ক্যামেরা ভালো রাখতে নিয়মিত যত্ন নেওয়া জরুরি। সঠিকভাবে যত্ন নিলে ক্যামেরা বহু বছর ভালো থাকে। আসলে বাড়িতেই নিজের প্রিয় ক্যামেরাটিকে পরিষ্কার রাখা সম্ভব, শুধু দরকার কিছু সতর্কতা। কিন্তু কীভাবে?
আশরাফুল আলম

ক্যামেরা অনেকের কাছে স্মৃতি ধরে রাখার সঙ্গী। তাই এটিকে ভালো রাখতে নিয়মিত যত্ন নেওয়া জরুরি। সঠিকভাবে যত্ন নিলে ক্যামেরা বহু বছর ভালো থাকে। আসলে বাড়িতেই নিজের প্রিয় ক্যামেরাটিকে পরিষ্কার রাখা সম্ভব, শুধু দরকার কিছু সতর্কতা।
ধুলা, আর্দ্রতা আর তাপমাত্রার তারতম্য—এই তিনটি বিষয়ই ক্যামেরার বড় শত্রু। ক্যামেরাতে সাধারণত দুটি অংশ থাকে: বডি ও লেন্স। পরিষ্কারের আগে অবশ্যই ক্যামেরা বন্ধ করে নিতে হবে। নিচে ধাপে ধাপে ক্যামেরা রক্ষণাবেক্ষণের পদ্ধতি তুলে ধরা হলো।
বাহ্যিক অংশ পরিষ্কার: ক্যামেরার বডি পরিষ্কার করতে নরম, শুকনা ও পরিষ্কার কাপড় ব্যবহার করুন। কোনোভাবেই রাসায়নিক জাতীয় কিছু ব্যবহার করবেন না।
ইলেকট্রিক কন্টাক্টস: অ্যালকোহলে (অ্যালকোহল প্যাড) ভেজানো মাইক্রোফাইবার কাপড় দিয়ে কন্টাক্ট পয়েন্টগুলো মুছে নিন। এতে সংযোগ ভালো থাকে।
ব্যাটারি ও মেমরি কার্ড: দীর্ঘদিন ক্যামেরা ব্যবহার না করলে ব্যাটারি ও মেমরি কার্ড বের করে আলাদা জায়গায় রাখুন, যাতে মরিচা না পড়ে।
ধুলাবালু অপসারণ: সেন্সরের ধুলাবালু সরানোর জন্য ব্লোয়ার ব্যবহার করুন। তবে কখনোই কমপ্রেসড এয়ার ব্যবহার করবেন না। এতে সেন্সর নষ্ট হতে পারে।
ভালোমতো পরিষ্কার: যদি ব্লোয়ার দিয়ে ধুলা না যায়, তাহলে সেন্সর ক্লিনিং সোয়াব (যেমন কেঅ্যান্ডএফ কনসেপ্টের এপিএস-সি বা ফুল-ফ্রেম সেন্সরের জন্য সোয়াব) এবং সেন্সর ক্লিনিং সলিউশন ব্যবহার করুন। তবে সেন্সর খুব সংবেদনশীল, তাই অভিজ্ঞ না হলে পেশাদারের সাহায্য নেওয়াই ভালো।
সেন্সর সোয়াব নির্বাচন: সেন্সরের আকার অনুযায়ী সোয়াব বেছে নিন। ভুল মাপের সোয়াব সেন্সর ক্ষতি করতে পারে। সেন্সর সোয়াব হলো এমন একটি বিশেষ ধরনের তুলা বা পরিষ্কার করার সরঞ্জাম, যা ডিজিটাল ক্যামেরার সংবেদনশীল অংশ পরিষ্কার করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
ধুলাবালু পরিষ্কার: লেন্স পরিষ্কার করার জন্য প্রথমে ব্লোয়ার ব্যবহার করে ধুলাবালু সরিয়ে নিন। লেন্সের ওপর সরাসরি ফুঁ দেবেন না।
মুছে পরিষ্কার করা: এরপর একটি মাইক্রোফাইবার কাপড় দিয়ে আলতো করে মুছে নিন। দাগ বা আঙুলের ছাপ থাকলে লেন্স ক্লিনিং সলিউশনের এক ফোঁটা কাপড়ে দিয়ে বৃত্তাকার গতিতে মুছুন। সরাসরি লেন্সে সলিউশন দেবেন না।
সুরক্ষা: লেন্সের ওপর ইউভি ফিল্টার ব্যবহার করলে এটি আঁচড় ও আঘাত থেকে বাঁচে। অবশ্যই ভালো মানের ফিল্টার ব্যবহার করবেন।

আর্দ্রতা থেকে সুরক্ষা: ক্যামেরা রাখুন শুষ্ক, ঠান্ডা জায়গায়। বর্ষাকালে সিলিকা জেল প্যাকেট রাখলে ফাঙ্গাস থেকে রক্ষা পায়।
ড্রাই বক্স: আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণের জন্য ড্রাই বক্স ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো উপায়। এটি তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
ক্যামেরা ব্যাগ: ক্যামেরা বহনের জন্য একটি প্যাডযুক্ত ব্যাগ ব্যবহার করুন, যাতে আঘাত থেকে সুরক্ষিত থাকে। ব্যাগটিও নিয়মিত পরিষ্কার রাখুন।
অতিরিক্ত টিপস
একটু নিয়ম মেনে চললেই আপনার ক্যামেরা হবে টেকসই। আর বহু বছর ধরে আপনাকে উপহার দেবে জীবনের সেরা মুহূর্তগুলো। এ জন্য যত্নে রাখুন আপনার প্রিয় ক্যামেরা।
লেখক: ফটোগ্রাফার

ক্যামেরা অনেকের কাছে স্মৃতি ধরে রাখার সঙ্গী। তাই এটিকে ভালো রাখতে নিয়মিত যত্ন নেওয়া জরুরি। সঠিকভাবে যত্ন নিলে ক্যামেরা বহু বছর ভালো থাকে। আসলে বাড়িতেই নিজের প্রিয় ক্যামেরাটিকে পরিষ্কার রাখা সম্ভব, শুধু দরকার কিছু সতর্কতা।
ধুলা, আর্দ্রতা আর তাপমাত্রার তারতম্য—এই তিনটি বিষয়ই ক্যামেরার বড় শত্রু। ক্যামেরাতে সাধারণত দুটি অংশ থাকে: বডি ও লেন্স। পরিষ্কারের আগে অবশ্যই ক্যামেরা বন্ধ করে নিতে হবে। নিচে ধাপে ধাপে ক্যামেরা রক্ষণাবেক্ষণের পদ্ধতি তুলে ধরা হলো।
বাহ্যিক অংশ পরিষ্কার: ক্যামেরার বডি পরিষ্কার করতে নরম, শুকনা ও পরিষ্কার কাপড় ব্যবহার করুন। কোনোভাবেই রাসায়নিক জাতীয় কিছু ব্যবহার করবেন না।
ইলেকট্রিক কন্টাক্টস: অ্যালকোহলে (অ্যালকোহল প্যাড) ভেজানো মাইক্রোফাইবার কাপড় দিয়ে কন্টাক্ট পয়েন্টগুলো মুছে নিন। এতে সংযোগ ভালো থাকে।
ব্যাটারি ও মেমরি কার্ড: দীর্ঘদিন ক্যামেরা ব্যবহার না করলে ব্যাটারি ও মেমরি কার্ড বের করে আলাদা জায়গায় রাখুন, যাতে মরিচা না পড়ে।
ধুলাবালু অপসারণ: সেন্সরের ধুলাবালু সরানোর জন্য ব্লোয়ার ব্যবহার করুন। তবে কখনোই কমপ্রেসড এয়ার ব্যবহার করবেন না। এতে সেন্সর নষ্ট হতে পারে।
ভালোমতো পরিষ্কার: যদি ব্লোয়ার দিয়ে ধুলা না যায়, তাহলে সেন্সর ক্লিনিং সোয়াব (যেমন কেঅ্যান্ডএফ কনসেপ্টের এপিএস-সি বা ফুল-ফ্রেম সেন্সরের জন্য সোয়াব) এবং সেন্সর ক্লিনিং সলিউশন ব্যবহার করুন। তবে সেন্সর খুব সংবেদনশীল, তাই অভিজ্ঞ না হলে পেশাদারের সাহায্য নেওয়াই ভালো।
সেন্সর সোয়াব নির্বাচন: সেন্সরের আকার অনুযায়ী সোয়াব বেছে নিন। ভুল মাপের সোয়াব সেন্সর ক্ষতি করতে পারে। সেন্সর সোয়াব হলো এমন একটি বিশেষ ধরনের তুলা বা পরিষ্কার করার সরঞ্জাম, যা ডিজিটাল ক্যামেরার সংবেদনশীল অংশ পরিষ্কার করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
ধুলাবালু পরিষ্কার: লেন্স পরিষ্কার করার জন্য প্রথমে ব্লোয়ার ব্যবহার করে ধুলাবালু সরিয়ে নিন। লেন্সের ওপর সরাসরি ফুঁ দেবেন না।
মুছে পরিষ্কার করা: এরপর একটি মাইক্রোফাইবার কাপড় দিয়ে আলতো করে মুছে নিন। দাগ বা আঙুলের ছাপ থাকলে লেন্স ক্লিনিং সলিউশনের এক ফোঁটা কাপড়ে দিয়ে বৃত্তাকার গতিতে মুছুন। সরাসরি লেন্সে সলিউশন দেবেন না।
সুরক্ষা: লেন্সের ওপর ইউভি ফিল্টার ব্যবহার করলে এটি আঁচড় ও আঘাত থেকে বাঁচে। অবশ্যই ভালো মানের ফিল্টার ব্যবহার করবেন।

আর্দ্রতা থেকে সুরক্ষা: ক্যামেরা রাখুন শুষ্ক, ঠান্ডা জায়গায়। বর্ষাকালে সিলিকা জেল প্যাকেট রাখলে ফাঙ্গাস থেকে রক্ষা পায়।
ড্রাই বক্স: আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণের জন্য ড্রাই বক্স ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো উপায়। এটি তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
ক্যামেরা ব্যাগ: ক্যামেরা বহনের জন্য একটি প্যাডযুক্ত ব্যাগ ব্যবহার করুন, যাতে আঘাত থেকে সুরক্ষিত থাকে। ব্যাগটিও নিয়মিত পরিষ্কার রাখুন।
অতিরিক্ত টিপস
একটু নিয়ম মেনে চললেই আপনার ক্যামেরা হবে টেকসই। আর বহু বছর ধরে আপনাকে উপহার দেবে জীবনের সেরা মুহূর্তগুলো। এ জন্য যত্নে রাখুন আপনার প্রিয় ক্যামেরা।
লেখক: ফটোগ্রাফার
আজকাল খেলনার দোকানে শুধু ছোট ছেলে-মেয়েদেরই দেখা যায় না, সেখানে পঁচিশ, ত্রিশ এমনকি এর চেয়ে বেশি বয়সীদেরও দেখা মিলছে। এখন তাদেরও দেখা যায় হাসিমুখে বিভিন্ন খেলনা নেড়ে-চেড়ে দেখছেন বা কিনছেন। কোনো শিশুর জন্য নয়, বরং তারা খেলনাটি কিনছেন নিজের জন্যই!
১০ ঘণ্টা আগে
স্যামুয়েল হান্টিংটনের ‘সভ্যতার সংঘাত’ তত্ত্ব আন্তর্জাতিক সম্পর্কের আলোচনায় দীর্ঘদিন ধরে অন্যতম বিতর্কিত ধারণা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। এই তত্ত্বে বলা হয়, স্নায়ুযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর বিশ্ব রাজনীতির সংঘাত আর কমিউনিজম বনাম পুঁজিবাদের মতো মতাদর্শভিত্তিক থাকবে না।
১২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা কত টাকা বেতন-ভাতা পান, এ প্রশ্নটি সাধারণ মানুষের মধ্যে বরাবরই কৌতূহলের জন্ম দেয়। বিশেষ করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠনের সময় এই আলোচনা আরও জোরালো হয়। বেতনের বাইরে তাঁরা আর কী কী সুযোগ-সুবিধা পান, রাষ্ট্র তাঁদের পেছনে কী ধরনের খরচ বহন করে, এসব নিয়েও মানুষে
১২ ঘণ্টা আগে
পাঠ্যপুস্তকের ভাষা কোনো নিরীহ বস্তু নয়। এর পেছনে থাকে দৃষ্টিভঙ্গি আর রাষ্ট্রের নীরব উপস্থিতি। আরেকটি সত্য হলো, পাঠ্যবই রচনার প্রক্রিয়ায় অনেক সময় নিরাপত্তা-ভাবনা বড় হয়ে ওঠে: ‘এটা লিখলে বিতর্ক হবে না তো?
১ দিন আগে