স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) ভোর থেকেই এভারকেয়ার হাসপাতাল ও এর আশপাশের এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। সময় যত গড়াচ্ছে, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার প্রবেশমুখ থেকে শুরু করে হাসপাতাল চত্বর পর্যন্ত নেতাকর্মীদের ভিড় ততই বাড়ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, প্রিয় নেতাকে একনজর দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন হাজারো নেতাকর্মী। তাদের হাতে ধানের শীষ, তারেক রহমানের ছবি সম্বলিত প্ল্যাকার্ড ও নানা রঙের ব্যানার। স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠেছে পুরো এলাকা।
এর আগে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে দেশে ফেরেন তারেক রহমান। আজ বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তিনি।
বিমানবন্দর থেকে আনুষ্ঠানিকতা সেরে তিনি এখন পূর্বাচল সংলগ্ন ৩০০ ফিট এলাকায় আয়োজিত গণসংবর্ধনা ও সমাবেশের পথে। সেখানে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেওয়া শেষ করে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের পথে রওনা দেবেন তিনি। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মা ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেই তাঁর এই গন্তব্য।
তারেক রহমানের আগমন এবং মায়ের সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়টিকে কেন্দ্র করে এভারকেয়ার হাসপাতাল এলাকায় নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে এবং ভিড় সামলাতে হাসপাতালের প্রধান ফটক থেকে প্রায় ১০০ মিটার এলাকাজুড়ে পুলিশ ব্যারিকেড ও তারকাঁটা বসানো হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে হাসপাতালের ঠিক সামনের সড়ক থেকে নেতাকর্মীদের সরিয়ে রাস্তা ফাঁকা করা হয়েছে। নেতাকর্মীরা বর্তমানে রাস্তার একপাশে অবস্থান করছেন।
সাধারণ রোগী ও তাদের স্বজনদের চলাচলে যাতে বিঘ্ন না ঘটে, সেদিকেও নজর রাখছে পুলিশ। তবে নেতাকর্মীদের উপচে পড়া ভিড় এবং নিরাপত্তার কড়াকড়িতে হাসপাতাল সংলগ্ন সড়কে যান চলাচল কিছুটা ধীরলয়ে চলছে।
এভারকেয়ারের সামনে অবস্থান নেওয়া নেতাকর্মীরা জানান, দলীয় নির্দেশনা অনুযায়ীই তারা এখানে অবস্থান নিয়েছেন। ভোর ৫টা থেকেই অনেকে এখানে জড়ো হতে শুরু করেন। বিএনপির ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী এম এ কাইয়ুমের অনুসারী মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘মায়ের কোলে ছেলে ফিরে আসছে। এতে শুধু বিএনপির নেতাকর্মীরা না, পুরো দেশবাসী খুশি। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতেই আমরা ভোর থেকে এখানে অবস্থান করছি।’
নেতাকর্মীরা বলছেন, দীর্ঘদিন পর জ্যেষ্ঠ ছেলে তারেক রহমানের দেশে ফেরা এবং অসুস্থ মায়ের শয্যাপাশে উপস্থিত হওয়া রাজনীতির মাঠের বাইরেও এটি একটি মানবিক ও আবেগঘন মুহূর্ত। এটি দলের তৃণমূল কর্মীদের মনোবল আরও চাঙ্গা করবে।
তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে আজ সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে বিমানবন্দরের দিকে রওনা হন দলটির নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। কুড়িল থেকে বিমানবন্দর এবং ৩০০ ফিট এলাকায় রাত থেকেই অবস্থান নিয়েছেন অনেকে। দুপুর বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এভারকেয়ারের সামনের ভিড়ও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ৩০০ ফিটের সমাবেশে তারেক রহমান তাঁর দীর্ঘ প্রবাস জীবন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখবেন। এরপরই তিনি মায়ের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে হাসপাতালে যাবেন।
শারীরিক নানা জটিলতা নিয়ে গত ২৩ নভেম্বর থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। মেডিকেল বোর্ডের নিবিড় পর্যবেক্ষণে তাঁর চিকিৎসা চলছে।
এদিকে, তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমান এবং মেয়ে জাইমা রহমান বর্তমানে গুলশানের বাসভবনে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) ভোর থেকেই এভারকেয়ার হাসপাতাল ও এর আশপাশের এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। সময় যত গড়াচ্ছে, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার প্রবেশমুখ থেকে শুরু করে হাসপাতাল চত্বর পর্যন্ত নেতাকর্মীদের ভিড় ততই বাড়ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, প্রিয় নেতাকে একনজর দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন হাজারো নেতাকর্মী। তাদের হাতে ধানের শীষ, তারেক রহমানের ছবি সম্বলিত প্ল্যাকার্ড ও নানা রঙের ব্যানার। স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠেছে পুরো এলাকা।
এর আগে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে দেশে ফেরেন তারেক রহমান। আজ বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তিনি।
বিমানবন্দর থেকে আনুষ্ঠানিকতা সেরে তিনি এখন পূর্বাচল সংলগ্ন ৩০০ ফিট এলাকায় আয়োজিত গণসংবর্ধনা ও সমাবেশের পথে। সেখানে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেওয়া শেষ করে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের পথে রওনা দেবেন তিনি। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মা ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেই তাঁর এই গন্তব্য।
তারেক রহমানের আগমন এবং মায়ের সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়টিকে কেন্দ্র করে এভারকেয়ার হাসপাতাল এলাকায় নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে এবং ভিড় সামলাতে হাসপাতালের প্রধান ফটক থেকে প্রায় ১০০ মিটার এলাকাজুড়ে পুলিশ ব্যারিকেড ও তারকাঁটা বসানো হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে হাসপাতালের ঠিক সামনের সড়ক থেকে নেতাকর্মীদের সরিয়ে রাস্তা ফাঁকা করা হয়েছে। নেতাকর্মীরা বর্তমানে রাস্তার একপাশে অবস্থান করছেন।
সাধারণ রোগী ও তাদের স্বজনদের চলাচলে যাতে বিঘ্ন না ঘটে, সেদিকেও নজর রাখছে পুলিশ। তবে নেতাকর্মীদের উপচে পড়া ভিড় এবং নিরাপত্তার কড়াকড়িতে হাসপাতাল সংলগ্ন সড়কে যান চলাচল কিছুটা ধীরলয়ে চলছে।
এভারকেয়ারের সামনে অবস্থান নেওয়া নেতাকর্মীরা জানান, দলীয় নির্দেশনা অনুযায়ীই তারা এখানে অবস্থান নিয়েছেন। ভোর ৫টা থেকেই অনেকে এখানে জড়ো হতে শুরু করেন। বিএনপির ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী এম এ কাইয়ুমের অনুসারী মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘মায়ের কোলে ছেলে ফিরে আসছে। এতে শুধু বিএনপির নেতাকর্মীরা না, পুরো দেশবাসী খুশি। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতেই আমরা ভোর থেকে এখানে অবস্থান করছি।’
নেতাকর্মীরা বলছেন, দীর্ঘদিন পর জ্যেষ্ঠ ছেলে তারেক রহমানের দেশে ফেরা এবং অসুস্থ মায়ের শয্যাপাশে উপস্থিত হওয়া রাজনীতির মাঠের বাইরেও এটি একটি মানবিক ও আবেগঘন মুহূর্ত। এটি দলের তৃণমূল কর্মীদের মনোবল আরও চাঙ্গা করবে।
তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে আজ সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে বিমানবন্দরের দিকে রওনা হন দলটির নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। কুড়িল থেকে বিমানবন্দর এবং ৩০০ ফিট এলাকায় রাত থেকেই অবস্থান নিয়েছেন অনেকে। দুপুর বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এভারকেয়ারের সামনের ভিড়ও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ৩০০ ফিটের সমাবেশে তারেক রহমান তাঁর দীর্ঘ প্রবাস জীবন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখবেন। এরপরই তিনি মায়ের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে হাসপাতালে যাবেন।
শারীরিক নানা জটিলতা নিয়ে গত ২৩ নভেম্বর থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। মেডিকেল বোর্ডের নিবিড় পর্যবেক্ষণে তাঁর চিকিৎসা চলছে।
এদিকে, তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমান এবং মেয়ে জাইমা রহমান বর্তমানে গুলশানের বাসভবনে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশের প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘তারা অনেক ভালো কাজ করেছেন।’
১ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
২ দিন আগে
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দপ্তর বণ্টনে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
২ দিন আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ ৪২ জনই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। নতুনদের মধ্যে ১৭ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
২ দিন আগে