স্ট্রিম প্রতিবেদক

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেছেন, ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের বিপক্ষে যারা রয়েছে, তারা নিজেদের ‘দিল্লির সেবাদাস’ হিসেবে পরিচিত করিয়েছে। রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর ধুপখোলা মাঠে ১১ দলের নির্বাচনী জনসভায় একথা বলেন তিনি।
উপস্থিত জনতার উদ্দেশে অলি আহমদ বলেন, আপনাদের অনেকের মনে প্রশ্ন, মুক্তিযোদ্ধা এখানে কেন এসেছেন? আপনাদের অনেকের হয়তো জানা নেই ২০০১ সালের পর থেকে বিএনপির সাতে নীতিগতভাবে অনেকগুলো জিনিস আমি মেনে নিতে পারিনি।
বিএনপির দীর্ঘদিনের মিত্র এলডিপি সম্প্রতি জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যে যোগ দিয়েছে। সমঝোতা অনুযায়ী দলটিকে সাতটি আসনে সমর্থন দিয়েছে ১১ দল।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিচারণ করে অলি আহমদ বলেন, ১৯৭১ সাল থেকে সারা জীবন আমি যুদ্ধ করেছি। একজন ক্যাপ্টেন হিসেবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম বিদ্রোহ করেছিলাম। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে দেওয়ানহাট নামক জায়গা থেকে ফিরিয়ে এনেছিলাম। উনাকে সেখান থেকে ফিরিয়ে না আনলে হয়তো পাঁচ মিনিটের মধ্যেই গুলি করে হত্যা করে কর্ণফুলীতে ফেলে দিত। পরে দুজনে গিয়ে স্বাধীনতার ঘোষণা হলো।
তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্য কী ছিল? একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ; অর্থনৈতিক মুক্তি। কিন্তু আমরা দীর্ঘ ২৫ বছর কী দেখেছি? ভারতের দালাল-মোদির দাসেরা দেশ পরিচালনা করেছে। এখন জাতিকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আমি আগে বলেছি, এখনো বলছি– আপনারা বিএনপি ও আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় দেখেছেন, জামায়াতের দুজনকে দেখেছেন। ২০০৮ সালে আমরা কয়েকজন এবং মতিউর রহমান নিজামী ও আলী আহসান মুজাহিদ ছাড়া বাকি সবাই দুর্নীতির দায়ে জেলে ছিলেন।
অলি আহমদ বলেন, ‘আজকে দেশের কী অবস্থা? আমরা কাপড় পাল্টাচ্ছি, নাম বদলাচ্ছি। কিন্তু দুর্নীতি থেকে বের হতে পারছি না। চাঁদাবাজি থেকে বের হতে পারিনি। মঞ্চে যারা বসে আছি, সামনে আমাদের জীবনের শেষ যুদ্ধ। এই যুদ্ধ হবে ১৯৭১ সালের যে স্বপ্ন ছিল, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা– ভারতের দাসত্বমুক্ত বাংলাদেশ, চাঁদাবাজমুক্ত বাংলাদেশ, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ। যেখানে গরিব-ধনীর মধ্যে বিচারে কোনো পার্থক্য থাকবে না।
তিনি বলেন, আজ যারা আমাদের বিরুদ্ধে আছে, তারা নিজেকে দিল্লির সেবাদাস হিসেবে পরিচিত করেছে। সেবাদাসকে আমরা বাংলাদেশের দায়িত্ব দিতে পারি না। সেবাদাসদের হাতে আমরা বাংলাদেশকে হস্তান্তর করতে পারি না। তাদের হাত থেকে দেশকে যেকোনো উপায়ে মুক্ত করতে হবে।
বিএনপির সমালোচনা করে এলডিপি সভাপতি বলেন, আপনারা শুনেছেন– বিএনপি মহাসচিব বলেছিলেন, ‘এই আগস্টের মুভমেন্ট যেটা হয়েছে, তাতে আমাদের কোনো অংশগ্রহণ ছিল না’। এটা তাঁরই কথা, আমার নয়। তাহলে এখন যে অবস্থা আছে, বিএনপি এটি চায় নাই। তারা শেখ হাসিনাকেই চেয়েছিল। আর আপনারা এক হাজার চারশ’র বেশি শহীদ হয়ে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করার জন্য প্রয়োজন ইনসাফের সমাজ।
তিনি আরও বলেন, একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অনুরোধ করব– নামাজে যান, সেজদায় যান, নিজের বিবেককে জিজ্ঞাসা করেন, আবেগে কাজ করবেন না। মার্কা দেখে ভোট না দিয়ে কারা দেশের জন্য মঙ্গল করবে আর কারা মোদির দালালি করবে, তা চিহ্নিত করেন। দালালদের ভোট দিলে শেখ হাসিনা যেভাবে আপনাদের অত্যাচার করেছিলেন, একইভাবে অত্যাচারিত হবেন। কেউ আপনাদের মুক্তি দিতে পারবে না। জাতিকে একটি জায়গায় এসে অবস্থান নিতে হবে। ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থীরা যে যেখানে আছেন, তাদের ভোট দিতে হবে।
এ সময় অলি আহমদ ঢাকা-৬ আসনে জামায়াতের প্রার্থী আবদুল মান্নান ও ঢাকা-৮ আসনে এনসিপির প্রার্থী নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নিজের দুইপাশে ডেকে নেন। তাদের হাত ওপরে তুলে বলেন, দুজন দুই পাশে, মুক্তিযোদ্ধা মধ্যখানে। এই জাতির সঙ্গে যারা বেইমানি করবে, আল্লাহ তাদের ক্ষমা করবে না। নিজের মঙ্গল নিজে করেন, ১১ দলীয় ঐক্যের যে যেখানে আছেন, তাদের ভোট দিয়ে দেশকে চিরকালের জন্য মোদির সেবাদাসদের হাত থেকে মুক্ত করবেন।

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেছেন, ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের বিপক্ষে যারা রয়েছে, তারা নিজেদের ‘দিল্লির সেবাদাস’ হিসেবে পরিচিত করিয়েছে। রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর ধুপখোলা মাঠে ১১ দলের নির্বাচনী জনসভায় একথা বলেন তিনি।
উপস্থিত জনতার উদ্দেশে অলি আহমদ বলেন, আপনাদের অনেকের মনে প্রশ্ন, মুক্তিযোদ্ধা এখানে কেন এসেছেন? আপনাদের অনেকের হয়তো জানা নেই ২০০১ সালের পর থেকে বিএনপির সাতে নীতিগতভাবে অনেকগুলো জিনিস আমি মেনে নিতে পারিনি।
বিএনপির দীর্ঘদিনের মিত্র এলডিপি সম্প্রতি জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যে যোগ দিয়েছে। সমঝোতা অনুযায়ী দলটিকে সাতটি আসনে সমর্থন দিয়েছে ১১ দল।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিচারণ করে অলি আহমদ বলেন, ১৯৭১ সাল থেকে সারা জীবন আমি যুদ্ধ করেছি। একজন ক্যাপ্টেন হিসেবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম বিদ্রোহ করেছিলাম। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে দেওয়ানহাট নামক জায়গা থেকে ফিরিয়ে এনেছিলাম। উনাকে সেখান থেকে ফিরিয়ে না আনলে হয়তো পাঁচ মিনিটের মধ্যেই গুলি করে হত্যা করে কর্ণফুলীতে ফেলে দিত। পরে দুজনে গিয়ে স্বাধীনতার ঘোষণা হলো।
তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্য কী ছিল? একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ; অর্থনৈতিক মুক্তি। কিন্তু আমরা দীর্ঘ ২৫ বছর কী দেখেছি? ভারতের দালাল-মোদির দাসেরা দেশ পরিচালনা করেছে। এখন জাতিকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আমি আগে বলেছি, এখনো বলছি– আপনারা বিএনপি ও আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় দেখেছেন, জামায়াতের দুজনকে দেখেছেন। ২০০৮ সালে আমরা কয়েকজন এবং মতিউর রহমান নিজামী ও আলী আহসান মুজাহিদ ছাড়া বাকি সবাই দুর্নীতির দায়ে জেলে ছিলেন।
অলি আহমদ বলেন, ‘আজকে দেশের কী অবস্থা? আমরা কাপড় পাল্টাচ্ছি, নাম বদলাচ্ছি। কিন্তু দুর্নীতি থেকে বের হতে পারছি না। চাঁদাবাজি থেকে বের হতে পারিনি। মঞ্চে যারা বসে আছি, সামনে আমাদের জীবনের শেষ যুদ্ধ। এই যুদ্ধ হবে ১৯৭১ সালের যে স্বপ্ন ছিল, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা– ভারতের দাসত্বমুক্ত বাংলাদেশ, চাঁদাবাজমুক্ত বাংলাদেশ, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ। যেখানে গরিব-ধনীর মধ্যে বিচারে কোনো পার্থক্য থাকবে না।
তিনি বলেন, আজ যারা আমাদের বিরুদ্ধে আছে, তারা নিজেকে দিল্লির সেবাদাস হিসেবে পরিচিত করেছে। সেবাদাসকে আমরা বাংলাদেশের দায়িত্ব দিতে পারি না। সেবাদাসদের হাতে আমরা বাংলাদেশকে হস্তান্তর করতে পারি না। তাদের হাত থেকে দেশকে যেকোনো উপায়ে মুক্ত করতে হবে।
বিএনপির সমালোচনা করে এলডিপি সভাপতি বলেন, আপনারা শুনেছেন– বিএনপি মহাসচিব বলেছিলেন, ‘এই আগস্টের মুভমেন্ট যেটা হয়েছে, তাতে আমাদের কোনো অংশগ্রহণ ছিল না’। এটা তাঁরই কথা, আমার নয়। তাহলে এখন যে অবস্থা আছে, বিএনপি এটি চায় নাই। তারা শেখ হাসিনাকেই চেয়েছিল। আর আপনারা এক হাজার চারশ’র বেশি শহীদ হয়ে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করার জন্য প্রয়োজন ইনসাফের সমাজ।
তিনি আরও বলেন, একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অনুরোধ করব– নামাজে যান, সেজদায় যান, নিজের বিবেককে জিজ্ঞাসা করেন, আবেগে কাজ করবেন না। মার্কা দেখে ভোট না দিয়ে কারা দেশের জন্য মঙ্গল করবে আর কারা মোদির দালালি করবে, তা চিহ্নিত করেন। দালালদের ভোট দিলে শেখ হাসিনা যেভাবে আপনাদের অত্যাচার করেছিলেন, একইভাবে অত্যাচারিত হবেন। কেউ আপনাদের মুক্তি দিতে পারবে না। জাতিকে একটি জায়গায় এসে অবস্থান নিতে হবে। ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থীরা যে যেখানে আছেন, তাদের ভোট দিতে হবে।
এ সময় অলি আহমদ ঢাকা-৬ আসনে জামায়াতের প্রার্থী আবদুল মান্নান ও ঢাকা-৮ আসনে এনসিপির প্রার্থী নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নিজের দুইপাশে ডেকে নেন। তাদের হাত ওপরে তুলে বলেন, দুজন দুই পাশে, মুক্তিযোদ্ধা মধ্যখানে। এই জাতির সঙ্গে যারা বেইমানি করবে, আল্লাহ তাদের ক্ষমা করবে না। নিজের মঙ্গল নিজে করেন, ১১ দলীয় ঐক্যের যে যেখানে আছেন, তাদের ভোট দিয়ে দেশকে চিরকালের জন্য মোদির সেবাদাসদের হাত থেকে মুক্ত করবেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দপ্তর বণ্টনে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
১৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ ৪২ জনই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। নতুনদের মধ্যে ১৭ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
১৭ ঘণ্টা আগে
সরকারি দল জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও গণভোটের রায়কে অবজ্ঞা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এই মন্তব্য করেন।
১৭ ঘণ্টা আগে