খবর জানিয়েছে আল-জাজিরা।
সংবাদমাধ্যমে তাঁর দলের জয়ের আভাস পাওয়ার পর তাকাইচি সাংবাদিকদের বলেন, আমরা ধারাবাহিকভাবে দায়িত্বশীল ও সক্রিয় আর্থিক নীতির গুরুত্বের কথা বলে আসছি। আমরা আর্থিক নীতির টেকসই দিককে অগ্রাধিকার দেব। প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ নিশ্চিত করব।
গত সাত দশকের বেশিরভাগ সময় জাপান শাসন করা ক্ষমতাসীন এলডিপি অর্থায়ন ও ধর্মীয় কেলেঙ্কারির কারণে চাপের মুখে ছিল। তবে সাধারণ মানুষের কাছে তাকাইচি অত্যন্ত জনপ্রিয়। দলের রাজনৈতিক অবস্থান ঘুরিয়ে দাঁড় করানোর আশায় মাত্র তিন মাস ক্ষমতায় থাকার পরই তিনি আকস্মিক নির্বাচন ঘোষণা করেন।
সেই বাজিতে প্রাথমিক জয় এলেও দেশের ওপর বাড়তে থাকা মূল্যস্ফীতির চাপ কমাতে তাকাইচির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বিনিয়োগকারীদের উদ্বিগ্ন করেছে। উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঋণগ্রস্ত জাপান এই পরিকল্পনার অর্থ কীভাবে জোগাড় করবে—তা নিয়েই তাদের শঙ্কা।
জাপানের হোসেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ক্রেইগ মার্ক বলেন, তাকাইচির এই সাফল্য এলডিপিকে ‘বিরোধী দলগুলোকে উপেক্ষা করার ক্ষমতা’দেবে।
‘মূলত, তিনি যেকোনো আইন পাস করাতে পারবেন—হোক সেটা সম্প্রতি অনুমোদিত রেকর্ড বাজেট বা প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয়,’ টোকিও থেকে আল জাজিরাকে বলেন মার্ক।
জাপানের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন কেইদানরেনের প্রধান এই ফলাফলকে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসার লক্ষণ হিসেবে স্বাগত জানান।
জাপানের এই নির্বাচনের ফলাফলের ওপর কড়া নজর রাখছে চীন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক সপ্তাহের মাথায় সানায়ে তাকাইচি চীনের সঙ্গে এক বড় ধরনের বিবাদ উসকে দিয়েছিলেন।
তাইওয়ানে চীনের সম্ভাব্য হামলা মোকাবিলায় টোকিও কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাবে, তা প্রকাশ্যে ঘোষণা করে গত এক দশকের মধ্যে দুই দেশের সম্পর্কে সবচেয়ে বড় অস্থিরতা তৈরি করেন তিনি।
নির্বাচনে ব্যাপক জনসমর্থন তাকাইচির সামরিক প্রতিরক্ষা জোরদার করার পরিকল্পনাকে আরও গতিশীল করতে পারে। তবে বেইজিং এটিকে জাপানের সেই পুরনো ‘যুদ্ধবাজ’চরিত্রে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা হিসেবে দেখছে।
ভূরাজনৈতিক ঝুঁকিবিষয়ক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান দ্য এশিয়া গ্রুপের কর্মকর্তা ডেভিড বোলিং বলেন, ‘বেইজিং কোনোভাবেই তাকাইচির এই জয়কে স্বাগত জানাবে না। তাকাইচি নিজের অবস্থানে শক্তভাবে জেঁকে বসেছেন। তাঁকে পুরোপুরি জনবিচ্ছিন্ন করতে বেইজিংয়ের সব চেষ্টাই ব্যর্থ হয়েছে।’
গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকাইচিকে সমর্থন জানান এবং ভোটের ফল প্রকাশের আগেই ঘোষণা দেন যে তিনি ১৯ মার্চ হোয়াইট হাউস সফর করবেন।
ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান একটি ‘খুবই বড়’ বাণিজ্য চুক্তি করতে কাজ করছে এবং জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়েও একসঙ্গে সহযোগিতা করছে। তিনি তাকাইচিকে তাঁর ‘সম্পূর্ণ ও নিঃশর্ত সমর্থন’ জানান।
‘আমি এই বসন্তে হোয়াইট হাউস সফরের অপেক্ষায় আছি এবং জাপান–যুক্তরাষ্ট্র জোট আরও শক্তিশালী করতে আমাদের যৌথ কাজ চালিয়ে যেতে চাই,’ তাকাইচি এক্সে লেখেন। তিনি ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান।
২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ৩১৭ বিলিয়ন ডলার। দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা জোটও রয়েছে, যার আওতায় প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন সেনা জাপানে অবস্থান করছে—যা এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতির গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।
রোববার যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্টও তাকাইচির ‘বড় বিজয়’-এর প্রশংসা করে বলেন, শক্তিশালী জাপান এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রকে আরও শক্তিশালী করে।

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লাহ আলী খামেনি বলেছেন, গত ৪৭ বছরেও ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানকে ধ্বংস করতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। ভবিষ্যতেও পারবে না।
৭ ঘণ্টা আগে
ভারতের কর্ণাটকে ইসরায়েলি এক নারীসহ দুই পর্যটককে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও এক পুরুষকে হত্যার দায়ে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
১ দিন আগে
দ্বিতীয় দফায় পরমাণু চুক্তি নিয়ে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে তেহরান ও ওয়াশিংটন। আলোচনায় অংশ নিতে ইতিমধ্যে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি জেনেভায় পৌঁছেছেন। এই আলোচনার লক্ষ্য দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমানো এবং নতুন সামরিক সংঘাত এড়ানো।
১ দিন আগে
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার পারমাণবিক আলোচনায় অংশ নিতে জেনেভায় পৌঁছেছেন। এই আলোচনার লক্ষ্য উত্তেজনা কমানো এবং নতুন কোনো সামরিক সংঘাত এড়ানো।
১ দিন আগে