জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৭ আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ফলাফলে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। এখন প্রধান আগ্রহের জায়গা, নতুন সরকারের আনুষ্ঠানিক যাত্রা কখন এবং কীভাবে শুরু হবে।
স্ট্রিম ডেস্ক

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৭ আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ফলাফলে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। এখন প্রধান আগ্রহের জায়গা, নতুন সরকারের আনুষ্ঠানিক যাত্রা কখন এবং কীভাবে শুরু হবে। বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ বলছে, সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল প্রথমে ‘সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপিত’ হতে হবে। গেজেটের পর তিন দিনের মধ্যে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ হবে।
বেসরকারি ফল ঘোষণার পর গেজেট প্রকাশে এক-দুদিন সময় লেগে যেতে পারে। ফলে ফল ঘোষণার দিন থেকে তিন দিন, এমন সরল সমীকরণ সংবিধানে নেই।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব আগেই গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ ১৮ ফেব্রুয়ারির পরে যাবে না। অর্থাৎ সব কিছু স্বাভাবিক থাকলে নির্বাচনের ছয় দিনের মধ্যেই নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যেতে পারে।
কিন্তু এবার প্রশ্নটা আরও গুরুত্বপূর্ণ। শপথ পড়াবেন কে
অতীতে আমরা দেখেছি, নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাতেন জাতীয় সংসদের স্পিকার। কিন্তু চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর বদলে যাওয়া পরিস্থিতিতে এখন সংসদ নেই, স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার নেই। ফলে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় শপথ অনুষ্ঠান আয়োজনের পথটি আপাতত বন্ধ।
তাহলে উপায়
আবারও ফিরতে হয় সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদে। সেখানে স্পষ্টভাবে বলা আছে, ‘সংসদ সদস্যদের সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপিত হইবার তারিখ হইতে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে এই সংবিধানের অধীন এতদুদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা তদুদ্দেশ্যে অনুরূপ ব্যক্তি কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোনো ব্যক্তি যে কোনো কারণে নির্বাচিত সদস্যদের শপথ পাঠ পরিচালনা করিতে ব্যর্থ হইলে বা না করিলে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার উহার পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে উক্ত শপথ পাঠ পরিচালনা করিবেন, যেন এই সংবিধানের অধীন তিনিই ইহার জন্য নির্দিষ্ট ব্যক্তি।’
কিন্তু এই ‘নির্দিষ্ট ব্যক্তি’ কে
প্রথমত, রাষ্ট্রপতি শপথ পাঠ করানোর জন্য কাউকে মনোনীত করতে পারেন। সংবিধান তাঁকে সেই ক্ষমতা দিয়েছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে প্রধান বিচারপতির কথা। রাষ্ট্রপতি তাঁকে মনোনীত করতে পারেন। কিংবা অন্য কোনো সাংবিধানিক পদাধিকারীকেও দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে।
দ্বিতীয়ত, যদি গেজেট প্রকাশের পর ৩ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির মনোনীত ব্যক্তি শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন করতে না পারেন বা না করেন, তাহলে সংবিধান অনুযায়ী পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পাঠ করাবেন এবং সে ক্ষেত্রে তিনিই ‘নির্দিষ্ট ব্যক্তি’ হিসেবে বিবেচিত হবেন।
অর্থাৎ, পথ দুটি খোলা আছে। প্রথম পথ হলো রাষ্ট্রপতির মনোনয়ন। আর দ্বিতীয় পথ হলো প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ গ্রহণ করাবেন।
তবে এখানে একটি সময়গত বিষয় রয়েছে। যদি প্রথম তিন দিনে মনোনীত ব্যক্তি শপথ না করান, তাহলে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে দায়িত্ব নিতে হলে আরও তিন দিন অপেক্ষা করতে হবে। ফলে পুরো প্রক্রিয়া সর্বোচ্চ ছয় দিনে গড়াতে পারে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৭ আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ফলাফলে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। এখন প্রধান আগ্রহের জায়গা, নতুন সরকারের আনুষ্ঠানিক যাত্রা কখন এবং কীভাবে শুরু হবে। বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ বলছে, সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল প্রথমে ‘সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপিত’ হতে হবে। গেজেটের পর তিন দিনের মধ্যে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ হবে।
বেসরকারি ফল ঘোষণার পর গেজেট প্রকাশে এক-দুদিন সময় লেগে যেতে পারে। ফলে ফল ঘোষণার দিন থেকে তিন দিন, এমন সরল সমীকরণ সংবিধানে নেই।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব আগেই গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ ১৮ ফেব্রুয়ারির পরে যাবে না। অর্থাৎ সব কিছু স্বাভাবিক থাকলে নির্বাচনের ছয় দিনের মধ্যেই নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যেতে পারে।
কিন্তু এবার প্রশ্নটা আরও গুরুত্বপূর্ণ। শপথ পড়াবেন কে
অতীতে আমরা দেখেছি, নতুন সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাতেন জাতীয় সংসদের স্পিকার। কিন্তু চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর বদলে যাওয়া পরিস্থিতিতে এখন সংসদ নেই, স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার নেই। ফলে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় শপথ অনুষ্ঠান আয়োজনের পথটি আপাতত বন্ধ।
তাহলে উপায়
আবারও ফিরতে হয় সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদে। সেখানে স্পষ্টভাবে বলা আছে, ‘সংসদ সদস্যদের সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপিত হইবার তারিখ হইতে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে এই সংবিধানের অধীন এতদুদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা তদুদ্দেশ্যে অনুরূপ ব্যক্তি কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোনো ব্যক্তি যে কোনো কারণে নির্বাচিত সদস্যদের শপথ পাঠ পরিচালনা করিতে ব্যর্থ হইলে বা না করিলে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার উহার পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে উক্ত শপথ পাঠ পরিচালনা করিবেন, যেন এই সংবিধানের অধীন তিনিই ইহার জন্য নির্দিষ্ট ব্যক্তি।’
কিন্তু এই ‘নির্দিষ্ট ব্যক্তি’ কে
প্রথমত, রাষ্ট্রপতি শপথ পাঠ করানোর জন্য কাউকে মনোনীত করতে পারেন। সংবিধান তাঁকে সেই ক্ষমতা দিয়েছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে প্রধান বিচারপতির কথা। রাষ্ট্রপতি তাঁকে মনোনীত করতে পারেন। কিংবা অন্য কোনো সাংবিধানিক পদাধিকারীকেও দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে।
দ্বিতীয়ত, যদি গেজেট প্রকাশের পর ৩ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির মনোনীত ব্যক্তি শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন করতে না পারেন বা না করেন, তাহলে সংবিধান অনুযায়ী পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পাঠ করাবেন এবং সে ক্ষেত্রে তিনিই ‘নির্দিষ্ট ব্যক্তি’ হিসেবে বিবেচিত হবেন।
অর্থাৎ, পথ দুটি খোলা আছে। প্রথম পথ হলো রাষ্ট্রপতির মনোনয়ন। আর দ্বিতীয় পথ হলো প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ গ্রহণ করাবেন।
তবে এখানে একটি সময়গত বিষয় রয়েছে। যদি প্রথম তিন দিনে মনোনীত ব্যক্তি শপথ না করান, তাহলে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে দায়িত্ব নিতে হলে আরও তিন দিন অপেক্ষা করতে হবে। ফলে পুরো প্রক্রিয়া সর্বোচ্চ ছয় দিনে গড়াতে পারে।
আজকাল খেলনার দোকানে শুধু ছোট ছেলে-মেয়েদেরই দেখা যায় না, সেখানে পঁচিশ, ত্রিশ এমনকি এর চেয়ে বেশি বয়সীদেরও দেখা মিলছে। এখন তাদেরও দেখা যায় হাসিমুখে বিভিন্ন খেলনা নেড়ে-চেড়ে দেখছেন বা কিনছেন। কোনো শিশুর জন্য নয়, বরং তারা খেলনাটি কিনছেন নিজের জন্যই!
৬ ঘণ্টা আগে
স্যামুয়েল হান্টিংটনের ‘সভ্যতার সংঘাত’ তত্ত্ব আন্তর্জাতিক সম্পর্কের আলোচনায় দীর্ঘদিন ধরে অন্যতম বিতর্কিত ধারণা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। এই তত্ত্বে বলা হয়, স্নায়ুযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর বিশ্ব রাজনীতির সংঘাত আর কমিউনিজম বনাম পুঁজিবাদের মতো মতাদর্শভিত্তিক থাকবে না।
৭ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা কত টাকা বেতন-ভাতা পান, এ প্রশ্নটি সাধারণ মানুষের মধ্যে বরাবরই কৌতূহলের জন্ম দেয়। বিশেষ করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠনের সময় এই আলোচনা আরও জোরালো হয়। বেতনের বাইরে তাঁরা আর কী কী সুযোগ-সুবিধা পান, রাষ্ট্র তাঁদের পেছনে কী ধরনের খরচ বহন করে, এসব নিয়েও মানুষে
৭ ঘণ্টা আগে
পাঠ্যপুস্তকের ভাষা কোনো নিরীহ বস্তু নয়। এর পেছনে থাকে দৃষ্টিভঙ্গি আর রাষ্ট্রের নীরব উপস্থিতি। আরেকটি সত্য হলো, পাঠ্যবই রচনার প্রক্রিয়ায় অনেক সময় নিরাপত্তা-ভাবনা বড় হয়ে ওঠে: ‘এটা লিখলে বিতর্ক হবে না তো?
১ দিন আগে