স্ট্রিম প্রতিবেদক

নাহিদ রানার বিধ্বংসী বোলিংয়ে প্রথমবার দেশের মাটিতে টেস্টে পাকিস্তানকে ১০৪ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। শেষ সেশনে তাসকিন ও তাইজুলের নৈপুণ্যের সঙ্গে নাহিদের পাঁচ উইকেটে এই জয় তুলে নেয় শান্তর দল।
ম্যাচের দ্বিতীয় সেশনে ৩ উইকেট হারিয়ে ১১৬ রান তুলে চা-বিরতিতে গিয়েছিল পাকিস্তান। তৃতীয় সেশনে জয়ের জন্য তাঁদের দরকার ছিল ১৫২ রান, আর বাংলাদেশের লক্ষ্য ছিল ৭ উইকেট। শেষ সেশনের শুরুতেই সেট ব্যাটার ফাজালকে ৬৬ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরান তাইজুল ইসলাম। এর পরের ওভারেই তাসকিনের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান সালমান (২৬)। সেশনের প্রথম দুই ওভারেই দুই উইকেট নিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হাতে নেয় টাইগাররা।
পরাজয় ঠেকাতে সৌদ শাকিল ও রিজওয়ান রক্ষণাত্মক ভঙ্গিতে খেলা শুরু করেন। পাকিস্তানের স্কোর যখন ৫ উইকেটে ১৫০, আক্রমণে আসেন নাহিদ রানা। তাঁর নিখুঁত লাইন-লেংথের বলে পরাস্ত হয়ে ১৫ রানে সাজঘরে ফেরেন সৌদ শাকিল। এরপর গতির ঝড়ে রিজওয়ানকে (১৫) বোল্ড করেন নাহিদ।
পরের ওভারে তাইজুল ইসলামের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন হাসান আলী। জয়ের জন্য শেষ উইকেটের অপেক্ষায় থাকা অবস্থায় নোমান আলীকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন নাহিদ রানা। আম্পায়ার শুরুতে আউট না দিলেও রিভিউ নিয়ে সফল হয় বাংলাদেশ। এর মাধ্যমেই নাহিদ রানা তাঁর টেস্ট ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ‘ফাইফার’ বা পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন। শেষ উইকেটের পতনের সঙ্গে সঙ্গে ১০৪ রানের ঐতিহাসিক জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৮৭ রান করে ম্যান অফ দ্য ম্যাচ হয়েছেন টাইগার দলপতি নাজমুল হোসেন শান্ত।
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৪১৩
পাকিস্তান ১ম ইনিংস: ৩৮৬
বাংলাদেশ ২য় ইনিংস: ২৪০/৯ ডিক্লে.
পাকিস্তান ২য় ইনিংস: পাকিস্তান (২য় ইনিংস): ফাজাল ৬৬, সালমান ২৬; নাহিদ ৫/৪০, তাইজুল ২/২২।
ফল: বাংলাদেশ ১০৪ রানে জয়ী।

নাহিদ রানার বিধ্বংসী বোলিংয়ে প্রথমবার দেশের মাটিতে টেস্টে পাকিস্তানকে ১০৪ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। শেষ সেশনে তাসকিন ও তাইজুলের নৈপুণ্যের সঙ্গে নাহিদের পাঁচ উইকেটে এই জয় তুলে নেয় শান্তর দল।
ম্যাচের দ্বিতীয় সেশনে ৩ উইকেট হারিয়ে ১১৬ রান তুলে চা-বিরতিতে গিয়েছিল পাকিস্তান। তৃতীয় সেশনে জয়ের জন্য তাঁদের দরকার ছিল ১৫২ রান, আর বাংলাদেশের লক্ষ্য ছিল ৭ উইকেট। শেষ সেশনের শুরুতেই সেট ব্যাটার ফাজালকে ৬৬ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরান তাইজুল ইসলাম। এর পরের ওভারেই তাসকিনের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান সালমান (২৬)। সেশনের প্রথম দুই ওভারেই দুই উইকেট নিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হাতে নেয় টাইগাররা।
পরাজয় ঠেকাতে সৌদ শাকিল ও রিজওয়ান রক্ষণাত্মক ভঙ্গিতে খেলা শুরু করেন। পাকিস্তানের স্কোর যখন ৫ উইকেটে ১৫০, আক্রমণে আসেন নাহিদ রানা। তাঁর নিখুঁত লাইন-লেংথের বলে পরাস্ত হয়ে ১৫ রানে সাজঘরে ফেরেন সৌদ শাকিল। এরপর গতির ঝড়ে রিজওয়ানকে (১৫) বোল্ড করেন নাহিদ।
পরের ওভারে তাইজুল ইসলামের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন হাসান আলী। জয়ের জন্য শেষ উইকেটের অপেক্ষায় থাকা অবস্থায় নোমান আলীকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন নাহিদ রানা। আম্পায়ার শুরুতে আউট না দিলেও রিভিউ নিয়ে সফল হয় বাংলাদেশ। এর মাধ্যমেই নাহিদ রানা তাঁর টেস্ট ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ‘ফাইফার’ বা পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন। শেষ উইকেটের পতনের সঙ্গে সঙ্গে ১০৪ রানের ঐতিহাসিক জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৮৭ রান করে ম্যান অফ দ্য ম্যাচ হয়েছেন টাইগার দলপতি নাজমুল হোসেন শান্ত।
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৪১৩
পাকিস্তান ১ম ইনিংস: ৩৮৬
বাংলাদেশ ২য় ইনিংস: ২৪০/৯ ডিক্লে.
পাকিস্তান ২য় ইনিংস: পাকিস্তান (২য় ইনিংস): ফাজাল ৬৬, সালমান ২৬; নাহিদ ৫/৪০, তাইজুল ২/২২।
ফল: বাংলাদেশ ১০৪ রানে জয়ী।

দিদিয়ের দ্রগবাদের স্বর্ণালি যুগের ১২ বছর পর আবারও বিশ্বকাপে ফিরছে আইভরি কোস্ট। ২০২৬ আসরে শক্তিশালী রক্ষণভাগের ওপর ভর করে প্রথমবারের মতো নকআউট পর্বে যাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশটি।
৩০ মিনিট আগে
আগামী জুনে অনুষ্ঠেয় বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সিরিজকে সামনে রেখে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এবং অটোমোবাইল ব্র্যান্ড ‘চেরি’-র মধ্যে এক সমঝোতা চুক্তি সই হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৪০ রান করে ইনিংস ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ। শান্ত ও মুমিনুলের ফিফটির সুবাদে ২৬৭ রানের লিড পান শান্তরা। পাকিস্তানের হয়ে ৩টি করে উইকেট শিকার করেছেন হাসান ও নোমান।
৭ ঘণ্টা আগে
গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কেন অংশগ্রহণ করেনি বাংলাদেশ—তা খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। সোমবার (১১ মে) মন্ত্রণালয় থেকে এ-সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়েছে।
১ দিন আগে