স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপ ফাইনালের ৯০ মিনিটের খেলা শেষেও গোল পায়নি স্পেন ও আর্জেন্টিনা। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ আর কার্ডের নাটকীয়তায় ঠাসা দ্বিতীয়ার্ধের পরও ম্যাচটি ০-০ গোলের সমতায় শেষ হয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের একদম শেষ মুহূর্তে এনসো ফের্নান্দেস লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ায় বড় বিপদে পড়েছে আর্জেন্টিনা।
বিরতির পর আর্জেন্টিনা কৌশল পরিবর্তন করে পারেদেসকে নামালেও ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারেনি। দ্বিতীয় হাফের শুরুতেই ওলমোর পাস থেকে বক্সের বাইরে থেকে শট নেন স্পেনের বায়েনা, তবে তা সহজেই রুখে দেন আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। বদলি খেলোয়াড় পাসেদেস স্প্যানিশ মিডফিল্ডার রদ্রিকে ধাক্কা মেরে হলুদ কার্ড দেখে। ৫৭ মিনিটে রক্ষণভাগ আরও মজবুত করতে মন্তিয়েলের জায়গায় নাহুয়েল মলিনাকে মাঠে নামায় আর্জেন্টিনা।
অন্যদিকে স্পেনও ৬২ মিনিটে ওলমো ও রুইজের জায়গায় পেদ্রি ও ফেরান তোরেসকে নামানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। স্পেন ও একেরপর এক আক্রমণ চালিয়ে ম্যাচের আধিপত্য বিস্তার করলেও গোলের মুখ দেখতে পারেনি। ৬৮ মিনিটে ইয়ামালের ক্রস থেকে ফেরান তোরেসের হেড নসাৎ করে দেন এমিলিয়ানো। মেসি-আলভারেস জুটি স্প্যানিশ কাউন্টার অ্যাটাক রুখতে মাঝমাঠেই কঠিন ব্লক তৈরি করে স্পেন যা আর ভেদ করতে অক্ষম হয় আর্জেন্টিনা। ম্যাচের শেষ দিকে স্পেন চাপ আরও বাড়ায়। ৮১ মিনিটে হলুদ কার্ড দেখেন এনসো ফের্নান্দেস। এরপর যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাক ঠেকাতে কুবারসিসকে ফাউল করলে দ্বিতীয় হলুদ দেখে লাল কার্ডে মাঠ ছাড়তে হয় আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডারকে। যোগ করা সময়ের আট মিনিটে ইয়ামালের নেওয়া ফ্রি কিক ঠেকিয়ে দিলে গোলশূন্য সমতায় শেষ হয় নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা।

বিশ্বকাপ ফাইনালের ৯০ মিনিটের খেলা শেষেও গোল পায়নি স্পেন ও আর্জেন্টিনা। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ আর কার্ডের নাটকীয়তায় ঠাসা দ্বিতীয়ার্ধের পরও ম্যাচটি ০-০ গোলের সমতায় শেষ হয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের একদম শেষ মুহূর্তে এনসো ফের্নান্দেস লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ায় বড় বিপদে পড়েছে আর্জেন্টিনা।
বিরতির পর আর্জেন্টিনা কৌশল পরিবর্তন করে পারেদেসকে নামালেও ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারেনি। দ্বিতীয় হাফের শুরুতেই ওলমোর পাস থেকে বক্সের বাইরে থেকে শট নেন স্পেনের বায়েনা, তবে তা সহজেই রুখে দেন আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। বদলি খেলোয়াড় পাসেদেস স্প্যানিশ মিডফিল্ডার রদ্রিকে ধাক্কা মেরে হলুদ কার্ড দেখে। ৫৭ মিনিটে রক্ষণভাগ আরও মজবুত করতে মন্তিয়েলের জায়গায় নাহুয়েল মলিনাকে মাঠে নামায় আর্জেন্টিনা।
অন্যদিকে স্পেনও ৬২ মিনিটে ওলমো ও রুইজের জায়গায় পেদ্রি ও ফেরান তোরেসকে নামানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। স্পেন ও একেরপর এক আক্রমণ চালিয়ে ম্যাচের আধিপত্য বিস্তার করলেও গোলের মুখ দেখতে পারেনি। ৬৮ মিনিটে ইয়ামালের ক্রস থেকে ফেরান তোরেসের হেড নসাৎ করে দেন এমিলিয়ানো। মেসি-আলভারেস জুটি স্প্যানিশ কাউন্টার অ্যাটাক রুখতে মাঝমাঠেই কঠিন ব্লক তৈরি করে স্পেন যা আর ভেদ করতে অক্ষম হয় আর্জেন্টিনা। ম্যাচের শেষ দিকে স্পেন চাপ আরও বাড়ায়। ৮১ মিনিটে হলুদ কার্ড দেখেন এনসো ফের্নান্দেস। এরপর যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাক ঠেকাতে কুবারসিসকে ফাউল করলে দ্বিতীয় হলুদ দেখে লাল কার্ডে মাঠ ছাড়তে হয় আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডারকে। যোগ করা সময়ের আট মিনিটে ইয়ামালের নেওয়া ফ্রি কিক ঠেকিয়ে দিলে গোলশূন্য সমতায় শেষ হয় নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা।

বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের বিশ্বজয়ের পর মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আনন্দে মেতে উঠেছে লামিন ইয়ামালের ছোট ভাই কেইন ইয়ামাল। একই রাতে হাজার মাইল দূরের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতেও দেখা গেছে ফিলিস্তিনি শিশুদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস।
৭ ঘণ্টা আগে
স্প্যানিশ ফরওয়ার্ড নিকো উইলিয়ামস বিশ্বকাপ জয়ের গৌরবময় অর্জনকে ব্রাজিলের নেইমারকে উৎসর্গ করেছেন। বিশ্বকাপ জয়ের উচ্ছ্বাসের মধ্যেও ফুটবলে নিজের প্রেরণা ব্রাজিলের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমারকে ভুললেন না স্পেনের উইঙ্গার।
৯ ঘণ্টা আগে
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অতিরিক্ত সময়ের রোমাঞ্চকর ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১–০ গোলে হারিয়ে সোনালি ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছে ফুয়েন্তের শিষ্যরা। ফাইনালের এই মহামঞ্চে গোলপোস্ট থেকে আক্রমণ ভাগ, সব অংশের খেলোয়ারদেরই ছিল দাপট।
১১ ঘণ্টা আগে
টানটান উত্তেজনা, লাল কার্ডের নাটকীয়তা আর অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের চোখ ধাঁধানো গোলে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার সিংহাসন কেড়ে নিয়েছে স্পেন। এমন থ্রিলিং ম্যাচে আর্জেন্টিনার এমন অসহায় আত্মসমর্পণের কারণ কী? স্পেনই বা কী কৌশলে এভাবে বোতলবন্দি করে রাখল মেসি অ্যান্ড কোং কে? উত্তরটা অতটাও জটিল নয়।
১৩ ঘণ্টা আগে