স্ট্রিম প্রতিবেদক

রাজনীতি করার জন্য বিএনপির কোনো গুপ্ত কৌশলের দরকার হয় না বলে মন্তব্য করেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, 'আমাদের কোনো গুপ্ত কৌশলের দরকার নেই। আমরা জনগণের জন্য রাজনীতি করি। আমাদের সকল চাওয়া জনগণকে ঘিরে। তাই জনগণের অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য আমরা সব সময় প্রকাশ্য আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি।'
আজ রোববার (৪ জানুয়ারি) রাজধানীর গুলশানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রথম বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। এ সময় কমিটির অন্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
আসন্ন নির্বাচনকে বিএনপির দীর্ঘ আন্দোলনের ফসল হিসেবে অভিহিত করে নজরুল ইসলাম খান বলেন, বিএনপি গত ১৬ বছর ধরে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করেছে। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার পূর্বশর্ত হলো নির্বাচন। এজন্যই বিএনপি বারবার নির্বাচনের কথা বলে এসেছে।
বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা আরও বলেন, 'একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য যা যা করা দরকার বিএনপি সবই করবে। কারণ বিএনপি বরাবরই নির্বাচনমুখী একটি রাজনৈতিক দল।'
বৈঠক প্রসঙ্গে নজরুল ইসলাম খান জানান, সভায় একজন প্রার্থী কীভাবে নির্বাচনী কাজ পরিচালনা করবেন এবং ভোটারদের কাছে বিএনপির পরিকল্পনা তুলে ধরবেন, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এছাড়া আইন মেনে প্রচার চালানো এবং ভোটারদের কেন্দ্রে আনার বিষয়গুলোও আলোচনায় স্থান পায়।
উল্লেখ্য, গত ১ জানুয়ারি রাতে নজরুল ইসলাম খানকে চেয়ারম্যান এবং জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীকে সদস্যসচিব করে ৪১ সদস্যের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করে বিএনপি।

রাজনীতি করার জন্য বিএনপির কোনো গুপ্ত কৌশলের দরকার হয় না বলে মন্তব্য করেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, 'আমাদের কোনো গুপ্ত কৌশলের দরকার নেই। আমরা জনগণের জন্য রাজনীতি করি। আমাদের সকল চাওয়া জনগণকে ঘিরে। তাই জনগণের অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য আমরা সব সময় প্রকাশ্য আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি।'
আজ রোববার (৪ জানুয়ারি) রাজধানীর গুলশানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রথম বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। এ সময় কমিটির অন্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
আসন্ন নির্বাচনকে বিএনপির দীর্ঘ আন্দোলনের ফসল হিসেবে অভিহিত করে নজরুল ইসলাম খান বলেন, বিএনপি গত ১৬ বছর ধরে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করেছে। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার পূর্বশর্ত হলো নির্বাচন। এজন্যই বিএনপি বারবার নির্বাচনের কথা বলে এসেছে।
বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা আরও বলেন, 'একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য যা যা করা দরকার বিএনপি সবই করবে। কারণ বিএনপি বরাবরই নির্বাচনমুখী একটি রাজনৈতিক দল।'
বৈঠক প্রসঙ্গে নজরুল ইসলাম খান জানান, সভায় একজন প্রার্থী কীভাবে নির্বাচনী কাজ পরিচালনা করবেন এবং ভোটারদের কাছে বিএনপির পরিকল্পনা তুলে ধরবেন, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এছাড়া আইন মেনে প্রচার চালানো এবং ভোটারদের কেন্দ্রে আনার বিষয়গুলোও আলোচনায় স্থান পায়।
উল্লেখ্য, গত ১ জানুয়ারি রাতে নজরুল ইসলাম খানকে চেয়ারম্যান এবং জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীকে সদস্যসচিব করে ৪১ সদস্যের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করে বিএনপি।

অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশের প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘তারা অনেক ভালো কাজ করেছেন।’
২০ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
২ দিন আগে
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দপ্তর বণ্টনে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
২ দিন আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ ৪২ জনই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। নতুনদের মধ্যে ১৭ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
২ দিন আগে