স্ট্রিম প্রতিবেদক

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নির্বাচনে জেলা ও বিভাগের অ্যাডহক কমিটি থেকে কাউন্সিলর করা এবং বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের চিঠির কার্যকারিতা স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।
আজ সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিসিবি নির্বাচনে জেলা ও বিভাগের অ্যাডহক কমিটি থেকে কাউন্সিলর করা এবং বিসিবি সভাপতি বুলবুলের চিঠির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিটের শুনানি শেষে আদালত এই আদেশ দিয়েছেন।
চিঠির কার্যকারিতা ১৫ দিনের জন্য স্থগিত আদেশের পাশাপাশি হাইকোর্ট অ্যাডহক কমিটি থেকে কাউন্সিলর করা এবং বুলবুলের চিঠি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন।
আজ সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া এবং বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেয়। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। বিসিবির পক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ।
এর আগে বিসিবি নির্বাচনে জেলা ও বিভাগের অ্যাডহক কমিটি থেকে কাউন্সিলর করা এবং বিসিবি সভাপতির চিঠির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট করা হয়। ওই চিঠির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে চার ব্যক্তি বাদী হয়ে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি করেন।
রিটকারী চার জন হলেন—রাজবাড়ীর মঞ্জুরুল আলম, গোপালগঞ্জের জসিম উদ্দিন খসরু, লক্ষ্মীপুরের মঈনুদ্দিন চৌধুরী এবং টাঙ্গাইলের আলী ইমাম। পরে এ সংক্রান্ত বিষয়ে হাইকোর্টের বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথ এর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে শুনানি হতে পারে বলে জানিয়েছিলেন রিটকারী আইনজীবী মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
উল্লেখ্য, আগামী ৬ অক্টোবর বিসিবি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা থেকে কাউন্সিলর হিসেবে মনোনীত হয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিসিবিতে ফর্ম জমা দিয়েছিলেন সাবেক খেলোয়াড় ও ক্রীড়া সংগঠকরা। তবে অ্যাডহক কমিটি থেকে যেসব জেলা ক্রীড়া সংস্থা কাউন্সিলরের জন্য মনোনয়ন দেয়নি, সেসব আবেদন বাতিল করেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। এছাড়া, প্রধান নির্বাহীর পরিবর্তে নতুন করে নিজে সই করে অ্যাডহক কমিটি থেকে কাউন্সিলর দিতে বলেছেন তিনি।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নির্বাচনে জেলা ও বিভাগের অ্যাডহক কমিটি থেকে কাউন্সিলর করা এবং বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের চিঠির কার্যকারিতা স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।
আজ সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিসিবি নির্বাচনে জেলা ও বিভাগের অ্যাডহক কমিটি থেকে কাউন্সিলর করা এবং বিসিবি সভাপতি বুলবুলের চিঠির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিটের শুনানি শেষে আদালত এই আদেশ দিয়েছেন।
চিঠির কার্যকারিতা ১৫ দিনের জন্য স্থগিত আদেশের পাশাপাশি হাইকোর্ট অ্যাডহক কমিটি থেকে কাউন্সিলর করা এবং বুলবুলের চিঠি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন।
আজ সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া এবং বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেয়। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। বিসিবির পক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ।
এর আগে বিসিবি নির্বাচনে জেলা ও বিভাগের অ্যাডহক কমিটি থেকে কাউন্সিলর করা এবং বিসিবি সভাপতির চিঠির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট করা হয়। ওই চিঠির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে চার ব্যক্তি বাদী হয়ে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি করেন।
রিটকারী চার জন হলেন—রাজবাড়ীর মঞ্জুরুল আলম, গোপালগঞ্জের জসিম উদ্দিন খসরু, লক্ষ্মীপুরের মঈনুদ্দিন চৌধুরী এবং টাঙ্গাইলের আলী ইমাম। পরে এ সংক্রান্ত বিষয়ে হাইকোর্টের বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথ এর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে শুনানি হতে পারে বলে জানিয়েছিলেন রিটকারী আইনজীবী মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
উল্লেখ্য, আগামী ৬ অক্টোবর বিসিবি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা থেকে কাউন্সিলর হিসেবে মনোনীত হয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিসিবিতে ফর্ম জমা দিয়েছিলেন সাবেক খেলোয়াড় ও ক্রীড়া সংগঠকরা। তবে অ্যাডহক কমিটি থেকে যেসব জেলা ক্রীড়া সংস্থা কাউন্সিলরের জন্য মনোনয়ন দেয়নি, সেসব আবেদন বাতিল করেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। এছাড়া, প্রধান নির্বাহীর পরিবর্তে নতুন করে নিজে সই করে অ্যাডহক কমিটি থেকে কাউন্সিলর দিতে বলেছেন তিনি।

সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে তিনি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
৮ মিনিট আগে
সৌদি আরবে পবিত্র রমজানের চাঁদ দেখা গেছে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি)। তাদের সঙ্গে মিল রেখে সেহেরি খেয়েছেন ভোলার পাঁচ উপজেলার অন্তত ১৪টি গ্রামের মানুষ। আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) তাদের প্রথম রোজা পূর্ণ হবে।
৩৭ মিনিট আগে
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’– এর সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্যরা। তবে বিএনপির সংসদ সদস্যরা এই শপথ নেননি। বিএনপির দাবি, সংবিধান কিংবা নির্বাচনী আইনে সংবিধান সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই। তাই এমন বিষয়ে শপথ নেওয়া সংবিধানবহ
১ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠন করায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ ভেঙে গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে