আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিজের জীবনের ‘শেষ নির্বাচন’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
স্ট্রিম প্রতিবেদক

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিজের জীবনের ‘শেষ নির্বাচন’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে তিনি বলেন, ‘এই নির্বাচন হয়তো আমার শেষ নির্বাচন!’
ফেসবুকে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘মহান আল্লাহর রহমতে বিএনপি আমাকে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মনোনীত করেছে! আমি খালেদা জিয়া, তারেক রহমান এবং সকল নেতা ও নেত্রীকে আমার কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই। দলের সকল কর্মীকে জানাই আমার আন্তরিক ধন্যবাদ আজীবন আমার সঙ্গে থাকার জন্য!’
মির্জা ফখরুলের জাতীয় রাজনীতিতে হাতেখড়ি মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর দল ন্যাপে। সেখান থেকেই তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। ২০১১ সালে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এবং ২০১৬ সালে ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলে মহাসচিব নির্বাচিত হন।
নিজের রাজনৈতিক জীবনের শুরুর সময়ের বিবরণ দিতে গিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা যারা সারাজীবন রাজনীতি করেছি, জেলে গেছি, আমাদের নিজের একটা গল্প থাকে! অনেকেই তা জানে না! আমি যখন ১৯৮৭ সালে সিদ্ধান্ত নেই, আবার রাজনীতিতে ফিরব, আমার মেয়ে দুটো একদমই ছোট ছিলো! ঢাকায় পড়ত। আমার স্ত্রীর বয়স অনেক কম ছিলো! সে প্রথমে স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিল! বুঝতে পারছিল কি ভয়াবহ অনিশ্চিত জীবনে পা দিতে যাচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার মেয়ে দুটোর হাত ধরে সেই নিয়ে গেছে স্কুলে, ডাক্তারের কাছে! মনে পড়ে আমার বড় মেয়ের একটা অপারেশন হবে, আমি সারা রাত গাড়িতে ছিলাম, ঢাকার পথে, যাতে মেয়ের পাশে থাকতে পারি।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘গল্পগুলো অন্য কোনো দিন বলব যদি আল্লাহ চান! এরকম গল্প আমাদের হাজার হাজার নেতা–কর্মীর আছে! এই নির্বাচন হয়তো আমার শেষ নির্বাচন! যারা মনোনয়ন পায়নি, বিশ্বাস রাখুন, ইনশাআল্লাহ দল আপনাদের যথাযথ দায়িত্ব ও সম্মান দেবে।’
সবার কাছে দোয়া চেয়ে প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ বলেন, ‘আপনারা সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন, আমাদের দলের প্রতিটি নেতা–কর্মীর জন্য দোয়া করবেন! আমরা সবাই মিলে আপনাদের পাশে থাকব এবং কাজ করব! বিএনপির সেই যোগ্যতা আছে দেশকে মর্যাদার সঙ্গে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার! ইনশাআল্লাহ! আপনারা পাশে থাকুন।’
সোমবার ২৩৭ আসনে বিএনপির যে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়েছে, সেখানে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন মির্জা ফখরুল। এর আগে ১৯৯৬ (ফেব্রুয়ারি) এবং ২০০১ সালে দুইবার তিনি সংসদে গেছেন।

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিজের জীবনের ‘শেষ নির্বাচন’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে তিনি বলেন, ‘এই নির্বাচন হয়তো আমার শেষ নির্বাচন!’
ফেসবুকে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘মহান আল্লাহর রহমতে বিএনপি আমাকে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মনোনীত করেছে! আমি খালেদা জিয়া, তারেক রহমান এবং সকল নেতা ও নেত্রীকে আমার কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই। দলের সকল কর্মীকে জানাই আমার আন্তরিক ধন্যবাদ আজীবন আমার সঙ্গে থাকার জন্য!’
মির্জা ফখরুলের জাতীয় রাজনীতিতে হাতেখড়ি মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর দল ন্যাপে। সেখান থেকেই তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। ২০১১ সালে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এবং ২০১৬ সালে ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলে মহাসচিব নির্বাচিত হন।
নিজের রাজনৈতিক জীবনের শুরুর সময়ের বিবরণ দিতে গিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা যারা সারাজীবন রাজনীতি করেছি, জেলে গেছি, আমাদের নিজের একটা গল্প থাকে! অনেকেই তা জানে না! আমি যখন ১৯৮৭ সালে সিদ্ধান্ত নেই, আবার রাজনীতিতে ফিরব, আমার মেয়ে দুটো একদমই ছোট ছিলো! ঢাকায় পড়ত। আমার স্ত্রীর বয়স অনেক কম ছিলো! সে প্রথমে স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিল! বুঝতে পারছিল কি ভয়াবহ অনিশ্চিত জীবনে পা দিতে যাচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার মেয়ে দুটোর হাত ধরে সেই নিয়ে গেছে স্কুলে, ডাক্তারের কাছে! মনে পড়ে আমার বড় মেয়ের একটা অপারেশন হবে, আমি সারা রাত গাড়িতে ছিলাম, ঢাকার পথে, যাতে মেয়ের পাশে থাকতে পারি।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘গল্পগুলো অন্য কোনো দিন বলব যদি আল্লাহ চান! এরকম গল্প আমাদের হাজার হাজার নেতা–কর্মীর আছে! এই নির্বাচন হয়তো আমার শেষ নির্বাচন! যারা মনোনয়ন পায়নি, বিশ্বাস রাখুন, ইনশাআল্লাহ দল আপনাদের যথাযথ দায়িত্ব ও সম্মান দেবে।’
সবার কাছে দোয়া চেয়ে প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ বলেন, ‘আপনারা সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন, আমাদের দলের প্রতিটি নেতা–কর্মীর জন্য দোয়া করবেন! আমরা সবাই মিলে আপনাদের পাশে থাকব এবং কাজ করব! বিএনপির সেই যোগ্যতা আছে দেশকে মর্যাদার সঙ্গে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার! ইনশাআল্লাহ! আপনারা পাশে থাকুন।’
সোমবার ২৩৭ আসনে বিএনপির যে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়েছে, সেখানে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন মির্জা ফখরুল। এর আগে ১৯৯৬ (ফেব্রুয়ারি) এবং ২০০১ সালে দুইবার তিনি সংসদে গেছেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দপ্তর বণ্টনে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
১৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ ৪২ জনই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। নতুনদের মধ্যে ১৭ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
১৮ ঘণ্টা আগে
সরকারি দল জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও গণভোটের রায়কে অবজ্ঞা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এই মন্তব্য করেন।
১৮ ঘণ্টা আগে