leadT1ad

এলপিজির পর্যাপ্ত মজুত আছে, কৃত্রিম সংকটকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা

স্ট্রিম ডেস্ক
স্ট্রিম ডেস্ক

প্রকাশ : ০৪ জানুয়ারি ২০২৬, ২৩: ০৯
তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) বোতল। সংগৃহীত ছবি

দেশে তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। তবে খুচরা বিক্রেতাদের একটি অংশ বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে। এর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।

রোববার (৪ জানুয়ারি) মন্ত্রণালয়ে এলপিজি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন ও অপারেটরদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে জানানো হয়, গত নভেম্বরের তুলনায় ডিসেম্বরে এলপিজি আমদানি বেড়েছে। নভেম্বরে ১ লাখ ৫ হাজার মেট্রিক টন আমদানি হলেও ডিসেম্বরে তা বেড়ে ১ লাখ ২৭ হাজার টনে দাঁড়িয়েছে। তাই সরবরাহ কমার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই।

মন্ত্রণালয় জানায়, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) দাম বাড়াতে পারে—এমন ধারণা থেকেই খুচরা পর্যায়ে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হয়েছে। এদিকে রোববার সন্ধ্যায় বিইআরসি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ২৫৩ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারণ করেছে।

বৈঠকে স্বীকার করা হয়, বিশ্ববাজারে মূল্যবৃদ্ধি ও জাহাজ সংকটের কারণে আমদানি পর্যায়ে কিছুটা সমস্যা ছিল। তবে তা বাজারে বড় কোনো সংকটের কারণ নয়। ব্যবসায়ীদের এলসি সহজীকরণ ও ভ্যাট হ্রাসের দাবিগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ জন্য মন্ত্রিপরিষদ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহায়তা চেয়েছে জ্বালানি বিভাগ। এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এ বিষয়ে আজই একটি বিবৃতি দেবে বলে জানিয়েছে।

Ad 300x250

সম্পর্কিত